Connect with us

top3

শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত

Published

on

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

ইসি জানায়, প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটগ্রহণ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে নতুন তপশিল ঘোষণা করা হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শেরপুর-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল। তার মৃত্যুর বিষয়টি জামায়াতের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বাদল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি কিডনি রোগে অনেক দিন থেকেই ভুগছিলেন।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ (মঙ্গলবার) রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

আওয়ামী আমলের অর্থনীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

আওয়ামী লীগ সরকার আমলের বিগত ১৬ বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লাগামহীন লুটপাট এবং ভ্রান্ত নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতগুলোকে অকার্যকর করে দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির প্রতিটি শক্তিশালী সূচককে ধুলিস্যাৎ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ৩০০ বিধিতে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বিবৃতিতে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক দর্শনের ফলে অর্থনীতির মূল সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় ছিল এবং প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকার সেই অর্জনগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে।

তিনি জানান, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.১৭ শতাংশের মতো নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে। অথচ ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে দুর্বৃত্তায়নের কারণে সেই প্রবৃদ্ধির হার কমে ৪.২২ শতাংশে নেমে এসেছে এবং মূল্যস্ফীতি অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে ৯.৭৩ শতাংশ হয়েছে। একইভাবে শিল্প ও কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

দুদকের ‘ত্রুটিপূর্ণ মামলা’ মালয়েশিয়ার পথে কাঁটা

শ্রমবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা ও কর্মসংস্থান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত এক দশকে শিল্প ও সেবা খাতে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় তরুণ সমাজ বাধ্য হয়ে কৃষিতে নিয়োজিত হচ্ছে। এতে কৃষিখাতে ছদ্ম-বেকারত্ব বাড়ছে এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি একে ‘কর্মসৃজনবিহীন প্রবৃদ্ধি’ বা জব-লেস গ্রোথ হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও টাকার মান নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, গত ১৫ বছরে টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল যেখানে ৬৭.২ টাকা, তা বর্তমানে ১২১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই ব্যাপক অবচিতির ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও বাজেট ঘাটতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে কর-জিডিপি অনুপাত না বাড়লেও ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অতিমূল্যায়িত প্রকল্প এবং সঠিক সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই নেওয়া ‘জম্বি’ প্রকল্পগুলোর কারণে বাজেট ঘাটতি এখন জিডিপির ৪.০৫ শতাংশে পৌঁছেছে। ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে এবং ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বর্তমান সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। এই লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও বিনিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সরকার একটি নতুন ‘সামাজিক চুক্তি’র মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়, যেখানে করদাতার অর্থের বিনিময়ে সুশাসন ও উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা থাকবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে জনগুরুত্বহীন ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো বাতিল করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ঋণ ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলার তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০০৫-০৬ সালে সুদ পরিশোধে ব্যয় ছিল মাত্র ৮৫ বিলিয়ন টাকা, যা ২০২৩-২৪ সালে ১৩ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১১৪৭ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অধিক নির্ভরতা বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা বিশেষ করে এসএমই খাতের জন্য ঋণ প্রাপ্তি কঠিন করে তুলেছে, যাকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলা হয়।

২০০৫-০৬ সালে রপ্তানি ও আমদানির প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক থাকলেও ২০২৩-২৪ সালে তা নেতিবাচক ছিল। অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, হুন্ডি এবং অর্থ পাচারের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

Continue Reading

top3

সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বিএনপি কি আওয়ামী লীগের মতো হয়ে উঠছে

Published

on

By

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল-২০২৬ ঘিরে জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বিলটির কড়া সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন, এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার জন্য ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইশতেহারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান থাকলেও নতুন বিলে ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ও ‘জনস্বার্থে অপসারণ’-এর মতো বিধান রাখা হয়েছে, যা সেই প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।

হান্নান মাসউদ প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কি ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে? তিনি বলেন, অস্পষ্ট ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ধারা ব্যবহার করে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতে গৃহীত কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যেতে পারে।

এ সময় নির্বাচন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। তার দাবি, বিভিন্ন এলাকায় ভোট কারচুপি, কেন্দ্র থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং অনিয়মিত ভোটগ্রহণের ঘটনা ঘটছে।

হান্নান মাসউদ সতর্ক করে বলেন, এই বিল পাস হলে স্থানীয় গণতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, এসব অভিযোগের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিলটি পাস না হলে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্বাচন আয়োজন ব্যাহত হতে পারে এবং পুরনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের কারচুপির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংসদে এ বিলকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও বিষয়টি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

Continue Reading

top3

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

Published

on

By

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের রাডার ব্যবস্থার একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় এ হামলা চালানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল-রাজহি।

তিনি বলেন, ‘কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোনগুলো সরাসরি বিমানবন্দরের রাডার সিস্টেমে আঘাত হেনেছে।’

তবে এ ঘটনায় কোনো যাত্রী বা বিমানবন্দরকর্মী আহত হননি বলে জানিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ

Continue Reading

Trending