Connect with us

top3

বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অনেকেই

Published

on

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি খালের দখল ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার খুঁটিকাটা-কাঠালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন- আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলাম (৩৩), বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন (৬০), বিএনপি কর্মী কবির হোসেন (২৬), জামায়াত-শিবির কর্মী আব্দুল্লাহ মামুন সাদ (৩২), আরাফাত হোসেন (২৭), আক্তার হোসেন (২৬), নাজমা খাতুন (২২), মোমিন মোড়ল (৬৫) ও লায়লা বেগম (৬৫)।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, খালটি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ওই খালে মাছ ধরতে গেলে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে জামায়াত নেতা শাহিন হোসেনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক কর্মী খালে জাল ফেলে মাছ ধরতে শুরু করেন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলামের অনুসারীরা বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা বার্তা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জিয়া পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শাখা সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

যৌথ বিবৃতি সূত্রে জানা যায় হয়, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় ঢাকার রমনা রেস্তোরায় জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা প্রদান করেন। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির স্থলে স্বাধীনচেতা মনোভাব, ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস, ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত জাতি গঠনের বাস্তবমুখী দর্শন এবং শহিদ জিয়ার সততা ও দেশপ্রেম অল্পসময়ে দলটিকে বিপুল জনপ্রিয় করে তোলে।

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার পর নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসক হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। দলের এই দুর্দিনে সদ্য বিধবা বেগম খালেদা জিয়া সিনিয়র নেতৃবৃন্দের অনুরোধে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। অতঃপর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ ০৯ বছরের আপসহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়। ১৯৯১ সালের নজিরবিহীন অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় বার এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীগণ রাজপথে সক্রিয় অবস্থান ধরে রাখেন। দীর্ঘ স্বৈরশাসন, সীমাহীন লুটপাট ও দেশকে ভারতের সেবাদাসে পরিণত করায় ভেতরে ভেতরে ফুঁসতে থাকে মানুষ।

পরিশেষে ২০২৪-এর জুলাই মাসের প্রথম দিকে ছাত্র আন্দোলন দিয়ে শুরু হয়ে শেষদিকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং বিজয় আসে ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার এই বিপ্লবের নেপথ্যে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জননেতা তারেক রহমানের সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় বিএনপি, ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনসমূহের রক্তাক্ত অংশগ্রহণে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে হাসিনার মিথ্যা মামলা প্রকল্পের ভিকটিমরা মুক্তি পান। মুক্তি পান আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু কোটি মানুষকে শোকে ভাসিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ফ্যাসিবাদমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার অবর্তমানে দলের দায়িত্বভার অর্পিত হয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের উপরে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাসন থেকে ফিরে জনগণের অভুতপূর্ব সমর্থন ও ভালবাসায় সিক্ত হন তারেক রহমান। তার যুগোপযোগী নেতৃত্বে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সহযোগীগণ দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।

গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সংগ্রাম, সাফল্য আর আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐতিহ্যের এই দীর্ঘ পথ চলায় জননেতা তারেক রহমানসহ বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও দেশের আপামর জনসাধারণকে জিয়া পরিষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয় সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Continue Reading

top3

সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বেরোবি শিক্ষার্থীদের ‘লুমিনোভা’

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি,

সমাজের একটি বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে স্থানীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টেকসই সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন বেরোবির কয়েকজন শিক্ষার্থী। রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎহীন পরিবারের জন্য বাঁশ ও সৌরশক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে সোলার ল্যাম্প।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘লুমিনোভা’।
‘আমরা নতুন নেটওয়ার্ক’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণদের একটি দল সমাজ ও কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে তারা রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটিতে সার্ভে পরিচালনা করেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো জানার চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা।

সার্ভে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে আসে, কমিউনিটির অনেক পরিবারের এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এসব পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পারছে না। ফলে সন্ধ্যার পর শিশুদের পড়াশোনা, ঘরের কাজসহ বিভিন্ন দৈনন্দিন কার্যক্রমে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

