Connect with us

রাজনীতি

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পরপরই জোরেশোরে আলোচনা উঠেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ঢাকাসহ ৬টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাদের সবাই বিএনপি নেতা। বিষয়টি নিয়ে সংসদের প্রধান বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঘোর আপত্তি জানিয়েছে। প্রশাসক নিয়োগ বাতিল করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে তারা।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে যেটির যখন মেয়াদ শেষ হবে, পর্যায়ক্রমে সেসব জায়গায় নির্বাচন হবে। নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ঢাকার দুই সিটি এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে।

দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হবে কিনা, সেটি সংসদে নির্ধারিত হবে বলেও জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

তবে প্রশাসক ‍নিয়োগ নিয়ে সরকার এবং বিরোধীদলের বিপরীতমুখী অবস্থানের মধ্যেই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতাদের অনেকেই মনস্থির করেছেন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার। অনেকে আবার প্রস্তুতি নিতে দলের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও দলের অভ্যন্তরে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আলোচনায় আছেন কয়েকজন।

ঢাকার দুই সিটিতে সম্ভাব্য বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম খান ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এরই মধ্যে ইশরাক হোসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলোচনায় থাকা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম ইতোমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন। এছাড়াও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ নেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে আব্দুস সালাম বলেন, “দলের চেয়ারম্যান মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো। অতীতে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাছাড়া আমি দীর্ঘদিন রাজধানী ঢাকার রাজনীতিতে যুক্ত। আশা করছি নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে কাজ করতে পারবো।”

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আরেক আলোচিত নাম হাবিব উন নবী খান সোহেল। বিএনপি’র ত্যাগী নেতাদের একজন তিনি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বাংলাদেশে রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক মামলাও দায়ের করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নির্বাচনের বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। দল যাকে বলবে তিনিই নির্বাচন করবেন।”

এদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ঢাকা-৬ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ২০২০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে মেয়র নির্বাচন করেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এবারের নির্বাচনের আলোচিত নামের তালিকায় আছে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল। ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছিলেন তিনি।

এবারের নির্বাচনের বিষয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, “রাজধানী ঢাকা নিয়ে আমার নিজস্ব প্ল্যান রয়েছে। আগের নির্বাচনে ভোট কারচুপি করে শেষ রাতে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এটা দেশবাসী জানেন। এবার যদি দলের হাইকমান্ড আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে নির্বাচন করবো। মেয়র নির্বাচিত হয়ে রাজধানীবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই।”

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচিত আরেক নাম শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব ছিলেন। ইতোমধ্যে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নেতাকর্মীদের মুখে আলোচিত আরেক নাম এম এ কাইয়ুম। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ঢাকা উত্তর বিএনপির সভাপতি ছিলেন তিনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হিসেবে দেখার।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে যা বলছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের ত্যাগীদের মনোনয়ন দেওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, “দুঃসময়ে যারা বিএনপি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে ছিল, এমন কাউকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া উচিত। সবকিছু একজনকে দেওয়া ঠিক হবে না। এতে দলের নেতাকর্মীদের ভেতরে অসন্তোষ দেখা দেবে।”

রাজধানী ও রাজধানীবাসীর উন্নয়ন যাকে দিয়ে হবে তাকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত বলে মনে করেন কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইরফান আহমদ ফাহিম। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, “যারা রাজধানীর স্থানীয় বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে যুক্ত আছে, রাজধানীবাসীর সুখ দুঃখে পাশে থাকবে এমন কাউকে দল থেকে মনোনয়ন দেবে। এক্ষেত্রে নিশ্চয়ই দীর্ঘদিনের ত্যাগ বিবেচনায় থাকবে।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে এনিয়ে এখনও আলোচনা হয়নি। পার্টির সিদ্ধান্ত মুখ্য। পার্টি থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই নির্বাচন করবেন।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলীয় ফোরামে আলোচনা করবো। ফোরামে আলোচনা সাপেক্ষে মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী নির্ধারণ করবে বিএনপি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ আহত ৩

Published

on

By

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) রাত নয়টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

আহতরা হলেন- মো শাহীন খান্দকার(৩০), মো জসিম (২৬), মো শাহাদাত হোসেন (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (উত্তরান্চল) সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতাকর্মীরা তাদের বাঁচাতে মানবঢাল তৈরি করেন।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশস্থল ধুলোয় ঢেকে যায়। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করা যায়নি।

একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩

Continue Reading

top2

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ জেলায় মাদক বন্ধ করতে পারে না, সারাদেশে করবে কীভাবে ?

Published

on

By

নিজ জেলায় মাদক বন্ধ করতে পারে না, সারাদেশে কীভাবে করবে, এমন প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দলেরই একজন সংসদ সদস্য কক্সবাজারকে মাদক কারবারের সূতিকাগার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি নিজের জেলাতেই মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে সারাদেশে মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা কীভাবে নিশ্চিত করবেন—সেই প্রশ্ন উঠেছে।

তিনি বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব, আগে কক্সবাজারে মাদক কারবার বন্ধ করুন। এরপর সারা বাংলাদেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ করুন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করুন।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার কালীগঞ্জ থেকে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শুরু হয়।

সমাবেশে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলীয় কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন

Continue Reading

top3

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা

Published

on

By

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আত্মসমর্পণ এবং জামিন আবেদন করতে পারেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আরও বলেন, আইনগতভাবে তার ফেরার পথে কোনো বাধা নেই। তিনি দেশে ফিরে আমাদের প্রচলিত সিআরপিসি বা ফৌজদারি কার্যবিধির নিয়ম মেনেই আত্মসমর্পণ ও জামিনের আবেদন করতে পারেন। প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়াই তিনি অনুসরণ করবেন।

বিরোধী দলের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের গুঞ্জন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সংস্কৃতি রয়েছে। যদি বিরোধী দল এটি গঠন করে, তবে তা অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো বিষয়। ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে যদি তারা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক পরিকল্পনা তুলে ধরে এবং বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দিয়ে ইতিবাচক মতামত প্রদান করে, তবে সেটি অবশ্যই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।

তার এই মন্তব্য বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার আইনি অবস্থান এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে তার এমন বিশ্লেষণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন

Continue Reading

Trending