Connect with us

আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুকে তার কাজের শাস্তি পেতেই হবে- কাতার

ছবি: সংগৃহীত

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দোহায় চালানো হামলার পর ইসরায়েলকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে যে অপরাধ করেছেন, তার জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

সম্প্রতি দোহায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনাকে নেতানিয়াহু ‘ব্যর্থ অভিযান নয়, বরং কাতারের জন্য একটি বার্তা’ বলে উল্লেখ করেন।

এর জবাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, “নেতানিয়াহু সব সময় তার নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য নানা অজুহাত দেন। আমরা তাকে একটা স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই-আন্তর্জাতিক আইন ভাঙলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখন কতটা বাস্তবসম্মত, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যেখানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মধ্যস্থতাকারী দেশের ওপরই বোমা ফেলছেন এবং আলোচনার টেবিলে বসা মানুষগুলোকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন, সেখানে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন।”

মুখপাত্র আরও জানান, এই মুহূতে কাতারের প্রধান লক্ষ্য নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, ইসরায়েলি হামলার সমুচিত জবাব দেওয়া এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনা। অন্য যেকোনো রাজনৈতিক বিষয় এখন আমাদের কাছে কম গুরুত্বপূর্ণ।”

উল্লেখ্য, কাতার দীর্ঘদিন ধরে মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গাজায় যুদ্ধ থামানোর জন্য মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা শেষ হয়েছে। এরপরই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।

রোববার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তেহরান এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর এখন কারিগরি কমিটি বিষয়টি যাচাই করছে। এ পর্যায়ে উভয় পক্ষ লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, কারগরি দল এখন বিস্তারিত প্রভাব ও ‘বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া’ নিয়ে পর্যালোচনা করছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, কিছু বিষয়ে এখনও মতপার্থক্য রয়েছে। তবে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মধ্যস্থতা করছে। এ প্রক্রিয়ায় বর্তমানে কারিগরি, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইরানের পরমাণু ইস্যুতে কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরানের কাছ থেকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ‘স্পষ্ট ও ইতিবাচক অঙ্গীকার’ প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স নির্দিষ্টভাবে কোন শর্ত ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবি হলো ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা না করে এবং সে সক্ষমতা অর্জনের পথেও না এগোয়।

ভ্যান্স বলেন, আমাদের মূল প্রয়োজন হলো তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং এমন কোনো সক্ষমতাও গড়ে না তোলার বিষয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। এর ফলে তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ থাকবে না।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে এই নিশ্চয়তা অর্জন করা। সে উদ্দেশ্যেই আলোচনায় অংশ নেওয়া হয়েছে। ভ্যান্স দাবি করেন, ইরানের পূর্ববর্তী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে সত্যিকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখাবে কি না।

তিনি বলেন, এটা শুধু এখন বা দুই বছর পরের বিষয় নয়; আমরা দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি চাই। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা সেই নিশ্চয়তা পাইনি। আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে তা পাওয়া যাবে।

Continue Reading

top1

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা শুরু

Published

on

By

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা আলজাজিরা শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় এ তথ্য জানায়।

ইসলামাবাদের এ আলোচনা নিয়ে নানা শঙ্কা থাকলেও নির্ধারিত সময়েই দুই দেশ বৈঠকে বসেছে। পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে তৃদেশীয় আলোচনা হচ্ছে। তবে ইরানি আর মার্কিনিরা সরাসরি কথা বলছে কি না সেটি এখনও স্পষ্ট নয়।

যদি তারা সরাসরি কথা বলে থাকেন তাহলে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এটাই হবে প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের সরাসরি আলোচনা।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। এরপর তাদের মধ্যে আলোচনার চেষ্টা শুরু করে পাকিস্তান। তারই ফলশ্রুতিতে আজ বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শুরু হয়েছে

Continue Reading

top1

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়

Published

on

By

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

উভয় পক্ষ যে প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

তেহরান জোর দিয়ে বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয় – তেহরান জোর দিয়ে বলছে যে এটি এর অংশ।

ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের সম্পদ থেকে অবরোধ তুলে নেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য শিথিলতার বিষয়ে আগ্রহী, তবে তা কেবল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিনিময়েই।

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা ট্রানজিট ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায়, এই প্রণালিটি তেল ট্যাঙ্কার এবং অন্যান্য জাহাজের জন্য কোনো রকম সীমাবদ্ধতা ছাড়াই খুলে দেওয়া হোক, যার মধ্যে জাহাজ চলাচলের ওপর টোলও অন্তর্ভুক্ত।

ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের সময় হওয়া সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ দাবি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হোক। তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

ইরান চায় এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীর প্রত্যাহার, সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি এবং অনাক্রমণ নীতির প্রতি অঙ্গীকার। ট্রাম্প একটি শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরান শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে লড়াই ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending