Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবিতে বহিষ্কৃত ‘অভ্যুত্থানবিরোধী’ শিক্ষককে বাঁচাতে তৎপর বিভাগের শিক্ষার্থীরা

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বিপ্লববিরোধী অবস্থানের কারণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৯ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে আইন বিভাগের সাময়িক বহিষ্কৃত ২ শিক্ষকের পক্ষে মানববন্ধন করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। তবে মানববন্ধন সম্পর্কে জানেন না বিভাগ।

আজ শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে ‘আইন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে সাময়িক বহিষ্কৃত ২ শিক্ষকের পক্ষে মানববন্ধন করে তারা।

এরপর থেকেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা যায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের।

জানা যায়, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী বহিষ্কৃত শিক্ষকের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ‘শাস্তি নির্ধারণ কমিটি’ গঠন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। গত বছরের ৪ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনের বিরোধিতা করেন ওই সকল শিক্ষক। ওই দিন হাসিনার পক্ষে ও অভ্যুত্থানের বিপক্ষে মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। ওই সময় তাদেরকে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিতে দেখা যায় এবং ‘আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’ বলে স্লোগান দেন তারা।

এদিকে অন্য বিভাগের বহিষ্কৃত শিক্ষকদের পক্ষেও আন্দোলনের পরিকল্পনা করছেন ঐসকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বহিস্কৃত শিক্ষকদের পক্ষে আন্দোলনের জন্য বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপে তৎপরতা চলছে। বহিষ্কৃত শিক্ষকদের পক্ষে শিক্ষার্থীদের থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন বলেও জানা গেছে। পরিকল্পনা করছে কিভাবে শিক্ষকদের ঠেকানো যায়। এমনকি মানববন্ধন কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জনেরও আলোচনা চলছে।

তদন্তের সময় পক্ষপাত তদন্ত করছে কি-না প্রশ্ন করলে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকবার বিভিন্ন হল, বিভাগ-সহ প্রত্যেকটা জায়গায় এই তদন্তের তথ্য-উপাত্ত চেয়ে পত্র প্রেরণ করি। সবশেষে আমরা লিখিত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত আহ্বান করি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক সংগঠনেও পত্র দেই। তো সর্বশেষ আমাদের কাছে বিভিন্ন লিখিত অভিযোগ এবং পত্র-পত্রিকার বিভিন্ন ছবি, নিউজের আলোকেই আমরা কমিটি বসে সর্বশেষ রিপোর্ট প্রদানে সক্ষম হই। তো এক্ষেত্রে অনেকেরই প্রশ্ন আছে যে অনেক রাঘববোয়ালেরা বাদ গেছে। আসলে আমরা টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনের আলোকে তদন্ত করেছি। বিশেষ করে আমার কাছে অনেকেই প্রশ্ন করছে যে অমুকের নাম আসেনি কেন? আমি তাদেরকে শুধুমাত্র একটা প্রশ্নই করছি যে আপনি কি তার বিরুদ্ধে পাঁচ লাইন লিখিত দিয়েছিলেন? তখন সে কথা বলে না।আসলে একজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকলে, একজনের বিরুদ্ধে কোন ডকুমেন্টারি কিছু না থাকলে আসলে তদন্ত কমিটির হাত এখানে বাঁধা।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কোনো পক্ষপাতের দলিল সহ অভিযোগ দিতে পারলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে যাব, চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। প্রশাসনকে বলেছি, এরপরও যদি মনে হয় রাঘববোয়ালরা ছাড় পেয়েছে, তাহলে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয় এমন কর্মসূচি দিলে প্রশাসন নজরে রাখবে। কেউ নাশকতা করতে চাইলে সুযোগ নাই।’

বহিষ্কারের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকার জন্য তাদের (শিক্ষক-কর্মকর্তা) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে আমরা আরও একটি কমিটি গঠন করব। সেই কমিটি বিবেচনা করবে— কাকে কতটুকু শাস্তি দেওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে ফ্যাসিস্টের প্রশ্নে কোন ছাড় হবে না।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মার্শাল আর্টের নেতৃত্বে ইরফান-সাজ্জাদ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মার্শাল আর্ট সাইন্স অ্যাসোসিয়েশন (আইইউএমএএসএ) -এর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইরফান উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসাইন মনোনীত হয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) সংগঠনটির উপদেষ্টা মন্ডলীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আংশিক কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে ফারহানা নাসরিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তিথী খাতুন, অর্থ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, দপ্তর সম্পাদক আহাফিন হাসান এবং সদস্য সচিব সুমাইয়া বিনতে আজম মনোনীত হয়েছেন।

