Connect with us

top1

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে চমক পাল্টা চমক জামাত-বিনপির

Published

on

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে চমক দেখাচ্ছে বিএনপি একের পর এক হেভি ওয়েট এবং পরিচিত মুখকে সামনে আনছে দলটি বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ হওয়া মীর মুগ্ধের ভাই স্নিগ্ধকে প্রকাশ্যে দলে ভিড়িয়ে সুনাম কুড়িয়েছে দলটি। এমনকি মনে করা হচ্ছে তাকে মনোনয়নের প্রথম ধাপ এটি এবং এর মাধ্যমে চমক দেখাবে বিনপি। অন্যদিকে তার একদিন পর অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান ঝিনাইদা এক আসনের নমিনেশনের জন্য আবেদন করেছে এবং অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছে অতি অল্প সময়েই সুনাম অর্জন কারী এই এটর্নি জেনারেল। জামায়াতে ইসলামীও পিছিয়ে নেই। দলটি বিদেশে উচ্চপদে কর্মরত তরুণ ও পলিসি মেকারদের মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াতের এই কৌশল বিএনপির জোটকে আরও শক্তিশালী করছে এবং তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে। জামাত ইসলামের এক এক হেভি ওয়েট বিদেশের উচ্চ অবস্থানে থাকা তরুণ এবং পলিসি মেকার কে সামনে নিয়ে এসে তাক লাগেয়েছিলো দলটি যা এখন বিনপির ঝুড়িকেউ ভারী করছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যবাহী এই দুইটি দলের পারস্পরিক মনোনয়নের প্রতিদ্বন্দিতা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এবং উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণার সাধারণ মানুষের। আর এর মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিএনপি ইতোমধ্যে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে, যেখানে অনেক নতুন ও অভিজ্ঞ মুখ রয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াত ও এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) সহ অন্যান্য শরিক দলগুলোও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠে নেমেছে। ঢাকা, গাজীপুর, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও,সিলেট, বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে।
এই চমক ও পাল্টা চমকের রাজনীতিতে তরুণ ভোটারদের ভূমিকা এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো এখন তরুণদের মন জয় করতে নতুন মুখ, আবেগী ইস্যু এবং সংস্কারের প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে।

top1

বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিসহ বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা কোন কোন কারণে বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

শনিবার (২২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে দূতাবাস জানায়, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেলে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাও হারাতে পারেন শিক্ষার্থীরা।

মার্কিন দূতাবাস শিক্ষার্থীদের ভিসার সব শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বৈধ শিক্ষার্থী স্ট্যাটাস বজায় রাখা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভিসার শর্ত সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং নিয়ম ভঙ্গের কারণে সম্ভাব্য জটিলতা এড়িয়ে চলতে হবে।

Continue Reading

top1

মন্ত্রিসভায় ৫ নতুন মুখ, পদোন্নতি পেলেন মিল্লাত

Published

on

By

সরকার গঠনের ৬ মাসের মাথায় আকার বাড়াল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার। সেইসঙ্গে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলও এনেছেনে তিনি। নতুন করে চার মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন চার পূর্ণমন্ত্রী হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংহী-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বান্দরবান আসনের সাচিং প্রু জেরী এবং বিএনপির জোট শরিক ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ। একই সঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এতদিন তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও জামালপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য।

শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী

নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার (লিংকন)। তাদের মধ্যে হুমায়ুন কবির এতদিন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। তবে নতুনদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শপথ নিলেন নতুন ২ প্রতিমন্ত্রী

সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য এ রদবদলে মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা স্থানীয় সরকার অথবা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আবদুল মঈন খান। রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পেতে পারেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন সাচিং প্রু জেরী। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন। বিগত সময়ে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন কাজে সমন্বয় করে আসছেন। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বর্তমানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপনকে মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা করা হতে পারে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। সেদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পরে মার্চে প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পান। আর ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদটিও শূন্য হয়। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় নতুন পাঁচজনের অন্তর্ভুক্তি এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর পদোন্নতির মধ্য দিয়ে সরকারের মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে দাঁড়াল ৫২ জনে।

এর আগে সন্ধ্যায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে শপথ পড়ান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপতির শপথের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

top1

সমকালের প্রতিবেদন নিয়ে পাল্টা ‘আমলনামা’ রাকসু জিএস আম্মারের

Published

on

By

বিশেষ প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সোয়া কোটি টাকা ব্যয় এবং ৬১ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পর শুক্রবার রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে সমকাল ও পত্রিকাটির মালিকানা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। 

‘আমলনামা-০১ (সমকাল)’ শিরোনামের ওই পোস্টে তিনি পত্রিকাটির মালিকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং অতীতে তাঁর ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার সমকালের শেষের পাতায় লিড হিসেবে প্রকাশিত ‘রাকসুর সোয়া কোটি টাকা এবং আম্মারদের ভাউচার সংকট’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান রাকসু পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার তখনো জমা হয়নি। প্রতিবেদনে জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের নামে উত্তোলন করা প্রায় ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একই দিনে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ অভিযোগ করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং রাকসুকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, যেসব কর্মসূচির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়াও শেষ হয়নি। ভিপি আরও বলেন, রাকসুর কোনো অর্থ ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করা হয়নি।

রাকসু নেতাদের দাবি, যেসব কর্মসূচির ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।

তবে সমকাল এরপরও পৃথক আরেক প্রতিবেদনে ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের নামে উত্তোলন করা অর্থ ও জমা না দেওয়া ভাউচারের হিসাব প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ভিপির নামে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা উত্তোলন করা হলেও মাত্র ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সমকালের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। বিষয়টি নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

পোস্টের শুরুতেই সালাউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসুর মেয়াদ এখনো প্রায় আড়াই মাস বাকি এবং কার্যক্রম চলমান। এ অবস্থায় ‘বানানো ও যাচাই না করা তথ্য’ দিয়ে সমকাল প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে সমকাল প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান টাইমস মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা কাঠামোর সঙ্গে ব্যবসায়ী এ কে আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আনেন আম্মার। তিনি দাবি করেন, এ কে আজাদ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। 

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময়ে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সমকালের পুরোনো একটি প্রতিবেদনে তাঁকে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন রাকসু জিএস।

এরপর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রশ্ন তোলেন আম্মার। তাঁর পোস্টে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্সে এ কে আজাদের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, সেখানে তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষের স্বার্থকে সাংবাদিকতা, প্রেস ফ্রিডম ও গণতন্ত্রের চেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। 

এ বক্তব্যের সূত্র ধরে আম্মার প্রশ্ন তোলেন, মালিক নিজেই যখন ব্যবসায়িক স্বার্থের অগ্রাধিকারের কথা বলেন, তখন তাঁর মালিকানাধীন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার মানুষের রয়েছে কি না।

পোস্টে আরও বলা হয়, এ কে আজাদ ও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ২০২৪ সালে গাজীপুরের শ্রীপুরে হা-মীম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ককে ঘিরে বনভূমি দখল, বন উজাড় ও পরিবেশগত ক্ষতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন আম্মার। 

একই সঙ্গে হা-মীম গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানের পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ এবং কর্তৃপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের কথাও পোস্টে তোলা হয়।

এ ছাড়া ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এ কে আজাদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা একটি দুর্নীতির মামলার প্রসঙ্গও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে ঘোষিত সম্পদের বাইরে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে দাবি করেন আম্মার। 

পরে ওই মামলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। তবে আম্মারের পোস্টে উল্লিখিত এসব অভিযোগ ও পুরোনো মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

পোস্টের শেষাংশে সমকালের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন রাকসু জিএস। তিনি লেখেন, সমকাল কেবল একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, নাকি এর মালিকের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থও সাংবাদিকতার ওপর প্রভাব ফেলে—সেই প্রশ্নের উত্তর জনগণই দেবে। 

একই সঙ্গে রাকসুকে নিয়ে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন কিংবা যাচাই না করা’ সংবাদ প্রকাশ করে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে পোস্টে নিজের অবস্থান তুলে ধরে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, রাকসুর কার্যক্রম এখনো চলমান থাকা অবস্থায় অসম্পূর্ণ ও যাচাই না করা তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। 

তার ভাষ্য, যে গণমাধ্যম অন্যের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে, তাদের নিজেদের মালিকানা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ ও স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নেরও জবাব থাকা প্রয়োজন।

রাকসুর আর্থিক ব্যয়ের হিসাব নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে জিএসের এই পোস্টে। আর্থিক হিসাবের প্রশ্নের বাইরে বিষয়টি এখন সংবাদমাধ্যমের মালিকানা, মালিকের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতার প্রশ্নেও গড়িয়েছে। সমকালের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে রাকসু নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য পাল্টা অবস্থানকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading

Trending