বিশ্বে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্র হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল। চলতি বছরের মার্চে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, গাজা উপত্যকা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের জন্য পূর্ব আফ্রিকার তিনটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য ওই তিনটি দেশের নাম হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল সুদান, সোমালিয়া এবং সোমালিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডের কথা। গত শুক্রবার ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে।
সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সম্ভাবনা আছে। সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের উপস্থিতি ক্রমশ ঝুঁকি বৃদ্ধি করবে। কারণ, অঞ্চলটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি ছোট সাগরের ওপারে ইয়েমেন। ইয়েমেনের ভূখণ্ডের একটি বড় অংশ হুতিরা নিয়ন্ত্রণ করে। হুতিরা এমন একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী যারা ‘ইসরায়েলের ধ্বংস’ কামনা করে।