Connect with us

top1

শূন্য হচ্ছে রাষ্ট্রপতির পদ, উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল

Published

on

বিশেষ প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন—এমন গুঞ্জন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুঙ্গে। উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেই থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন। এর ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আরও জোরদার রূপ নিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

উত্তরসূরি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন—তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ। বিএনপির চার প্রবীণ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর নাম ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক চুক্তিভিত্তিক সচিবের নামও গুঞ্জনে রয়েছে।

তবে রাজনৈতিক ত্যাগ, গ্রহণযোগ্যতা ও সার্বিক বিবেচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই পছন্দের শীর্ষে রাখা হচ্ছে বলে দলীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মির্জা ফখরুল কেন এগিয়ে?

বিশ্লেষকদের মতে, মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে রাখার পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করছে:

১. রাজনৈতিক ত্যাগ ও আনুগত্য: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অসংখ্য মামলা ও কারাবরণ সত্ত্বেও দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

২. পরিচ্ছন্ন ইমেজ ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা: পরিচ্ছন্ন ও সজ্জন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সুশীল সমাজ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

৩. আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা: সাবেক শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তা এর আগে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। কূটনৈতিক মহল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ইতিবাচক ভাবমূর্তি দেশের জন্য সহায়ক হবে।

সংবিধান যা বলে

অনুচ্ছেদ ৫০(৩): রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৫৪: পদ শূন্য হলে বা অসুস্থতাহেতু দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন।

অনুচ্ছেদ ১২৩: পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

তড়িঘড়ি ফিরছেন স্পিকার

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংককে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি পদ সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতিতে সফর সংক্ষিপ্ত করে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আজ দুপুরেই তিনি ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি: স্পিকার

Published

on

By

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। থাইল্যান্ড থেকে ফিরে তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে সংবিধানের বিধান তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তা স্পিকারের কাছে জমা দেবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি দেশের বাইরে ছিলাম। সুতরাং এখানে কে পদত্যাগ করল, কী করল, আমার কিছুই জানা নেই। এখন হয়তো জানতে পারব।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তাহলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করবেন এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করবেন। এই হলো সংবিধানের পজিশন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে চলা আলোচনার প্রসঙ্গ তুললে স্পিকার বলেন, আপনারা যে রকম শুনেছেন, আমিও সেরকমই শুনেছি। তিনি পদত্যাগ করলে সেই অনুযায়ী তারপর যে ব্যাকগ্রাউন্ডটা থাকে, সেই জায়গাতে… এটা অনুমাননির্ভর প্রশ্ন। সুতরাং উনি কী করবেন, না করবেন, আমি জানি না।

নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসার কথা ছিল ২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত কাজ, আমার মেডিকেল চেকআপ যেহেতু শেষ হয়েছে, সেজন্যই আমি এসেছি।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে পরবর্তী দায়িত্ব স্পিকারের ওপর বর্তাবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এটা একটা ট্র্যাডিশন। দেশের সংবিধানে লেখা আছে, যখন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তখন স্পিকার অ্যাক্টিং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে জাতীয় সংসদ। সেটা তিন মাসের মধ্যে করতে হয়। এটা হলো সংবিধানের পজিশন।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়।

এর আগে, ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও চিকিৎসা শেষ হওয়ায় তিনি শুক্রবারই দেশে ফেরেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে স্পিকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার ঘটনাকে ঘিরে আলোচনা আরও জোরালো হয়।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে লিখিত ও নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা আইনিভাবে বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০০২ সালের ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৮ দিন এ দায়িত্বে ছিলেন।

Continue Reading

top1

বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইন পিটিশন, স্বাক্ষর ৮১ হাজার ছাড়াল

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে আর্জেন্টিনায় শুরু হওয়া একটি অনলাইন পিটিশনে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে রেফারির কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে ম্যাচটি আবার আয়োজনের দাবি জানিয়ে করা ওই পিটিশনে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৮১ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

গত ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার। এরপর থেকেই ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে দেশটির সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চেঞ্জডটঅর্গে গিসেলা সানচেজ নামে এক ফুটবলভক্ত এ পিটিশন চালু করেন। এতে ফিফার কাছে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের পারফরম্যান্স এবং ভিএআরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

পিটিশনের উদ্যোক্তার অভিযোগ, ম্যাচে এমন কিছু রেফারিং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা খেলার গতিপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। একই সঙ্গে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে ফিফাকে।

তবে ক্রীড়া বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের অনলাইন পিটিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। বিশেষ কোনো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত না নিলে কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সুযোগও নেই।

এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে স্পেনের বিপক্ষে সেমিফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে ফ্রান্সেও ৮২ হাজারের বেশি স্বাক্ষরসংবলিত একটি অনলাইন পিটিশন হয়েছিল। তবে সেই দাবির কোনো ফল হয়নি।

উল্লেখ্য, ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনাজুড়ে লিওনেল মেসিদের সমর্থনে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে কিছু এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

Continue Reading

top1

কাসেমিরোকে দলে টানায় তদন্তের মুখে মেসির ইন্টার মায়ামি

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর পর বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি। দলবদল ও চুক্তি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে এমএলএস জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, কাসেমিরোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের আগে প্রয়োজনীয় ‘ডিসকভারি প্রায়োরিটি’ না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।

তবে ইন্টার মায়ামির দাবি, কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার আগে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছিল তারা। এরপরও পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এমএলএস।

লিগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার পরই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। তালিকাভুক্ত কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে ওই ক্লাবই প্রথম অগ্রাধিকার পায়। অন্য কোনো ক্লাব তাকে দলে নিতে চাইলে আগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের কাছ থেকে সেই অধিকার নিতে হয়।

কাসেমিরোর ক্ষেত্রে ডিসকভারি প্রায়োরিটি ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির হাতে। তাই ইন্টার মায়ামিকে তার সঙ্গে চুক্তি করার আগে গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতা করতে হয়েছে।

লিগের নীতিমালা অনুযায়ী, অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চাইলে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে চুক্তির অধিকার নেওয়া যায়। এরপর সংশ্লিষ্ট ক্লাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিকার ছেড়ে দিতে বা খেলোয়াড়কে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।

শেষ পর্যন্ত গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতার পর কাসেমিরোকে দলে ভেড়ায় ইন্টার মায়ামি। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে ক্লাবটি। পাশাপাশি ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।

এদিকে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন কাসেমিরো। বুধবার তিনি বলেন, “আমি আগে গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তখনই তাদের জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি ইন্টার মায়ামিতেই যেতে চাই। কারণ মায়ামি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা প্রায়ই এখানে ছুটি কাটাতে আসি। শহরটির সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।”

Continue Reading

Trending