অলটাইম ডিজিটাল ডেস্ক
ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চলতি সপ্তাহান্তেই বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন না দিলেও আন্তর্জাতিক অর্থবাজার সোমবার খোলার আগেই সম্ভাব্য অভিযান শেষ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
ক্যাম্প ডেভিডে আয়োজিত এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন আঘাত হানবে যাতে একপর্যায়ে ইরান তা সহ্য করতে না পারার কথা জানাবে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য স্পষ্ট এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে পেন্টাগনের মুখপাত্র শিন পারনেল জানান, মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাম্প ডেভিড বৈঠক থেকেই সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে অনুমোদন এসেছে। তবে কূটনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারেন।
অন্যদিকে, সিবিএস নিউজকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর বিষয়ে তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত নন।
এদিকে সম্ভাব্য হামলার খবর প্রকাশের পর ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে তার জবাবে বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, হামলা হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোও পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি