Connect with us

top3

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র, নিয়ন্ত্রণে ইরাকি সেনাবাহিনী

Published

on

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র, নিয়ন্ত্রণে ইরাকি সেনাবাহিনী
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে সরে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। এতদিন এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী অবস্থান করলেও এখন এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরাকি সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে। শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে অবস্থানরত বিদেশি বাহিনীর প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ইরাকি সেনারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

ইরাকি সেনাবাহিনীর একজন কর্নেলও মার্কিন বাহিনী সরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানান, কিছু লজিস্টিক জটিলতার কারণে অল্পসংখ্যক মার্কিন সেনা এখনও ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ওয়াশিংটন ও বাগদাদ ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। ওই চুক্তির আওতায় ধাপে ধাপে জোট বাহিনীর উপস্থিতি কমিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে এই ঘাঁটি প্রায়ই ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলাইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যার পর ঘাঁটিটির ওপর একাধিক রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

ঘাঁটি ছাড়ার প্রক্রিয়া ঠিক কবে শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে কয়েক শ মার্কিন সেনা ইরাক ত্যাগ করবেন এবং ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বাকি সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

Published

on

By

স্বজনের জানাজায় অংশ নিতে বের হয়ে জামালপুর টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাস চাপায় প্রাণ গেল সোহরাব হোসেন নামে এক ব্যক্তির। এসময় স্থানীয়রা ঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।

বুধবার (২৭ মে) সকাল ১১টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার বিনন্দের পাড়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়ক পার হওয়ার সময় শেরপুর থেকে ঢাকামুখী একটি দ্রুতগামী বাস সোরহাব হোসেনকে (৬৭) বৃদ্ধকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় । চাপা দিয়েই ঘাতক বাসটি পালিয়ে যায় । নিহত সোরহান হোসেন ওই এলাকার মৃত তৈয়জ উদ্দিনের ছেলে।

এসময় ক্ষোভে স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধে টাঙ্গাইল জামালপুর মহাসড়কে শতশত গাড়ি আটকা পড়ে।

নিহত সোহরাবের ভাগিনা নিপুন বলেন, সকাল সাড়ে দশটার দিকে রাস্তা পার হওয়ার সময় শেরপুরের একটি ফাঁকা বাস বেপরোয়া গতিতে এসে মামাকে চাপা দেয়। ক্ষোভে স্থানীয়রা সকাল এগারোটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

পুলিশ জানায়, জানাযা নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন সোরহান হোসেন। মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দূর্ঘটনার শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

জামালপুর সদর থানার ওসি তদন্ত নূর মোহাম্মদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। অবরোধ তুলে নিয়েছে স্থানীয়রা। মহাসড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

Continue Reading

top3

রূপপুর প্রকল্পে কর্মরত রুশ নাগরিকের রহস্যজনক মৃত্যু

Published

on

By

পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় কর্মরত এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার ২১ নম্বর ভবনের অষ্টম তলার ৮৪ নম্বর ইউনিটে তিনি মারা যান।

মৃত ব্যক্তির নাম লাতিপভ ভিল (৪২)। তিনি রাশিয়ার নাগরিক এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান Rosenergoatom-এ কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে সহকর্মীরা তাকে নিজ কক্ষে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মো. আশাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Continue Reading

top3

মাংসাশী বৃহদাকার ডাইনোসরের হাত কেন এতো ছোট ছিলো?

Published

on

By

খাবারের সন্ধানে ছুটে চলা কিংবা শিকারকে বাগে আনা; সবকিছুতেই বনের পশুদের প্রধান ভরসা তাদের শক্তিশালী থাবা। কিন্তু কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়ানো প্রকাণ্ড ডাইনোসর ‘টাইরানোসরাস রেক্স’ বা টি-রেক্সের ক্ষেত্রে গল্পটা ছিল একদম উল্টো।

প্রায় ৪০ ফুট লম্বা ও বিশাল দেহের অধিকারী এই মাংসাশী প্রাণীর হাত দুটো ছিল মাত্র ৩ ফুটের মতো, যা তাদের শরীরের তুলনায় বড্ড বেমানান। টি-রেক্সের এই পুঁচকে হাত নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে যেমন এক শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে বিতর্ক চলেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও এটি রসিকতার খোরাক জুগিয়েছে।

তবে এবার বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, তারা হয়তো অবশেষে এই রহস্যের জট খুলতে পেরেছেন।
সম্প্রতি ‘প্রোসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, টি-রেক্সের হাত ছোট হওয়ার পেছনে দায়ী আসলে তাদের শরীরের অন্য একটি অংশ, যা সময়ের সাথে সাথে আরও বড় ও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। আর সেটি হলো তাদের বিশাল মাথার খুলি।

বিজ্ঞানীরা একে বিবর্তনের একটি চমৎকার ‘বোঝাপড়া’ বা বিনিময় হিসেবে দেখছেন।

সহজ কথায়, কোনো একটি অঙ্গকে অতিরিক্ত শক্তিশালী করতে গিয়ে প্রকৃতি অন্য একটি অঙ্গের বিকাশ থামিয়ে দিয়েছে।
গবেষণাটির প্রধান লেখক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আর্থ সায়েন্সেস বিভাগের গবেষক চার্লি রজার শেরার জানান, বিবর্তনের নিয়ম হলো সব অঙ্গ একসঙ্গে সমানভাবে বাড়ে না। টি-রেক্সের মতো ডাইনোসররা যখন বড় বড় শিকারকে কাবু করার জন্য তাদের মাথা ও শক্তিশালী চোয়ালকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করল, তখন তাদের হাতের ব্যবহার অনেকটাই কমে গেল। ফলে বিবর্তনের ধারায় হাত দুটো সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং সেই বেঁচে যাওয়া শক্তি ও পুষ্টি জমা হতে থাকে মাথার খুলি ও চোয়ালকে আরও মজবুত করার কাজে।

এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে গবেষকরা ৮৫ প্রজাতির ডাইনোসরের ফসিল ও কঙ্কালের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। তারা ডাইনোসরদের কামড়ের জোর এবং মাথার খুলির হাড়ের গঠন মেপে দেখার একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করেন। পরীক্ষায় দেখা যায়, টি-রেক্সের মাথার খুলির শক্তি ছিল সবচেয়ে বেশি, আর সেই কারণেই তাদের হাত সবচেয়ে ছোট হয়ে গিয়েছিল। শুধু টি-রেক্সই নয়, গবেষণায় আরও চার শ্রেণির মাংসাশী ডাইনোসরের মধ্যে হুবহু একই প্রবণতা দেখা গেছে। প্রজাতিগুলো একে অপরের চেয়ে আলাদা হলেও এবং পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে বাস করলেও, শক্তিশালী মাথার কারণে তাদের সবারই হাত ছোট হয়ে এসেছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টি-রেক্স আসলে ছিল ডাঙার এক বিশাল হাঙরের মতো, যে তার সমস্ত কাজ সারত মাথা দিয়ে। শিকার ধরা থেকে শুরু করে তাকে মেরে ফেলা; সবখানেই হাতের কাজটা দখল করে নিয়েছিল দানবীয় চোয়াল। তবে হাতগুলো ছোট হলেও তা একেবারে অকেজো ছিল না বলেই ধারণা গবেষকদের। শিকারকে চেপে ধরা কিংবা মিলনের সময় সঙ্গীকে আকৃষ্ট করতে হয়তো এর ভিন্ন কোনো ব্যবহার ছিল, যা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।

সূত্র: সিএনএন

Continue Reading

Trending