Connect with us

top2

বাংলাদেশের কোনো পদক্ষেপই ভারতের বিরুদ্ধে নয় : জেনারেল দ্বিবেদী

Published

on

ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনও ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি এড়াতে’ দুই দেশের সেনাবাহিনীর মাঝে বিভিন্ন চ্যানেলে যোগাযোগ চালু রয়েছে।

মঙ্গলবার দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলতি বছরের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই মন্তব্য করেছেন জেনারেল দ্বিবেদী। সংবাদ সম্মেলনে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভারতের এই সেনাপ্রধান বলেন, ‘ঢাকায় কী ধরনের সরকার রয়েছে; তার ওপর ভারতের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নির্ভর করবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমাদের বোঝা জরুরি, বাংলাদেশে কী ধরনের সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। যদি তা অন্তর্বর্তী সরকার হয়, তাহলে দেখতে হবে তারা যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে, সেগুলো আগামী ৪-৫ বছরের জন্য নাকি শুধু পরবর্তী ৪-৫ মাসের জন্য। সেই অনুযায়ী আমাদের তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন আছে কি না, তা বিচার করতে হবে।’

ভারতের তিন বাহিনীই বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ বজায় রাখছে বলেও জানিয়েছে জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত, আজকের দিনে তিন বাহিনীই তাদের যোগাযোগ চ্যানেল পুরোপুরি খোলা রেখেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাধিক যোগাযোগ চ্যানেল সক্রিয় আছে এবং আমি বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। একইভাবে অন্যান্য চ্যানেলের মাধ্যমেও আমরা যোগাযোগে আছি।

ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরা একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পাঠিয়েছিলাম, যারা মাঠপর্যায়ে সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। একইভাবে নৌবাহিনী প্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধানও কথা বলেছেন। এ ধরনের যোগাযোগের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে তিনি বলেন, উদ্দেশ্য একটাই—যাতে কোনও ভুল যোগাযোগ কিংবা ভুল বোঝাবুঝি না হয়।’

বাংলাদেশের তিন বাহিনী ভারতের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আজকের তারিখ পর্যন্ত যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটিই ভারতের বিরুদ্ধে নয়।’

সামরিক আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘সক্ষমতা উন্নয়ন সব দেশের জন্যই একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ভারত এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, সক্ষমতা উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ভারত যেমন এটি করছে, অন্য দেশগুলোও করছে। আমাদের প্রস্তুতির দিক থেকে আমরা সেখানে (বাংলাদেশে) পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত বেনজীর, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মুক্তির পর তিনি ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত তার দুবাই ত্যাগের অনুমতি নেই এবং পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

তবে বেনজীর আহমেদের মুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা জানায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথি এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় ওই অভিযান পরিচালিত হয়। গত ১২ জুন এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দুদক। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক ছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সেই তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে তদন্ত শুরু করে দুদক। অভিযোগ ওঠার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

Continue Reading

top2

নদীর পানি কমতেই দৃশ্যমান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি যুদ্ধজাহাজ

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক রিপোর্ট

ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ড্যানিউবের পানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সার্বিয়ার প্রাহোভো অঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডুবিয়ে রাখা নাৎসি জার্মানির একাধিক যুদ্ধজাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবারও দৃশ্যমান হয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়া ও তাপপ্রবাহের কারণে নদীর পানির স্তর নেমে যাওয়ায় ইতিহাসের এই নিদর্শনগুলো নতুন করে নজরে এসেছে। এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ড্যানিউব নদীর পানি কমলে এসব ডুবে থাকা যুদ্ধজাহাজের কিছু অংশ দেখা যায়। ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জাহাজগুলোও পর্যায়ক্রমে উদ্ধারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আকারে বড় কয়েকটি জাহাজ নদীতলেই আরও গভীরে চাপা দিয়ে রাখা হবে, যাতে নৌযান চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডুবুরি দল, বালু ও পলি অপসারণের জন্য আধুনিক পাম্প এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে।

এসব যুদ্ধজাহাজের ইতিহাস জড়িয়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ের সঙ্গে। ১৯৪৪ সালের শরৎকালে সোভিয়েত রেড আর্মির অগ্রযাত্রার মুখে জার্মান বাহিনী স্থল ও নৌপথে পিছু হটতে শুরু করে। সে সময় অ্যাডলফ হিটলারের নির্দেশ ছিল, ব্যবহারযোগ্য কোনো সামরিক সরঞ্জাম যেন শত্রুপক্ষের হাতে না পড়ে। সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে ড্যানিউব নদীতে অবস্থানরত জার্মান নৌবাহিনীর সদস্যরা নিজেদের যুদ্ধজাহাজ নিজেরাই ডুবিয়ে দেন।

বহু বছর পর নদীর পানি কমে যাওয়ায় সেই ডুবে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোর ধ্বংসাবশেষ আবারও দৃশ্যমান হয়েছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হিসেবে নতুন করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

Continue Reading

top2

বাগেরহাটে সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

Published

on

By

বাগেরহাট সংবাদদাতা

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে আতিয়ার রহমান (৪০) নামে এক নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নয়ন নামে আরও এক শ্রমিক আহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুলিশাখালী বাজারসংলগ্ন গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আতিয়ার রহমান যশোর জেলার আগরাইল গ্রামের বদরুল আলমের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান।

স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়ালের কাজ চলাকালে হঠাৎ সেটি ধসে পড়ে। এতে সেখানে কর্মরত আতিয়ার রহমান ও নয়ন দেয়ালের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

প্রায় এক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযান শেষে আতিয়ার রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত নয়নকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের টিম লিডার মো. গোলাম ফারুক জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। তবে টানা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত মানুষের ভিড়ের কারণে উদ্ধার অভিযান কিছুটা ব্যাহত হয়।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading

Trending