Connect with us

top1

নেতানিয়াহু কি বেঁচে আছেন? ভিডিও ঘিরে বাড়ছে রহস্য

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কি বেঁচে আছেন—এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুঙ্গে। সম্প্রতি তাঁর বেশ কিছু ভিডিও নিয়ে ‘ভুয়া’ বা কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার অভিযোগ ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ না থাকলেও জনসমক্ষে দীর্ঘ অনুপস্থিতি এই সন্দেহকে আরও জোরালো করছে।

ভিডিওতে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির সন্দেহ

সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওর কারিগরি মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। একটি ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতে ছয়টি আঙুল দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্য একটি ভিডিওতে তাঁর হাতের আংটি বারবার অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও অনেকের নজরে এসেছে। সমালোচকদের মতে, এগুলো ‘ডিপফেক’ বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

গত রোববার নেতানিয়াহুর ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়, যেখানে তাঁকে কফির কাপ হাতে দেখা যায়। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক টুল ‘গ্রক’ (Grok) ওই ভিডিওটিকে কৃত্রিম বলে চিহ্নিত করেছে বলে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে।

পরিবারের অস্বাভাবিক নীরবতা

সন্দেহ আরও বেড়েছে নেতানিয়াহুর ছেলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড নিয়ে। আগে নিয়মিত পোস্ট করলেও গত ৯ মার্চের পর থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোনো নতুন কার্যক্রম দেখা যায়নি। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের এই অস্বাভাবিক নীরবতা নেটিজেনদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা

এখন পর্যন্ত ইসরায়েল সরকার কিংবা কোনো আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেক বিশ্লেষকের মতে, নিরাপত্তাজনিত কারণে বা গুরুতর অসুস্থতার ফলে তিনি হয়তো বর্তমানে আড়ালে রয়েছেন। তবে সরকারি কোনো স্পষ্ট বার্তা না আসায় এই রহস্যজনক পরিস্থিতি কাটছে না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যোগ্যদের সরিয়ে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় লোক বসানো হয়েছে : জামায়াত

Published

on

By

সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ ও দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারদলীয় ব্যক্তিদের পদায়ন করেছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, যোগ্য ব্যক্তিদের সরিয়ে দলীয় লোকদের বসানো হচ্ছে, যা জনগণের মতামত ও জুলাইয়ের স্পিরিটের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।

আব্দুল হালিম বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদে অন্যায়ভাবে প্রশাসক নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, আমরা এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আমরা মনে করি যে এটা গণতান্ত্রিক রীতিকে অমান্য করে সরকার এই কাজটা করেছে।’

আব্দুল হালিম জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় তাঁদের মনে হয়েছিল, যে খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল যে স্থানীয় নির্বাচন স্বাভাবিকভাবে হবে। কিন্তু সরকার স্থানীয় নির্বাচনের দিকে না গিয়ে ২২ তারিখে ছয়টি এবং ১৪ তারিখে পাঁচটিতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।

এই প্রশাসক কারা—প্রশ্ন রেখে জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি বলেন, ‘যারা তাদের (সরকার) দলীয় নেতা। যারা নির্বাচনে হেরেছেন। যেমন শফিকুল ইসলাম মিল্টন তিনি ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনে হেরেছেন, তাঁকে প্রশাসক নিয়োগ করা হলো। এরপর খুলনায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু, উনিও নির্বাচনে হেরেছেন। আমরা ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথা বলছি না। আমাদের কথা হচ্ছে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর সরকার আঘাত করেছে।’

গতকাল সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে উল্লেখ করে আব্দুল হালিম বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাচাই-বাছাই করে যোগ্য লোকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। সময়ের পরিবর্তনে এসব পদে পরিবর্তন হবে, এ ক্ষেত্রে আমাদের ভিন্নমত নাই। কিন্তু পদত্যাগ করিয়ে দলীয় লোকদের বসাতে হবে কেন?’

যিনি গত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ক্যাম্পেইনিং করেছেন, পোস্টার করেছেন, দলীয় নেতাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন—তাঁকেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘মেধার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ হবে এটা আমরা চাই। যারা দলের প্রতিনিধিত্ব করেছে, যারা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রচারও করেছে, এ সমস্ত লোকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের এই সম্মানিত আসনে বসিয়ে সরকার জুলাই স্পিরিটের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

Continue Reading

top1

চীনের উপহার হাইজ্যাক করে বাপের নাম বসানো হয়েছিল: জামায়াত আমির

Published

on

By

চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদীর্ঘ ৫০ বছরের। ১৯৭৬ সালে চীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং তখন থেকে শুরু করে চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার। চীনের অংশীদারত্বে বাংলাদেশে অনেক বড় বড় নিদর্শন গড়ে উঠেছে- এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে স্থানীয় দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের (বাংলাদেশ ও চীন) এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল। একটা দেশ ভালোবাসার জায়গা থেকে আমাদেরকে উপহার দিয়েছে, আর তাদের নাম-নিশানাই মিটিয়ে দেওয়া হলো!’

তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের কান্না-উত্তরাঞ্চলের কান্না উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা এই কান্নার অবসান চাই। অতীতে এটা (তিস্তা প্রকল্প) কেন বাস্তবায়ন হয় নাই, এটা সবাই বোঝে। শিশুও বোঝে। আমরা ওই লিগ্যাসি আর বহন করতে চাই না। আমরা এই অপসংস্কৃতি থেকে বের হয়ে জানিয়ে দিতে চাই, আমরাও স্বাধীন দেশের নাগরিক, আমাদের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি আছে।’

আমরা সারা দুনিয়ার সভ্য সমস্ত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করতে চাই জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিন্তু একটা কথা খুবই পরিষ্কার, আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। অতীতে নেওয়া হয়েছে, এই বোঝা আমরা ফেলে দিয়েছি। এই বোঝা জাতি আর নিজের ঘাড়ে উঠাবে না। আমাদের যুবসমাজ একদম এটা সহ্য করবে না। তারা বুক উঁচু করে বাঁচতে চায়। বিশ্বের বুকে পরিচয় দিতে চায়, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করবো, আমাদের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্র এভাবে এগিয়ে আসবে এবং যার যার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করবে কে আমাদের সত্যিকারের বন্ধু

Continue Reading

top1

চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা

Published

on

By

দীর্ঘ ১৯ বছর পর অবশেষে চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা। ২০০৭ সালে ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল হওয়া পুলিশ সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত ১২৩ সার্জেন্ট এবং ২০৭ সাব-ইন্সপেক্টরের (নিরস্ত্র) নিয়োগ ২০০৭ সালে বাতিল করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর সেই আদেশ প্রত্যাহার করে নির্বাচিতদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্টরা নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২০০৭ সালে নিয়োগ বাতিল না হলে যে তারিখে তারা স্বাভাবিকভাবে চাকরিতে যোগদান করতেন, সে তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা (সিনিয়রিটি) নির্ধারণ করা হবে।

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ছয় মাস এবং শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিধি-বিধান অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

Trending