Connect with us

জাতীয়

৩ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, অপসারণ দাবি ৮ দলের

Published

on

অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল। তারা তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি করেন। তবে কোনো উপদেষ্টার নাম উল্লেখ করেনি দলগুলো। এসব উপদেষ্টার নাম প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো হবে বলে দলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সকালে মগবাজার আলফালাহ মিলনায়তনে আট দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

তিনি বলেন, ‘সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার সহযোগিতায় একটি বিশেষ দলের স্বার্থে প্রশাসনকে দলীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কমপক্ষে তিনজন উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে মিসগাইড করছেন। আমরা এ তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি করছি।

নির্বাচন অবাধ হওয়ার বিষয়ে আমাদের ভেতরে যথেষ্ট শঙ্কা এবং আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।’

তাদের নাম আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠাব।’

এ সময় তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে গণভোটের জন্য আলাদা তারিখ আশা করেন।

মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম প্রফেসর ইউনূসের মতো একজন বিশাল ব্যক্তিত্ব উনি কোনো অন্যায় চাপে নতি স্বীকার না করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে অটল থেকে সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। কিন্তু গতকাল উনার ভাষণে আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি—সরকার তাদের নিয়োজিত কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ না করে সেখানে যথেষ্ট কাটছাঁট দিয়ে একটি দলের সঙ্গে ব্যাপক কম্প্রোমাইজ করে, জনগণের স্বার্থে নয়।একটি বিশেষ দলের স্বার্থে অনেক পরিবর্তন এনে তার ভাষণ দিয়েছেন। যার ফলে জনগণ অত্যন্ত হতাশ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আট দল এবং আরো কিছু দল আছে আমরা সবাই আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগে জাতীয় নির্বাচন হোক, এ বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সে জন্য আমরা আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে মাঠে কাজ করছি। কিন্তু সরকারের আচরণ আমাদেরকে এ কথা বিশ্বাস করতে বাধ্য করছে যে, এ সরকারের পক্ষে কোনো সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন করা সম্ভব নয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির সেই ২ কর্মকর্তা এবার বরখাস্ত

Published

on

By

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের অবহেলায় দায়িত্ব থেকে সরানো রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের দুই কর্মকর্তাকে এবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অসদাচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

উপসচিব পদমর্যাদার ওই দুই কর্মকর্তা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মোস্তানজির।

বর্জ্য অপসারণের কাজে গাফিলতির অভিযোগে সরকারপ্রধানের নির্দেশে তাদের সেদিনই প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত করা হয়েছিল। ঈদের ছুটির পর প্রথমদিন সোমবার তাদের চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে সরকারি চাকরি আইন ও সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য ১ জুন থেকে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তারা বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহার পরদিন গত শুক্রবার কাউকে কিছু না জানিয়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই দিন বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তখন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।

এরপর তার নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।

Continue Reading

top2

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আদায়, সতর্ক করল এনবিআর

Published

on

By

আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১ জুন) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগের কার্যক্রম চলছে। এ সুযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিছু প্রতারক চক্র আয়কর বিভাগে চাকরি দেওয়ার নামে অভিনব কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

সরকারের নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় প্রতারক চক্র আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে অভিনব কৌশলে প্রতারণা–বাণিজ্য করার অপচেষ্টা করছে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অবহিত হয়েছে।

যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় চাকরি পাবেন, তাদের অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে মর্মে মিথ্যাচারের মাধ্যমে প্রতারিত করা এ চক্রের মূল উদ্দেশ্য। যেসব প্রার্থী নিজ অযোগ্যতার কারণে চাকরি পাবেন না, তাদের কারও কারও অর্থ প্রতারক চক্রটি ফেরত দিতে পারে, কিন্তু যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় চাকরি পাবেন, তাদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থ তারা হাতিয়ে নেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জনসচেতনার উদ্দেশ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই মর্মে সবাইকে আশ্বস্ত করছে যে আয়কর বিভাগের চলমান নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও আয়কর বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি কর্তৃক যোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন।

আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ সংগ্রহকারী কোনো দুষ্টচক্রের তথ্য পেলে তা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার অফিসকে অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা, টেলিফোন নম্বর ০২-২২২২১৭৭৭৭, ই–মেইল: pro@nbr.gov.bd অবহিত করতে এবং এরূপ প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী

Published

on

By

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

চিঠিতে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন, তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। ফলে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি বজায় রাখার স্বার্থে তার বর্তমান পদে বহাল থাকা সমীচীন হবে না বলে তিনি মনে করছেন। এ কারণে তিনি মন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও গতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এখন পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।

দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য।

Continue Reading

Trending