‎সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলী নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আইইউএমএএসএ ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাবোধ, আত্মরক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানভিত্তিক মার্শাল আর্ট চর্চার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। নতুন নেতৃত্ব সততা, দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”

নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ইরফান উল্লাহ বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য উদ্দেশ্য অনুযায়ী নতুন কমিটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। বরাবরের মতোই শিক্ষার্থীদের জন্য আত্মরক্ষা, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশে আমরা বৃহৎ পরিসরে কাজ করে যাব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, প্রশিক্ষক, সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সকল সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সংগঠনটিকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ‎আইইউএমএএসএ বিশ্বাস করে, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনটি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত মার্শাল আর্ট শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আত্মরক্ষাবিষয়ক কার্যক্রমের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে‎ আইইউএমএএসএ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক মার্শাল আর্ট শিক্ষা, আত্মরক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা, নেতৃত্ব ও শৃঙ্খলা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Continue Reading

top3

কুবিতে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক নীতিমালার দাবিতে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

‘আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দেব’- নেপোলিয়নের এই উক্তিকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকরের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে কুবি শাখার জাতীয় ছাত্রশক্তি।

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির কুবি শাখার সংগঠক সৈয়দা নাজিফা নাফিলের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মাতৃত্ব একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তবে গর্ভকালীন সময় এবং সন্তান জন্মের পর শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক নানা কারণে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ে একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে উপস্থিতির ঘাটতির কারণে অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ইয়ার ড্রপ নেন। এমনকি অনেকের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও বলা হয়, দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা চালু থাকলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। তাই নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্থায়ী ও শিক্ষার্থীবান্ধব মাতৃত্বকালীন একাডেমিক সহায়তা নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে তা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মের পর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় ৬০ শতাংশের কম উপস্থিতি থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ, উপস্থিতিজনিত জরিমানা মওকুফ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইনকোর্স, মিডটার্ম, অ্যাসাইনমেন্ট ও অন্যান্য একাডেমিক মূল্যায়নে বিকল্প সুযোগ রাখার দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “যেসব শিক্ষার্থী মাতৃত্বকালীন সময়ে একাডেমিক কার্যক্রমে শিথিলতা চায়; তাদের নাম, বিভাগ, রোল এবং কোর্সভিত্তিক সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

Continue Reading

top3

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েকেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও আন্তঃ অনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

Published

on

By

রাশেদ হোসেন,জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জুলাই-আগস্ট শহিদ স্মরণে আন্তঃ অনুষদ ছাত্র ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। মাঠ ও প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

রবিবার(২ আগস্ট) বিকালে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতা ও মাঠের উদ্বোধনীপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘কথায় আছে- সুস্থ্য দেহ সুস্থ্য মন, তাই দেহ ও মনের সুস্থ্যতার জন্য খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করলে অন্য অনেক খারাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। বিশ্বে কোন কোন দেশ শুধু খেলার উপরই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমাদের ৫৭ একরের ক্যাম্পাসকে বাড়িয়ে আরও ৭৫ একর অধিগ্রহণের পথে অনেক দূর এগিয়েছি। অধিগ্রহণ করা হলে আমরা সেখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স বানাবো। সেখানে আরও খেলার মাঠসহ, সুইমিংপুলের ব্যবস্থা রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা খেলাধুলা করবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তর। তবে আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় দলে খেলার মতো খেলোয়াড় তৈরি করতে। খেলা একই সাথে একে অপরের ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি করে। খেলা একটি টিমওয়ার্ক, দলের একজন খেলোয়াড় একা গোল করতে পারে না, তাকে সকলের সহযোগিতা নিতে হয়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম উদ্বোধনী পর্বের সঞ্চালনা করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরর্চচা শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের ৬টি দল (ছাত্র) অংশগ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী দিনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা অনুষদ ও চারুকলা অনুষদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ০৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বুধবার একই মাঠে ফাইনাল খেলা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠ ও খেলার উদ্বোধন শেষে মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

Continue Reading

Trending