Connect with us

আন্তর্জাতিক

তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসী গ্রহণ স্থায়ীভাবে স্থগিতের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তার প্রশাসন ‘তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ’ থেকে অভিবাসী গ্রহণ স্থায়ীভাবে স্থগিত করবে। তার দাবি, পূর্ববর্তী প্রশাসন—বিশেষ করে জো বাইডেনের সময়ে—যেসব মানুষের ‘অবৈধ প্রবেশাধিকার’ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হবে। প্রয়োজন নেই এমন ব্যক্তিদের দেশ থেকে অপসারণের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

তবে ঠিক কোন কোন দেশকে তিনি ‘তৃতীয় বিশ্ব’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন, কিংবা ‘স্থায়ীভাবে স্থগিত’ মানে নীতিগতভাবে কী পরিবর্তন আসছে—এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখা দেননি ট্রাম্প।

তিনি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের জন্য সব ধরনের ফেডারেল সুবিধা ও ভর্তুকি বন্ধ করা হবে। একই সঙ্গে এমন অভিবাসীদের নাগরিকত্বের প্রক্রিয়া থামানো হবে, যাদেরকে তিনি ‘অভ্যন্তরীণ শান্তির জন্য হুমকি’ হিসেবে দেখছেন। নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বা ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’—এমন বিদেশিদের বহিষ্কারের পরিকল্পনার কথাও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।

হোয়াইট হাউসের সামনে গুলিতে আহত হয়ে ন্যাশনাল গার্ডের এক সদস্য মারা যাওয়ার ঘটনায় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। ওই হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ২৯ বছর বয়সী আফগান নাগরিক রহমানউল্লাহ লাকানওয়াল ২০২১ সালে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।

এদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন বাইডেন আমলে অনুমোদন পাওয়া আশ্রয় মামলা এবং ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এবার ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা

Published

on

By

দখলদার ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির খাতাম আল-আনবিয়া সশস্ত্র বাহিনীর হেডকোয়ার্টারের এক মুখপাত্র বলেছেন, নতুন হামলায় ইসরায়েলের জ্বালানি অবকাঠামোকে টার্গেট করা হয়েছে।

তারা বলেছে, ইসরায়েলের হাইফা শহরে থাকা তেল ও গ্যাস শোধনাগার এবং মজুদ ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। এছাড়া বাণিজ্যিক রাজধানী তেলআবিবের কাছের একটি স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন সেন্টারও ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর ৩৩তম দফায় এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। তারা বলেছে, ইরানের তেল ডিপোতে হামলার জবাব হিসেবে এ পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে

Continue Reading

top1

যুদ্ধ কৌশলে ভয়াবহ পরিবর্তন, ১ হাজার কেজির মিসাইল ছুড়ছে ইরান

Published

on

By

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১১তম দিনে রণকৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। গত রোববার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে ইরান শুধু সেসব মিসাইল ব্যবহার করবে, যেগুলোর পেলোড বা গোলাবারুদ বহন ক্ষমতা ১ হাজার কেজি বা তার বেশি।

এই ঘোষণা যুদ্ধের ময়দানে সংখ্যা কমানোর পরিবর্তে ‘বিধ্বংসী ক্ষমতা’ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

যুদ্ধের শুরুতে ইরানের কৌশল ছিল শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের মতো সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত্রুশিবিরের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখা। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ বা একসঙ্গে প্রচুর ড্রোন ও মিসাইল ছুড়ে ইসরায়েল ও আমেরিকার দামি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল খরচ করিয়ে ফেলা। তবে এখন ইরান সরাসরি খোররামশাহর-৪ বা খাইবারের মতো ভারী ব্যালিস্টিক মিসাইলের ওপর জোর দিচ্ছে, যা ড্রোনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।

জেনারেল মুসাভি জানান, এই মিসাইলগুলো ম্যাক-৮-এর বেশি গতিতে চলতে পারে এবং এর গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রয়েছে, যা ইসরায়েলের ‘অ্যারো-৩’-এর মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারবে। একটি এক টনের মিসাইল যদি লক্ষ্যভেদে সফল হয়, তবে তা একটি বিমানঘাঁটি বা ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টার অচল করে দেওয়ার মতো সক্ষমতা রাখে।

লেবানিজ সংবাদমাধ্যম ‘আল মায়াদিন’-এর বরাতে জানা গেছে, দুবাই বিমানবন্দর এবং সৌদি আরবের রাস তানুরাজ তৈল শোধনাগারের মতো আঞ্চলিক অবকাঠামো এখন ইরানের প্রধান লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।

বর্তমানে ইরানের অস্ত্রাগারে ১ হাজার ৮০০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম খোররামশাহর মিসাইল রয়েছে, যা ২ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এছাড়া সলিড ফুয়েলচালিত মাঝারি পাল্লার সেজিল মিসাইল এবং ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সুমার ক্রুজ মিসাইলও ইরানের হাতে রয়েছে। সুমার মিসাইল পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম বলে ধারণা করা হয়।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক শানাকা আনসেলম পেরেরার মতে, ইরান এখন যুদ্ধের ‘ইন্টারসেপ্ট ম্যাথ’ বা গাণিতিক সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। আগে একটি ড্রোন ধ্বংস করতে ৪ মিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়েট মিসাইল ব্যয় করাটা ছিল অর্থনৈতিক চাপ, কিন্তু এখন ভারী মিসাইল ঠেকাতে ইন্টারসেপ্টর মিসাইল মিস হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এতে আকাশ প্রতিরক্ষাকারীদের দ্রুত ইন্টারসেপ্টর মজুত শূন্য হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র জবাবে তেহরানের এই ‘হেভি পেলোড’ নীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

Continue Reading

top3

ইরানে খাবার ও ওষুধ পাঠাচ্ছে আজারবাইজান

Published

on

By

মানবিক সহায়তা হিসেবে ইরানে খাবার ও ওষুধ পাঠাচ্ছে আজারবাইজান। আজারবাইজান বলছে, ‘এই উদ্যোগকে শুধু সহায়তা নয়, শান্তির বার্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে।’

(রোববার, ৮ মার্চ) আজারবাইজানের ইমারজেন্সি সিচুয়েশন মন্ত্রণালয় জানায়, আজারবাইজান ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে টেলিফোন আলাপের পর হাজারো টন খাদ্য ও ওষুধ ইরানে পাঠানো হয়েছে।

ইরান থেকে আজারবাইজান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগের কয়েক দিন পরই এই পদক্ষেপ নেয় আজারবাইজান। যদিও ইরান জানিয়েছে, তারা আজারবাইজান লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালায়নি।

সূত্র: আল–জাজিরা।

Continue Reading

Trending