Connect with us

রাজনীতি

শিবচরে বিএনপির নির্বাচনি বৈঠকে আ.লীগ নেতারা

Published

on

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাদারীপু-১ শিবচর আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উঠান বৈঠকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের এসব নেতারা বলছেন, তারা সাবেক চিপ হুইপ নুরে আলম চৌধুরী লিটনের নির্দেশে ধানের শীষ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে সমর্থন জানাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের প্রচারকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাদিরা আক্তারের পক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীর প্রকাশ্য উপস্থিতি ও সমর্থন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে শিবচর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ হোসেন খানের বাসভবনে শিবচর পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ সভার সূচনা হয়।

বিএনপির উঠান বৈঠকে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পৌরসভার কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় তারা বলেন, সাবেক হুইপ ও সাবেক সংসদ সদস্য নূর-ই আলম চৌধুরী লিটনের নির্দেশনায় তারা বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করছেন।

একই মঞ্চে বিএনপি প্রার্থীর উপস্থিতি ও বৈঠকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আতাহার বেপারী, শিবচর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াস পাশা, চরজানাজাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন রায়হান সরকার, কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নে মোহসিন উদ্দিন সোহেল, বহেরাতলা উত্তর ইউনিয়নে মো. জাকির হোসেন হায়দার, মাদবরেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলু মুন্সি,বাশকান্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খোকন বায়াতি, কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হাজী আতিকুর মাদবর, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উঠান বৈঠকের সভায় সভাপতিত্ব করেন শিবচর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেমায়েত হোসেন খান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাদিরা আক্তার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তার বলেন, নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে সমাধানে কাজ করব। তিনি ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান । বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ভর্তুকির আওতায় আনা হবে।

সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন খান, সদস্য সচিব সোহেল রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক জহের গোমস্তাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন বাতিল চায় জামায়াত

Published

on

By

‘শেরপুরের স্থগিত আসনে ও বগুড়ার উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট ডাকাতি, ভোটকেন্দ্রে হামলা, দখল, জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে’ রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে—দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে আওয়ামী দুঃশাসন এমনকি বিএনপির আমলে মাগুরার নির্বাচনকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানান। একই সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, উত্তরের সেক্রেটারি ডা. রেজাউল করিম, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ডা. আবদুল মান্নান প্রমুখ।

এছাড়া সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Continue Reading

রাজনীতি

এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

Published

on

By

মিডিয়ায় বক্তব্য পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 

তিনি বলেছেন, এটিই নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিকতা। এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন?

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি একথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আজ (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিং-এ আমি কথা বলতে গিয়ে বলেছিলাম- শেখ হাসিনা যে নীতি অনুসরণ করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল বিএনপিও একই নীতি অনুসরণ করে অগ্রসর হচ্ছে। তা হলে কি তারা প্রমাণ করতে চায় শেখ হাসিনা খারাপ, তার নীতি ভালো?’

‘আজকে কয়েকটি জাতীয় মিডিয়া আমার বক্তব্যের সেন্স পাল্টিয়ে দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে বিএনপিকে ছেড়ে দিয়ে আমাকেই উল্টো ধরেছে। এটিই নির্লজ্জ হলুদ সাংবাদিকতা। এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন?’

Continue Reading

top3

সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বিএনপি কি আওয়ামী লীগের মতো হয়ে উঠছে

Published

on

By

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল-২০২৬ ঘিরে জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বিলটির কড়া সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন, এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার জন্য ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইশতেহারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান থাকলেও নতুন বিলে ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ও ‘জনস্বার্থে অপসারণ’-এর মতো বিধান রাখা হয়েছে, যা সেই প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।

হান্নান মাসউদ প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কি ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে? তিনি বলেন, অস্পষ্ট ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ধারা ব্যবহার করে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতে গৃহীত কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যেতে পারে।

এ সময় নির্বাচন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। তার দাবি, বিভিন্ন এলাকায় ভোট কারচুপি, কেন্দ্র থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং অনিয়মিত ভোটগ্রহণের ঘটনা ঘটছে।

হান্নান মাসউদ সতর্ক করে বলেন, এই বিল পাস হলে স্থানীয় গণতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, এসব অভিযোগের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিলটি পাস না হলে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্বাচন আয়োজন ব্যাহত হতে পারে এবং পুরনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের কারচুপির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংসদে এ বিলকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও বিষয়টি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

Continue Reading

Trending