Connect with us

খেলাধুলা

ইতিহাস বদলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ

Published

on

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অতীত পরিসংখ্যান অত্যন্ত হতাশাজনক ও বিবর্ণ। কুড়ি ওভারের এই বৈশ্বিক আসরে এর আগের ৬টি সংস্করণে অংশ নিয়ে ২৫টি ম্যাচ খেলে বাঘিনিদের জয় এসেছে মাত্র ৩টিতে। বাকি ২২টি ম্যাচেই জুটেছে হার। তবে হারের এই দীর্ঘ ও গ্লানিময় ইতিহাসকে এবার পেছনে ফেলে নতুন এক অধ্যায় রচনা করতে চান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

এই সংস্করণে বাংলাদেশের মেয়েরা বরাবরই ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ভুগেছে। বোলাররা প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই দারুণ পারফর্ম করলেও, ব্যাটাররা চাহিদা অনুযায়ী বড় রান বা লক্ষ্য পুঁজি করতে না পারায় ম্যাচগুলো হাতছাড়া হয়েছে। অতীতে কেবল শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডকে হারানোর সুখস্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের।

বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে স্কটল্যান্ডে একটি প্রস্তুতিমূলক ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবেন জ্যোতিরা, যেখানে স্বাগতিক স্কটল্যান্ড ছাড়াও খেলবে নেদারল্যান্ডস। এই সফরের উদ্দেশ্যে আজ রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত ১টা ৪০ ও ২৬ তারিখ সকালে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

যাওয়ার আগে রোববার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতির কণ্ঠে ইতিহাস বদলের তাড়না, ‘একটা উইনলেস রোড যাচ্ছিল। তবে আমি এটাকে বোঝা মনে করছি না, বরং ইতিহাস বদল করার একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি।’

এবারের আসরের প্রস্তুতি এবং স্কোয়াড নিয়েও বেশ আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা গত সিরিজের পর থেকেই আমাদের ঘাটতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। সেখানে আমরা কিছু ম্যাচ খেলেছি, যদিও ফল আমাদের পক্ষে আসেনি কিন্তু অনেক ভালো কিছু নেওয়ার ছিল। আমাদের বোলিং ইউনিট বরাবরের মতোই ভালো করছে এবং দুই-তিনজন সুনির্দিষ্ট খেলোয়াড় আছে যারা বেশ ধারাবাহিক। আমাদের মূল চিন্তা ছিল যারা ভালো ছন্দে আছে, তারা যেন এই ছন্দ ধরে রাখতে পারে। বিশ্ব কাপেও একইভাবে পারফর্ম করতে পারে তা নিশ্চিত করা।’

এই বিশ্বকাপে তিনটি জয়ের দিকে তাকিয়ে দল। শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জেতার আশা তার প্রবল। তার ভারতকে আগে হারানোর অভিজ্ঞতা থেকেও এই ম্যাচের দিকে চোখ তার।

১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে বাংলাদেশ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল

Published

on

By

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ বাড়াতে নকআউট পর্বের চূড়ান্ত চার ম্যাচের জন্য নতুন ফুটবল উন্মোচন করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতায় এবারও সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের জন্য আনা হয়েছে বিশেষ বল ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’।

জমকালো এই বলটির সোনালি ও কালো রঙের বিশেষ নকশা টুর্নামেন্টের শেষভাগের মহোৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন বলের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে এর নকশা ও রঙে এসেছে ভিন্নতা। কালো বেসের ওপর সোনালি রঙের প্রাধান্য রয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী ইঙ্গিত বহন করে। এর সঙ্গে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ।

বলটির প্যানেলে লেখা থাকবে টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহরের নাম-ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি। অন্য আয়োজক শহরগুলোর নাম থাকবে বলের গায়ে থাকা ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক্সে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে বলটিতে আগের মতোই থাকছে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বলের ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর চিপ রিয়াল-টাইম বা তাৎক্ষণিক ডেটা সরাসরি ম্যাচ রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে, যা সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমকে আরও নির্ভুলভাবে অফসাইড এবং নিখুঁত বল-টাচ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বল বদলানোর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে শুধু ফাইনালের জন্য আলাদা বল আনা হয়েছিল। আর ২০০২ সালের আগে বিশ্বকাপের মাঝপথে বল পরিবর্তনের নজির ছিল না।

Continue Reading

top1

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

Published

on

By

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি হতে দিল না ইংল্যান্ড। স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা।

সোমবার (৬ জুলাই) আজতেকা স্টেডিয়ামে আবহাওয়ার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচটি। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। মাঝমাঠে দাপটের সঙ্গে দ্রুতগতির আক্রমণে বারবার বিপাকে পড়ে মেক্সিকোর রক্ষণভাগ।

দ্বিতীয়ার্ধে নতুন উদ্যমে খেলতে নেমে ব্যবধান কমায় মেক্সিকো। এতে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে এলেও ইংল্যান্ড পাল্টা আক্রমণে আরেকটি গোল করে জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলে। শেষ মুহূর্তে স্বাগতিকরা আরও একবার জালের দেখা পেলেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি।

৩-২ গোলের এই জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দল।

অন্যদিকে, ঘরের মাঠে সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত সমর্থন পেয়েও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেল মেক্সিকোর। শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও ইংল্যান্ডের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেদ করে সমতায় ফেরার মতো সুযোগ আর তৈরি করতে পারেনি স্বাগতিকরা।

জুড বেলিংহামের অসাধারণ নৈপুণ্য, ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত ফুটবল এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এই জয়ে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তভাবে জানান দিল গ্যারেথ সাউথগেটের দল।

Continue Reading

top1

বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার, বললেন ‘এখানেই শেষ’

Published

on

By

বিষয়টি অনেকটা অনুমিতই ছিল। অবশেষে ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচ খেলে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন নেইমার। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান এই তারকা।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় নেইমার বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি। আমি চেষ্টা করেছি। মেট লাইফ স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো। এখন সব শেষ।’

এর মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের দীর্ঘ অধ্যায়ের ইতি ঘটল। জাতীয় দলের হয়ে ৮০ গোল করে তিনি দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে রয়েছেন। ২০২২ বিশ্বকাপে পেলের গোলসংখ্যা স্পর্শ করার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের ৮০তম গোলটি করেন তিনি। সেই ম্যাচের পরই ব্রাজিল অধ্যায়ের সমাপ্তি টানলেন এই ফরোয়ার্ড।

সেলেসাও জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হলেও একেবারে শূন্য হাতে বিদায় নিচ্ছেন না নেইমার। ২০১৩ সালে ব্রাজিলকে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ওই আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও ওঠে তার হাতেই।

কোপা আমেরিকায় নেইমারের সর্বোচ্চ সাফল্য ফাইনালে ওঠা। ২০২১ সালের ফাইনালে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে।

বিশ্বকাপে তার সেরা অর্জন ২০১৪ আসরের সেমিফাইনালে ওঠা। তবে ইনজুরির কারণে সেই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। পরবর্তী দুই বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যান। আর এবারের আসরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই সঙ্গে শেষ হয় ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমারের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারও।

Continue Reading

Trending