Connect with us

top3

সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করা হবে: তারেক রহমান

Published

on

সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ অংশটি পঞ্চম সংশোধনীতে বাদ দেওয়া হয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেটি পুনঃস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনাগাঁওয়ে দলের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আগে পর্যন্ত শুরুতে (প্রস্তাবনা) ‘বিসমিল্লাহির-রাহমানির-রাহিম’ (দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে) এবং এর নিচে ‘মহান আল্লাহ্‌র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’-ই যাবতীয় কার্যাবলীর ভিত্তি বলে উল্লেখ করা ছিল। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(১): রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’কে অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। তবে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এটি ছিল না, ১৯৭৯ সালে যোগ করা হয়।

মূলত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে যুক্ত করা হয়।

২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে।

এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়। মূলনীতি থেকে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাদ দেওয়া হয়। এই সংশোধনীতে সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়। সেই সঙ্গে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা গণভোটের বিধান বিলুপ্তি করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নড়াইলে জুলাই যোদ্ধাদের মারতে পুরস্কার ঘোষণা, থানায় অভিযোগ

Published

on

By

নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী এবং আহত ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ হত্যার উদ্দেশ্যে ফেসবুকে দেড় লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সোমবার (৬ জুলাই) রাতে নড়াইল সদর থানায় ১১ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে সক্রিয় ছাত্র ও যোদ্ধাদের ওপর হামলার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পলাতক কিছু নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই প্রলোভন ও হুমকি প্রদান করে। বিষয়টি নজরে আসার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ভুক্তভোগীরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অভিযুক্ত ১১ জন হলেন মো. মিজানুর রহমান নয়ন, সৌরভ কর্মকার, মো. সজিবুল ইসলাম হৃদয়, শাহাদাত হোসেন রায়হান, ইমন শিকদার, মো. মিলন জমাদ্দার, মো. ইস্রাফিল, মো. সজীব চৌধুরী, এস কে আসলাম, মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস এবং মো. জুবায়ের শেখ।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, জুলাই মাস আসায় আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্তরা এ ধরনের উসকানিমূলক হুমকি দিচ্ছে। কিছুদিন আগেও তার ওপর হামলার গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এবং ন্যায়বিচার না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, অভিযোগে উল্লিখিত অধিকাংশ ব্যক্তিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না এবং অভিযোগকারীর সাথেও তার কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ নেই। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, অভিযোগের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। তিনি আইনকে শ্রদ্ধা করেন এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের উসকানিমূলক প্রচারণার ঘটনায় নড়াইলের সাধারণ ছাত্র ও নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশি তদন্তে প্রকৃত সত্য কতটা বেরিয়ে আসে।

Continue Reading

top3

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা

Published

on

By

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আত্মসমর্পণ এবং জামিন আবেদন করতে পারেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আরও বলেন, আইনগতভাবে তার ফেরার পথে কোনো বাধা নেই। তিনি দেশে ফিরে আমাদের প্রচলিত সিআরপিসি বা ফৌজদারি কার্যবিধির নিয়ম মেনেই আত্মসমর্পণ ও জামিনের আবেদন করতে পারেন। প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়াই তিনি অনুসরণ করবেন।

বিরোধী দলের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের গুঞ্জন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সংস্কৃতি রয়েছে। যদি বিরোধী দল এটি গঠন করে, তবে তা অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো বিষয়। ছায়া মন্ত্রিসভার মাধ্যমে যদি তারা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক পরিকল্পনা তুলে ধরে এবং বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দিয়ে ইতিবাচক মতামত প্রদান করে, তবে সেটি অবশ্যই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।

তার এই মন্তব্য বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনার আইনি অবস্থান এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে তার এমন বিশ্লেষণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন

Continue Reading

top3

সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো চীন

Published

on

By

প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে একটি পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে সফলভাবে নতুন একটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে চীন। এই সামরিক পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগেই বেইজিং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে তাদের এই পূর্বপরিকল্পিত অভিযানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছিল।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির দেওয়া বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে যে বেইজিংয়ের একটি কৌশলগত পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে একটি ডামি বা নকল যুদ্ধাস্ত্রসহ কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নিক্ষেপ করা হয়। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা বেজে ১ মিনিটে চালানো এই অভিযানে ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক জলসীমায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম পরীক্ষার পর এটি বেইজিংয়ের দ্বিতীয় কোনো কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের বড় পরীক্ষা। এর আগে ১৯৮০ সালের পর চীন আর কখনো মহাসাগরের এই অংশে এমন কোনো পরীক্ষা চালায়নি।

চীন সরকার অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং জাপানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে যে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পরমাণু বহনে সক্ষম একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আসন্ন উৎক্ষেপণের বিষয়ে আঞ্চলিক সরকারগুলোকে আগেই বার্তা পাঠানো হয়েছিল।

সিনহুয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি মূলত চীনা সামরিক বাহিনীর একটি নিয়মিত বার্ষিক প্রশিক্ষণ অনুশীলনের অংশ, যার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। এই পরীক্ষাটি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক রীতিনীতি মেনে পরিচালনা করা হয়েছে এবং এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি বলে বেইজিং দাবি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা স্টারবোর্ড কিছু কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা গেছে যে চীন বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাদের দুটি স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং বা উপগ্রহ নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করে রেখেছে। এই বিশেষ জাহাজগুলো মূলত পরীক্ষামূলক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের গতিবিধি ও তথ্য পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জাপানের কিয়োডো নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে টোকিওকেও এই পরীক্ষার বিষয়ে আগে থেকে জানানো হয়েছিল। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিকল্পনাটি পুনর্মূল্যায়ন বা পুনর্বিবেচনা করার জন্য বেইজিংয়ের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি জাপানি প্রশাসন এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading

Trending