Connect with us

জাতীয়

জুন ২০২৬ এর মধ্যেই নির্বাচন: সমর্থন জামাত ও এনসিপির

Published

on

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।এবং এ সিদ্ধান্তে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থন দিয়েছে ।
শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার পৃথক পৃথক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। জামায়াত ও এনসিপি এ বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছে। তিনটি রাজনৈতিক দলই চায় যেন প্রধান উপদেষ্টার অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। ডিসেম্বর থেকে জুনের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে, এর বাইরে যাবে না।

::অলটাইম ডেস্ক::

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’কে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির কাছে জাহাজটি আটকে রয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জাহাজটি গত প্রায় ৪০ দিন ধরে ওই এলাকায় আটকা পড়ে ছিল। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, এটি গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে প্রণালির দিকে অগ্রসর হয়।

তবে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে প্রণালিটির কাছাকাছি পৌঁছালে ইরানি কর্তৃপক্ষ জাহাজটির ট্রানজিট ক্লিয়ারেন্সের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক কোনো বিকল্প না থাকায় জাহাজটিকে সম্ভবত পুনরায় কোনো নিরাপদ বন্দরে ফিরে যেতে হবে এবং নতুন করে অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানি নির্দেশনা অনুযায়ী জাহাজটি ক্লিয়ারেন্স চেয়েছিল, কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অনুমতি পাওয়ার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জাহাজটি এখনো হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থান করছে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এটিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, জাহাজটিতে মোট ৩১ জন নাবিক রয়েছেন এবং তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে প্রতিদিন প্রায় ১৮ টন মিঠা পানি উৎপাদন করা সম্ভব, যদিও এর জন্য ইঞ্জিনকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে হয়। বর্তমানে পানির ব্যবহার সীমিত করে দৈনিক প্রায় ৬ টনে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্রুদের মনোবল বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকের দৈনিক খাবার ভাতা ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করেছে এবং তাদের মৌলিক বেতনের সমপরিমাণ অতিরিক্ত যুদ্ধ ভাতাও দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি-র তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ভারত থেকে যাত্রা করে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছিল। পরে এটি কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।

এর ঠিক একদিন পরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালালে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়। এর জবাবে পাল্টা হামলা শুরু হলে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

গত ১১ মার্চ জাবেল আলীতে পণ্য খালাসের পর জাহাজটির কুয়েতে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় বিএসসি জাহাজটিকে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলাকা ত্যাগের একাধিক চেষ্টা করলেও জাহাজটি এখনো নিরাপদ যাত্রার অনুমতি পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিএসসি-র বহরে যুক্ত হওয়া অন্যতম নতুন জাহাজ, যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্ত হয়েছিল

Continue Reading

top1

আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সময়ও এ দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর সময় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে। এটি আগের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চললেও, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সমালোচনা করে বলেন, তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ‘খুব খারাপ কাজ করছে’। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, জাহাজ থেকে ফি আদায়ের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ করতে হবে।

সাম্প্রতিক হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, এসব হামলার ফলে প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে গেছে। এছাড়া সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহনও প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল প্রতিদিন কমে গেছে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম পরিবর্তন হলেও জ্বালানির দাম সাধারণ মানুষের নাগালে ফিরতে এখনো দীর্ঘসময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেও সময় লাগবে। বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট সুরাহা হতে যেসব সংকট রয়েছে, সেগুলো নিয়ে প্রতিবেদন করেছে আলজাজিরা।

হরমুজ প্রণালি ও সরবরাহ জটিলতা: বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ জলপথটি কার্যত বন্ধ ছিল। চুক্তি অনুযায়ী এটি খুলে দেওয়া হলেও তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

ট্যাংকারের দূরত্ব: যুদ্ধের কারণে বিশাল আকৃতির তেলবাহী ট্যাংকারগুলো বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এই জাহাজগুলো ফের উপসাগরীয় অঞ্চলে ফিরে এসে তেল লোড করতে কয়েক সপ্তাহ সময় নেবে।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা: মাত্র দুই সপ্তাহের এই ‘ভঙ্গুর’ যুদ্ধবিরতির মধ্যে বড় বিনিয়োগ বা জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি নিতে এখনো অনেক কোম্পানি দ্বিধাগ্রস্ত।

