Connect with us

ক্যাম্পাস

শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ববিতে তথ্যমন্ত্রী

Published

on

মাফিদুল হাসান, ববি

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আজ ১০ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি সমাপনী উপলক্ষে ক্যাম্পাস এবং এর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে মোট দুই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, যুবদল ও ছাত্রদলের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “বৃক্ষরোপণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দীর্ঘ বছর ধরে দেশ ও মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় এই আয়োজন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশকে সবুজায়নের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের এই ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন এবং এর মাধ্যমেই মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

টানা বর্ষণে মনপুরার ১০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

Published

on

By

টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে থাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে উপকূলজুড়ে বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চলসহ বসতবাড়ি, রাস্তা ও আঙিনা পানিতে ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় ঘরের ভেতরেও দুই থেকে তিন ফুট পানি উঠেছে। ফলে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না পানিবন্দি পরিবারগুলো।

জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। কাজের সন্ধানে বের হতে না পারায় অনেক পরিবার খাদ্যসংকটে পড়েছে। পানিতে চুলা ডুবে যাওয়ায় বহু ঘরে রান্না বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন, দাসেরহাট, সোনারচর ও চরজ্ঞান; সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া ও মাস্টারহাট; দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর এবং মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক ও আন্দিরপাড় গ্রামের অধিকাংশ এলাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছে। হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দাসেরহাট এলাকা সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ওই এলাকার বাসিন্দা মফিজ মিস্ত্রি বলেন, ‘বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে রয়েছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কেউ এখনো খোঁজ নেয়নি।’

এদিকে ভোররাতের জোয়ারে উপজেলার বেড়িবাঁধহীন চর কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর ও ঢালচরের নিম্নাঞ্চল দুই থেকে তিন ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষ আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, মেঘনা নদীতে ভাটার সময় বিপৎসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বিকেলের জোয়ারে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, মনপুরা উপকূলে জলাবদ্ধতা কমাতে খাল খননের একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দ্রুত পানি নিষ্কাশন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পানিবন্দি এলাকার বাসিন্দারা।

Continue Reading

top3

চবিতে শিক্ষার্থীকে হুমকি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

Published

on

By

চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধর, ছাত্রত্ব বাতিল, প্রাণনাশের হুমকি এবং জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য ধারণের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মুসাদ্দিকুজ্জামান আল-মামুনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. রায়হান।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী বলেন, কয়েক দিন আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে একটি পাল্টাপাল্টি ঝামেলা সৃষ্টি হয়। অনেক দিন পার হয়ে গেলেও সে ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদল নেতা মামুন দলবল নিয়ে আমাকে ব্রিক ফিল্ড এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ফোন কেড়ে নিয়ে মারধর, ছাত্রত্ব বাতিল, বহিষ্কার ও মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকি দেয়। এ নিয়ে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করে।

ভুক্তভোগী মো. রায়হান বলেন, সেখানে তারা বেআইনিভাবে আমার মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেয় এবং আমাকে আঘাত করে। শুধু তাই নয়, তারা আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রত্ব বাতিল ও বহিষ্কারের ভয় দেখায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তারা আমাকে বাধ্য করে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য রেকর্ড করে নেয়। এ ঘটনার পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মুসাদ্দিকুজ্জামান আল-মামুন বলেন, কয়েক দিন আগে জিরো পয়েন্টে আমার সঙ্গে একধরনের মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। আজকে আমরা কয়েকজন বন্ধু স্লুইস গেটের দিকে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে রায়হানের সঙ্গে দেখা হয়। তাকে শুধু জিজ্ঞেস করেছি, কেন ওই ঘটনায় জড়িয়েছিল এবং সে তো জানত আমি তার সিনিয়র। তখন তার সঙ্গে একজন মেয়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে সংক্ষিপ্ত সময় কথা বলার পর আমরা তাকে চলে যেতে বলি।

হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তাকে কোনো ধরনের হুমকি বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়নি, মারধরও করা হয়নি। আমি একাই তার সঙ্গে কথা বলেছি। আমার সঙ্গে থাকা অন্যরা উপস্থিত ছিল না তখন।

ভিডিও বক্তব্য নেওয়ার অভিযোগও নাকচ করে ছাত্রদল নেতা বলেন, তার কাছ থেকে কোনো ভিডিও স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়নি। ছোট একটি ঘটনাকে বড় করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাকে ব্রিক ফিল্ড এলাকায়ও নেওয়া হয়নি।

মুসাদ্দিকুজ্জামান আল-মামুন বলেন, আমার নামে যেহেতু অভিযোগ তুলে একটি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাই আমার পক্ষ থেকেও বক্তব্য দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেছি।

শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, আমিও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। এ ঘটনায় এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল। তখনও আমরা বলেছিলাম, ছাত্রদল কখনো অন্যায় সহ্য করে না। একই সঙ্গে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও ছিল। আসলে যদি কেউ কোনো অন্যায় করে থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। আর ভুক্তভোগী যদি আমাদের কাছে অভিযোগ দেয়, তাহলে আমরাও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. কামরুল হোসেন বলেন, আমি বিকেল পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। তখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ দিয়ে থাকলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে ডেকে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ব্রাজিল-জাপান ফুটবল ম্যাচ দেখা নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মুসাদ্দিকুজ্জামান আল-মামুন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

জুলাই শহিদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ইবি ছাত্রশক্তি’র পথচলা শুরু

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার সর্বকনিষ্ঠ জুলাই শহিদ আব্দুল্লাহ আল মুস্তাকিনের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি’র ছাত্র সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকালে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে এই কবর জিয়ারত ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করে সংগঠনটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন— শহিদ মুস্তাকিনের বাবা, শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম, মুখ্য সংগঠক যায়েদ বিন ওসমান ও সংগঠনটির অন্যান্য কর্মীরা।

এই ভূখণ্ডের জন্য আত্মত্যাগকারী প্রতিটি শহিদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে ইবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় নেতাকর্মীদের।

দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সংগঠনটির সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম বলেন, আজ জুলাইয়ের শহিদদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে জাতীয় ছাত্রশক্তি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যক্রমের সূচনা করেছি। শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে শুধু একটি স্মৃতি নয়; এটি আমাদের অঙ্গীকার। আমরা তাঁদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ভুলব না, ভুলতেও দেব না। সেই চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গঠন এবং বৈষম্যহীন শিক্ষাঙ্গন বিনির্মাণে আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।

সংগঠিনটির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফুয়াদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সহ প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের শহিদদের অবদান, স্পিরিটকে আমরা মনেপ্রাণে লালন করি। শহিদরা যে মহতি উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছে, আমরা সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাব। গণরুম, গেস্টরুম মুক্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার জন্যই মূলত শহিদদের আত্মত্যাগ। সেই চেতনা লালন করে আমরা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (৫ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইবিতে প্রথমবারের মতো আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক হিসেবে ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব হিসেবে ইফতেহার উদ্দিন মো. তামিম ও মুখ্য সংগঠক হিসেবে যায়েদ বিন ওসমান দায়িত্ব পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending