Connect with us

top2

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা পিএসজির ঘরে

Published

on

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্সেনালের সঙ্গে নির্ধারিত সময়, অতিরিক্ত সময় এবং টাইব্রেকারের লড়াই শেষে শিরোপা জিতে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিজেদের করে নেয় ফরাসি ক্লাবটি।

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। বহু বছরের অপেক্ষা শেষে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি নিজেদের ঘরে তুলেছে ফরাসি জায়ান্টরা।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল আর্সেনালের। ষষ্ঠ মিনিটেই কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় ইংলিশ ক্লাবটি। পিএসজির রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন জার্মান এই ফরোয়ার্ড।

গোল হজমের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় পিএসজি। বলের দখলে আধিপত্য বিস্তার করে একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে পারেনি তারা। আর্সেনালের সংগঠিত রক্ষণ এবং গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার দৃঢ়তায় পিছিয়েই বিরতিতে যেতে হয় ফরাসি দলকে।

বিরতির পর আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়ায় পিএসজি। ম্যাচের ৬২ মিনিটে খভিচা কাভারাতসখেলিয়ার ওপর ফাউলের ঘটনায় পেনাল্টি পায় দলটি। ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি নিজের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। তিন মিনিট পর স্পট-কিক থেকে গোল করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান ডেম্বেলে।

এরপর ম্যাচে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দলই। একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়েও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। তবে দুই দলের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় আর কোনো গোলের দেখা মেলেনি। শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারণের জন্য ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় আর্সেনালকে হারিয়ে দেয় পিএসজি। দলের খেলোয়াড়রা নির্ভুল শট নিয়ে গোল করলেও আর্সেনালের কয়েকজন খেলোয়াড় ব্যর্থ হন। ফলে শেষ হাসি হাসে ফরাসি ক্লাবটি।

এই জয়ের মাধ্যমে ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতল পিএসজি। বহু বছর ধরে ইউরোপ সেরার স্বপ্ন দেখা ক্লাবটির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। একই সঙ্গে ক্লাবটির সমর্থকদের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান ঘটল।

শিরোপা জয়ের পর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন পিএসজির খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা। ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে নিজেদের নাম লেখানোর এই রাত পিএসজির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন’—স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশে বসে থাকা তার সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানকে দেখিয়ে দেওয়া সেই মন্তব্যে উপস্থিত চিকিৎসক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে কলেজ অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং উপস্থিতদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

আলোচনার একপর্যায়ে একজন অংশগ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তার পরিকল্পনা জানতে চান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী পাশে বসে থাকা ডা. জুবাইদা রহমানের দিকে ইঙ্গিত করে হেসে বলেন, ‘আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে অডিটোরিয়ামে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন। পরে প্রশ্নকারী বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন, তিনি যদি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে উদ্যোগ নেন, তাহলে সেটি সবার জন্য গর্বের বিষয় হবে।

এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছে শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে তিনি ক্যাম্পাসে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

Continue Reading

top2

‘আমাকে হত্যা করলে ইরানের ওপর মিসাইলের ঝড় নামবে’, ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাকে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও ব্যাপক সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইরান যদি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে হামলা চালায় বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রয়োজন হলে এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক স্লোগানসংবলিত ব্যানার দেখা যাওয়ার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্য আসে।

Continue Reading

top2

সমঝোতা কার্যকর থাকতেই পারমাণবিক স্থাপনা মেরামতে ইরান

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত কার্যকর থাকা অবস্থাতেই ইরান তাদের কয়েকটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র–সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় মেরামত ও পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এসব পদক্ষেপ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সিএনএন ও ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি’ যৌথভাবে সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারকে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের পথে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তী সময়েই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পুনর্গঠনের তৎপরতা দেখা গেছে।

বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তেহরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের একটি স্থাপনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ রয়েছে, সেখানে মেরামতের কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই স্থাপনার জুন মাসের স্যাটেলাইট চিত্রে বোমার গর্তগুলো অস্থায়ীভাবে ঢেকে রাখতে দেখা যায়। জুলাইয়ের ছবিতে সেখানে আরও স্থায়ী ধরনের সুরক্ষামূলক জালের আচ্ছাদন বসানোর চিত্র ধরা পড়ে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কয়েক দিনের মধ্যেই টানেলমুখে একাধিক যানবাহনের চলাচল শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব কার্যক্রম পারমাণবিক সক্ষমতা-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং তা চুক্তির চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ ছাড়া ইরানের কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারেও সংস্কারকাজ চলার প্রমাণ মিলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসফাহান, ফোরদো ও নাতাঞ্জের মতো প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো মেরামত কার্যক্রম শনাক্ত হয়নি।

গত জুনে যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে। ওই সমঝোতায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, মার্কিন নৌ-অবরোধ শিথিল করা এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমানো বা নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল।

তবে সমঝোতা কার্যকর থাকার মধ্যেই স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়া এসব কর্মকাণ্ড নতুন করে অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালীতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা আবারও বেড়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে।

Continue Reading

Trending