তেলকূপ চালুর কারিগরি চ্যালেঞ্জ: দীর্ঘদিন সরবরাহ বন্ধ থাকায় এবং অনশোর স্টোরেজ (তীরবর্তী মজুতাগার) পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের অনেক তেল উৎপাদনকারী দেশ তাদের কূপগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।

ধীর প্রক্রিয়া: একটি তেলকূপ বা রিফাইনারি ফের চালু করা বৈদ্যুতিক সুইচ টেপার মতো সহজ কাজ নয়। এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ কারিগরি প্রক্রিয়া।

স্থাপনার ক্ষতি: যুদ্ধের সময় অনেক জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, যা মেরামত করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।

Continue Reading

top3

আওয়ামী আমলের অর্থনীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

আওয়ামী লীগ সরকার আমলের বিগত ১৬ বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লাগামহীন লুটপাট এবং ভ্রান্ত নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতগুলোকে অকার্যকর করে দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির প্রতিটি শক্তিশালী সূচককে ধুলিস্যাৎ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ৩০০ বিধিতে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বিবৃতিতে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক দর্শনের ফলে অর্থনীতির মূল সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় ছিল এবং প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকার সেই অর্জনগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে।

তিনি জানান, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.১৭ শতাংশের মতো নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে। অথচ ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে দুর্বৃত্তায়নের কারণে সেই প্রবৃদ্ধির হার কমে ৪.২২ শতাংশে নেমে এসেছে এবং মূল্যস্ফীতি অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে ৯.৭৩ শতাংশ হয়েছে। একইভাবে শিল্প ও কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

দুদকের ‘ত্রুটিপূর্ণ মামলা’ মালয়েশিয়ার পথে কাঁটা

শ্রমবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা ও কর্মসংস্থান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত এক দশকে শিল্প ও সেবা খাতে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় তরুণ সমাজ বাধ্য হয়ে কৃষিতে নিয়োজিত হচ্ছে। এতে কৃষিখাতে ছদ্ম-বেকারত্ব বাড়ছে এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি একে ‘কর্মসৃজনবিহীন প্রবৃদ্ধি’ বা জব-লেস গ্রোথ হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও টাকার মান নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, গত ১৫ বছরে টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল যেখানে ৬৭.২ টাকা, তা বর্তমানে ১২১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই ব্যাপক অবচিতির ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও বাজেট ঘাটতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে কর-জিডিপি অনুপাত না বাড়লেও ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অতিমূল্যায়িত প্রকল্প এবং সঠিক সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই নেওয়া ‘জম্বি’ প্রকল্পগুলোর কারণে বাজেট ঘাটতি এখন জিডিপির ৪.০৫ শতাংশে পৌঁছেছে। ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে এবং ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বর্তমান সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। এই লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও বিনিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সরকার একটি নতুন ‘সামাজিক চুক্তি’র মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়, যেখানে করদাতার অর্থের বিনিময়ে সুশাসন ও উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা থাকবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে জনগুরুত্বহীন ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো বাতিল করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ঋণ ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলার তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০০৫-০৬ সালে সুদ পরিশোধে ব্যয় ছিল মাত্র ৮৫ বিলিয়ন টাকা, যা ২০২৩-২৪ সালে ১৩ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১১৪৭ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অধিক নির্ভরতা বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা বিশেষ করে এসএমই খাতের জন্য ঋণ প্রাপ্তি কঠিন করে তুলেছে, যাকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলা হয়।

২০০৫-০৬ সালে রপ্তানি ও আমদানির প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক থাকলেও ২০২৩-২৪ সালে তা নেতিবাচক ছিল। অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, হুন্ডি এবং অর্থ পাচারের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

Continue Reading

Trending