Connect with us

খেলাধুলা

আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি

Published

on

বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার—ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছাবে।

জানা গেছে, সবাই সরাসরি ট্রফিটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না। কেবল কোকা-কোলার ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে নির্বাচিত বিজয়ীরাই কাছ থেকে ট্রফি দেখা ও ছবি তোলার বিশেষ সুযোগ পাবেন।

এই ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে গত ৮ জানুয়ারি। প্রোমোশনাল বোতলের কিউআর কোড স্ক্যান করে ফিফা-থিমভিত্তিক কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীরা এই সুযোগ অর্জন করেন।

এর আগে ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা’র ষষ্ঠ আসরের যাত্রা শুরু হয় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী ইতালির কিংবদন্তি ফুটবলার আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো এই ট্রফি ট্যুরের উদ্বোধন করেন। রিয়াদ বিমানবন্দরের টারমাকে তিনি বিশ্বকাপ ট্রফি উন্মোচন করেন।

ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে দেল পিয়েরো তরুণ শিশুদের নিয়ে একটি ফুটবল ক্লিনিকেও অংশ নেন। সেখানে বিশ্বকাপ ট্রফি ও কিংবদন্তি ফুটবলারের উপস্থিতিতে শিশুদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরে রিয়াদের একটি বড় শপিং মলে সাধারণ দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয় পাবলিক ফ্যান ইভেন্ট, যেখানে শত শত ফুটবলপ্রেমীর সামনে প্রদর্শন করা হয় বিশ্বকাপ ট্রফি।

এই ট্রফি ট্যুরে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের ৭৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করবে। ১৫০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বের হাজারো ফুটবলপ্রেমী জীবনে একবার হলেও কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবলের সর্বোচ্চ সম্মাননা।

এদিকে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—তিন দেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। এবারের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি দল এবং অনুষ্ঠিত হবে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

মেসির চার গোলের ঝড়ে মন্ট্রিয়েলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিল মায়ামি

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

বয়স ৩৯ ছুঁয়েছে। ফুটবলের প্রায় সব বড় অর্জনই এখন তার ঝুলিতে। বিশ্বকাপ, মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অসংখ্য পুরস্কার—সবই জিতেছেন Lionel Messi। তবুও মাঠে নামলেই যেন নিজেকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার নতুন চ্যালেঞ্জ নেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

বাংলাদেশ সময় রোববার ভোরে তার আরও একটি অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। মেসির দুর্দান্ত চার গোল ও এক অ্যাসিস্টে সিএফ মন্ট্রিয়েলকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে Inter Miami CF।

ম্যাচের শুরুতেই গোল উৎসবের সূচনা করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরো। কর্নার থেকে আসা বলে দুর্দান্ত হেডে মায়ামির হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন তিনি।

৩৭ মিনিটে অবশ্য ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় মন্ট্রিয়েল। এক গোল শোধ করে সমতায় ফেরে দলটি। তবে বিরতির ঠিক আগে মেসির নেওয়া ফ্রি-কিক প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মায়ামি।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় মেসির একক আধিপত্য। ৫২ মিনিটে নিজের স্বভাবসুলভ ড্রিবলিংয়ে একের পর এক প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি।

৮০ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েও নিজে শট না নিয়ে সতীর্থ ও বন্ধু লুইস সুয়ারেজকে দিয়ে গোল করান মেসি। এর মাত্র তিন মিনিট পর গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চমৎকারভাবে বল ভাসিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এরপর ১৮ বছর বয়সী আলেকজান্ডার শো দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে আরও একটি গোল করেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আবারও ফ্রি-কিকের দায়িত্ব নেন মেসি। নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে পূর্ণ করেন নিজের চতুর্থ গোল।

শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি। বয়স, রেকর্ড কিংবা অর্জন—কোনো কিছুই মেসির গোলের ক্ষুধা থামাতে পারছে না। বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে তার জাদু যেন আরও ধারালো হয়ে উঠছে।

সূত্র: ইএসপিএন

Continue Reading

top1

রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

Published

on

By

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টেস্টে অজিদের ঘরে মাঠে হারানোর কৃতিত্ব অর্জন করল টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনার তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং ৯ উইকেট নিয়েছেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ।

এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৫৭ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। সহজ লক্ষ্য পেয়ে উইকেট ১ হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে অজিদের ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করেছিল। তারপর অস্ট্রেলিয়াকে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করল। স্বাগতিকের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। অস্ট্রেলিয়া ৫৬ রানের লিড নিয়ে এই ইনিংস শেষ করে।

ডারউইনে জিততে বাংলাদেশের দরকার ৫৭ রান

গ্রিন একটা সময় বাংলাদেশের জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠেছিলেন। তাকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেয় টাইগাররা। দলগত ২৭৮ রানে ৯ উইকেট হারায় অজিরা। আর পেরে ওঠেনি। মেহেদী হাসান মিরাজ তার পঞ্চম উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের অলআউট করেন। শেষ ব্যাটার হিসেবে নাথান লায়ন এলবিডব্লিউ হন।

