জামালপুর সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়নের চান্দেরহাওড়া গ্রামে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চান্দেরহাওড়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মো. ফরহাদ মিয়া (৩২), একই গ্রামের মো. আজম (২৫) এবং মৃত রেজাউল ইসলামের ছেলে রাহাত আলী রৌদ্র (২৫)।
মামলার অন্য আসামি হিসেবে রয়েছে পশ্চিম আড়ংহাটি গ্রামের মো. সুমন উরফে পঁচা (২৪) ও গগণপুর গ্রামের মো. পলাশ।
ভুক্তভোগী নারী ৬ জানুয়ারি নিজেই জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত রাহাত আলীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়।
স্ত্রী বিষয়টি টের পেয়ে পিছু নিলে ঝিনাই নদীর তীরে গিয়ে দেখেন, তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছে। এরপর পাঁচজনের মধ্যে কয়েকজন গৃহবধূকে জোরপূর্বক নিকটস্থ একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামীকে আটক রেখে মোবাইল সিম খুলে টাকা দাবি করা হয় এবং ঘটনার কথা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ছিল। তাদের ভয়ে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন আতঙ্কে ছিলেন। তারা দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, বিস্তারিত তদন্ত চলছে, ফরেনসিক রিপোর্ট সংগ্রহ করা হবে এবং বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।