এই সমস্যার সহজ, সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান খুঁজতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় পরিবেশ ও সম্পদ পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে প্রচুর বাঁশের উপস্থিতি এবং সৌরশক্তির সহজলভ্যতা তাঁদের নতুন ধারণার দিকে নিয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে পাওয়া বাঁশ ও সৌরশক্তিকে একত্র করে ল্যাম্প তৈরির পরিকল্পনা থেকেই শুরু হয় ‘লুমিনোভা’ প্রকল্প।

উদ্যোক্তাদের মতে, লুমিনোভার লক্ষ্য শুধু বিদ্যুৎবিহীন পরিবারে একটি ল্যাম্প পৌঁছে দেওয়া নয়। বরং কমিউনিটির মানুষকে সৌর প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং তাদের নিজেরাই ল্যাম্প তৈরির দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট সোলার প্যানেল ব্যবহার করে ল্যাম্প তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে বড় সোলার প্যানেল ও আরও কার্যকর সৌরব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আলোর পাশাপাশি কমিউনিটির মানুষের প্রযুক্তিগত দক্ষতা তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা আয় ও স্বাবলম্বিতার সুযোগও তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, “লুমিনোভা আমাদের কাছে শুধু একটি সোলার ল্যাম্প নয়। এটি একটি সমস্যা থেকে সমাধানে, অন্ধকার থেকে আলোর পথে এবং নির্ভরশীলতা থেকে স্বাবলম্বিতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি প্রচেষ্টা।”
তাঁদের ভাষ্য, স্থানীয় সম্পদ বাঁশ এবং পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে এমন একটি সমাধান তৈরি করাই তাঁদের লক্ষ্য, যা সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।
তারা আরও জানান, একটি ল্যাম্প দিয়ে শুধু একটি ঘর আলোকিত করা নয়, বরং আলো, জ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি কমিউনিটির সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়াই ‘লুমিনোভা’র মূল উদ্দেশ্য।

‘লুমিনোভা’ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন— মাসুম রেজা ও বিশাখা সাহা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), সাইয়্যেদা তাসমিম (পরিসংখ্যান), আহানা রয় (সমাজবিজ্ঞান), সাদিয়া সুলতানা (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মিতানুর মুক্তা (জিডিএস), আনসারী জিহাদ (অর্থনীতি) এবং মাহির ফয়সাল (প্রাণিবিদ্যা, কারমাইকেল কলেজ)।

Continue Reading

top3

মাদকের বিরুদ্ধে বেরোবির ‘জিরো টলারেন্স’, কারবারিদের ধরিয়ে দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।ক্যাম্পাসের ভেতরে বহিরাগতের মাদক সেবন ও বিক্রি এবং তাদের সাথে গুটিকয়েক শিক্ষার্থী জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর এই কঠোর অবস্থান নিয়ে মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে প্রক্টর প্রফেসর ফেরদৌস রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

সরজমিনে দেখা যায়, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকের পিছনে , কেন্দ্রীয় ফুটবল খেলার মাঠ এবং নবনির্মিত EEE Annex Building এর সামনে বহিরাগত মাদকসেবনকারীদের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। এসব স্পটে মাদক সেবনের পর ফেলে যাওয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে, যা ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাবিব বলেন, “মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কয়েকদিন আগে রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই নিরাপত্তা হুমকি আমাদের ক্যাম্পাসে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাত দশটার পর প্রতিদিন বহিরাগতদের কয়েকটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে বসে মাদক সেবন করে।যা আমাদের শিক্ষার পরিবেশ এবং নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। “

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিবো। গত দুই বছরে আমরা মাদকের সাথে জড়িত প্রায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং তাদের মধ্য থেকে ৭ জনকে চালান দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোপ্রকার ছাড় দিবে না।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী যদি মাদকের সাথে জড়িত বা মাদক কেনা-বেচার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহযোগিতা করে তাকে ১০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।”

ক্যাম্পাসে মাদকের এই বিস্তার এবং প্রশাসনের উদ্যোগ নিয়ে বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিফাত হোসেন রাফি বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বর্তমানে মাদকসেবনের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এবং ক্যাম্পাসে নিয়মিত তদারকি ও নজরদারি বাড়ানো। একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত পরিবেশই পারে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করতে।

উল্লেখ্য, ইদানীং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে মাদক সেবনের পাশাপাশি বহিরাগতদের অনধিকার প্রবেশ এবং বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Continue Reading

Trending