Connect with us

রাজনীতি

এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না

Published

on

বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর এক নির্বাচনি জনসভায় ‘৮০ ভাগ মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না’—এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বক্তব্যটি ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন রাতে। বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় আফজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি এ বক্তব্য দেন। জনসভা চলাকালে তিনি জামায়াতে ইসলীতে যোগ দেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

জনসভায় বক্তব্যে আফজাল হোসেন বলেন, ‘আপনারা কি আল-কোরআন চান, না বেদায়াত চান? আল-কোরআন যদি চান, অবশ্যই জামায়াতে ইসলাম সংসদীয় শাসনতন্ত্র কায়েম করবে। উচ্চ স্বরে তারা সংসদে ধমক দিয়ে বলবে—এই দেশ মুসলমানের দেশ। যেখানে ৮০ পার্সেন্ট লোক মুসলমান, সেখানে কোনো দিন বেধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না। সংবিধান থাকতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কী শাসন থাকবে? আল্লাহর কোরআনের শাসন থাকবে। আজকে চুরি করলে যদি হাত কেটে দেওয়া হয়, আর কি এই এলাকায় চুরি হবে? সেই শাসন আমরা চাই।’

এ সময় জামায়াত মনোনীত প্রার্থীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনার চিন্তা নাই ইনশাআল্লাহ। মানুষ বুঝতে পেরেছে ধর্ম কাকে বলে, ন্যায় কাকে বলে, আদর্শ কাকে বলে।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ বলেন, আফজাল হোসেন তাদের পুরোনো কেউ নন। তার ভাষায়, ‘তিনি নতুন মানুষ। আমাদের কালকেই পরিচয়। তিনি ওই এলাকার মানুষ। রিটায়ার্ড মুরুব্বি মানুষ—আবেগে বলে ফেলেছে। বলার পর আমাদের কিছু করার থাকে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মুখ থেকে বা আমাদের নেতাদের মুখ থেকে এ ধরনের কোনো বক্তব্য আসেনি। আমার বক্তৃতা দেখলে দেখা যাবে, আমি কারও নামও নেইনি, বিরোধী দলের কথাও বলিনি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতে যোগদান একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়, নির্বাচনের সময় তাৎক্ষণিকভাবে এমন যোগদান কার্যকর হয় না।

এ বিষয়ে বরগুনার বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. পলাশ আহমেদ জানান, বিষয়টি তারা পরে জেনেছেন। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বিএনপি কি আওয়ামী লীগের মতো হয়ে উঠছে

Published

on

By

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল-২০২৬ ঘিরে জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বিলটির কড়া সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন, এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার জন্য ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইশতেহারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান থাকলেও নতুন বিলে ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ও ‘জনস্বার্থে অপসারণ’-এর মতো বিধান রাখা হয়েছে, যা সেই প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী বলে তিনি দাবি করেন।

হান্নান মাসউদ প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কি ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করছে? তিনি বলেন, অস্পষ্ট ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ ধারা ব্যবহার করে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে দলীয় প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতে গৃহীত কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যেতে পারে।

এ সময় নির্বাচন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। তার দাবি, বিভিন্ন এলাকায় ভোট কারচুপি, কেন্দ্র থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং অনিয়মিত ভোটগ্রহণের ঘটনা ঘটছে।

হান্নান মাসউদ সতর্ক করে বলেন, এই বিল পাস হলে স্থানীয় গণতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, এসব অভিযোগের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিলটি পাস না হলে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্বাচন আয়োজন ব্যাহত হতে পারে এবং পুরনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের কারচুপির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংসদে এ বিলকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও বিষয়টি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

Continue Reading

রাজনীতি

শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক

Published

on

By

শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জেলা নির্বাচন অফিস তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করে।

জেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ১২৯টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। ফলে ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৬ ভোটের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রুবেল।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে অভিনন্দন জানান স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, পোস্টাল ব্যালটসহ সব কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে এই ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ উপলক্ষে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হচ্ছে শুক্রবার (১০ এপ্রিল)। ওই দিন বেলা ১১টা থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে, চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এই তথ্য জানিয়েছেন।

রিজভী জানান, একই দিন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমার শেষ দিন ১২ এপ্রিল।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ মে ভোটের দিন রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ তফশিল ঘোষণা করেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল।

আখতার আহমেদ জানান, আপিল দায়েরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, বিএনপি ও তাদের জোটের জন্য ৩৬টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে ১টি আসন। সব মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ৫০টি।

Continue Reading

Trending