ডারউইনে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

তার আগে চতুর্থ দিন প্রথমবার বল হাতে নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান হাসান মাহমুদ। অফস্টাম্প বরাবর ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তিনি। ২০১ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ১০৪ রানে থামেন গ্রিন। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় উইকেট তুলে নেন। ম্যাচে ৯ উইকেট হয় তার।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ৯৫ রানে জীবন পান গ্রিন। অজি ব্যাটার সুযোগ কাজে লাগিয়ে করে শতক হাঁকান। কিন্তু দলের কঠিন পরিস্থিতিতে সেঞ্চুরি করলেও ইনিংস বাড়াতে পারলেন না তিনি।

এর আগে লাঞ্চ থেকে ফিরে তৃতীয় ওভারে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার অষ্টম উইকেটের পতন ঘটায়। ৮৭তম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল স্টার্ককে লিটন দাসের ক্যাচ বানান তাসকিন আহমেদ।

৩৪ বলে দুই চারে ১৮ রান করেন স্টার্ক। ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৪৩ রানের। ২৫০ রানে ৮ উইকেট নেই অস্ট্রেলিয়ার। ২২ রানের লিড তাদের।

চতুর্থ দিনেও প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। এই সেশনে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাই লড়েছেন ক্যামেরন গ্রিন। তার হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৫ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চে যায়। গ্রিন ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ টেস্ট রান ৮৫ ও মিচেল স্টার্ক ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

মিরাজ প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিন জাদুতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্সকে ফেরান। বাংলাদেশি অফস্পিনারের বোলিং নৈপুণ্যে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু গ্রিন ও স্টার্কের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংস লিড নেয় স্বাগতিকরা। রোববার প্রথম সেশন শেষে তাদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪৩ রান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল অজিরা। দিনের সপ্তম ওভারে তারা পঞ্চম উইকেট হারায়। ক্যারিকে ফিরিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভেঙে দেন মিরাজ। ক্যারি ৭২ বলে ৩০ রান করে লিটন দাসের ক্যাচ হন।

১৩ মাস পর ও ১৩ ইনিংসে প্রথম হাফ সেঞ্চুরিতে অপরাজিত গ্রিনের সঙ্গে ক্রিজে থাকতে পারেননি ওয়েবস্টার। মিরাজ তাকে ৫ রানে বোল্ড করেন। ১০৯ বলে ২ চারে ফিফটি করা গ্রিনকে সঙ্গ দিতে নেমে প্যাট কামিন্স মাত্র ৮ রান করে সাদমান ইসলামের ক্যাচ হন। তাকেও ফেরান মিরাজ। এটি ছিল নতুন দিনে তার তৃতীয় ও ইনিংসে চতুর্থ উইকেট। ২০৭ রানে সপ্তম উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়ার। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে খেলতে নেমেছিল।

Continue Reading

খেলাধুলা

মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠা স্মিথকে আউট করলেন মিরাজ

Published

on

By

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেছিলেন স্টিভ স্মিথ। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনিই ধরে রেখেছিলেন দলের হাল। ছুটছিলেন ফিফটির কাছাকাছি। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে ৪৪ রানে কাটা পড়লেন তাকেই ক্যাচ দিয়ে।

৫ চারে সাজানো ইনিংসটি শেষ হয়ে গেছে মিরাজের বলে। ১২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এখনও পিছিয়ে ১০৬ রানে। ম্যাচে এটিই মিরাজের প্রথম উইকেট।

মারনাস লাবুশেনও পারেননি প্রতিরোধ গড়তে। শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩১ রান করে বোল্ড হয়েছেন তাইজুল ইসলামের বলে। তার বিদায়ে ৭৩ রানে ৩ উইকেট হারায় অজিরা। মিডল ও লেগ স্টাম্প বরাবর ফুল লেন্থের বলটি অনসাইডে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলের লাইন মিস করে পুরোপুরি পরাস্ত হন।

তৃতীয় দিন ৪২৬ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ লিড জমা করে ২২৮। এরপর অজিদের দুটি উইকেটই তুলে নিয়েছেন প্রথম ইনিংসের নায়ক হাসান মাহমুদ।

দুই ওপেনারকেই তিনি ফিরিয়েছেন বোল্ড করেছেন হাসান। জেক ওয়েদারাল্ডকে ও ট্রাভিস হেড দুজনই ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন।

৩ চারে ১৭ রান করে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন হেড। প্রথম ইনিংসেও তাকে বোল্ড করেছিলেন হাসান। তার বিদায়ে ৩৭ রানে ২ উইকেট হারায় অজিরা।

জেক ওয়েদারাল্ডকে ফেরান রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড করে। ফলে ৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম ইনিংসেও ওয়েদারাল্ড সাজঘরে ফিরেছিলেন হাসানের বলে। সেই ভয়টাই কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি দ্বিতীয় ইনিংসেও।

এর আগে, প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। বোর্ডে লিড জমা হয় ২২৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১০১ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। ৮৪ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও ৬৫ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে।

অজিদের হয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন জশ হ্যাজেলউড। মিরাজকে ফিরিয়ে টেস্টের ৩০০ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি।

Continue Reading

Trending