Connect with us

top1

৮ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের শেষ নির্বাচনী প্রচারণা

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারের শেষ জনসভা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

জনসভাটি ওইদিন বেলা দুইটায় শুরু হবে এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনের ঠিক আগে ঢাকার রাজপথে এই বৃহৎ জমায়েতের মাধ্যমে বিএনপি তাদের চূড়ান্ত সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান যে, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই সমাপনী জনসভাকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দলের বিভিন্ন ইউনিট এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বিএনপি এই জনসভাকে কেবল একটি সমাবেশ হিসেবে নয়, বরং নির্বাচনপূর্ব ‘চূড়ান্ত শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে দেখছে। দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, এই সমাবেশ থেকে তারেক রহমান যে দিকনির্দেশনা দেবেন তা নির্বাচনের দিন নেতা-কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

বিএনপি সূত্রমতে, এই সমাপনী জনসভায় তারেক রহমান দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের দিন করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্র রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি নেতা-কর্মীদের বিশেষ বার্তা দিতে পারেন।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলামসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা সকলে মিলে জনসভাটি সফল করতে ঢাকার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সাথে সমন্বয় করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৮ ফেব্রুয়ারির এই জনসভা বিএনপির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এদিনই দলটির প্রচার কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। নয়াপল্টনের এই বিশাল জমায়েত থেকে আসা বার্তা সারা দেশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই দলটির মূল লক্ষ্য।

ইতোমধ্যেই জনসভাকে ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ট্রাফিক নির্দেশনার বিষয়ে যোগাযোগ শুরু করেছে বিএনপি। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে আয়োজিত এই সমাবেশ রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ উত্তাপ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানিসংকট থাকবে। এজন্য মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। 

শুক্রবার নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে তাই এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজনকে উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশকে কিভাবে সর্বোত্তমভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, উন্নয়নমূলক অর্জনগুলো কিভাবে রক্ষা করা যায় এবং সংকটগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা যায়, তা নিয়ে ভাবা ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়ছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা উল্লেখ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করা এবং একই সঙ্গে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করা। এতে করে স্থানীয় উদ্বোবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির জন্য একটি টেকসই পথ তৈরিতে ভারত মহাসাগরের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময় এমন একটি সময়, যখন প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের এক গভীর চালিকাশক্তি। এই সময়ে আমাদের তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমাদের সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে উপলব্ধি করা এবং কাজে লাগানোই যৌক্তিক। সেই সঙ্গে একইভাবে আমাদের সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

এ সময় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

Continue Reading

top1

জনগণের অধিকার পায়ের তলায় পিষ্ট করার পাঁয়তারা শুরু: জামায়াত আমির

Published

on

By

জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের অধিকার পায়ের তলায় পিষ্ট করার পাঁয়তার শুরু হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিক সামাজের প্রত্যাশা-চাহিদা রাষ্ট্রের কাছে মামুলি। কিন্তু দুঃখের বিষয় সামান্য চাহিদাটুকু এখনও পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা, কোনো সরকার পরিপূর্ণ করতে পারেনি। তার কারণ যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যান, তারা শ্রমিকদের মধ্য থেকে উঠে আসেনি। তারা সোনার চামচ ও রূপার কাঠি হাতে নিয়ে উঠেছে। তারা শ্রমিকদের দুঃখ বুঝবে কীভাবে তারা বেশির ভাগই ব্যবসায়ী মালিক।

তিনি বলেন, সরকার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জনগণকে মানবিক মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হন। শ্রমিকদের প্রতি তারা সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হন।

জামায়াত আমির বলেন, বিগত নির্বাচনে জাতিকে আমরা বলেছিলাম নেতৃত্ব আমরা তরুণ ও যুবকদের হাতে তুলে দেব। আমরা চাই যৌবনের এই শক্তিটা জাতি গঠনের কাজে লাগুক। আমাদের এই বয়সে যতটুকু পেরেছে দিয়েছি, ভবিষ্যতে তরুণরাও দেবে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার ও মালিকপক্ষকে নিতে হবে। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলতে হবে। তাদের জন্য যে হাসপাতাল দিয়েছে সেই হাসপাতাল যথেষ্ট নয় আরও উন্নতমানের হাসপাতাল দিতে হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের যে বেতন ভাতা দেওয়া হয় তা দিয়ে তাদের পেটের জোগান দেওয়া যায় না। এই টাকা দিয়ে তারা চিকিৎসা করবে কীভাবে। শ্রমিকদের সন্তানদের মানুষ করা শিক্ষিত নাগরিক গড়ে তোলা পরিপূর্ণভাবে সরকারকেই নিতে হবে।

Continue Reading

top1

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়

Published

on

By

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

উভয় পক্ষ যে প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

তেহরান জোর দিয়ে বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয় – তেহরান জোর দিয়ে বলছে যে এটি এর অংশ।

ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের সম্পদ থেকে অবরোধ তুলে নেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য শিথিলতার বিষয়ে আগ্রহী, তবে তা কেবল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিনিময়েই।

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা ট্রানজিট ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায়, এই প্রণালিটি তেল ট্যাঙ্কার এবং অন্যান্য জাহাজের জন্য কোনো রকম সীমাবদ্ধতা ছাড়াই খুলে দেওয়া হোক, যার মধ্যে জাহাজ চলাচলের ওপর টোলও অন্তর্ভুক্ত।

ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের সময় হওয়া সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ দাবি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হোক। তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

ইরান চায় এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীর প্রত্যাহার, সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি এবং অনাক্রমণ নীতির প্রতি অঙ্গীকার। ট্রাম্প একটি শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরান শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে লড়াই ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending