Connect with us

top1

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্য

Published

on

কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শেফা নামের ১১ বছর বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ২৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মৃত শিশু শেফা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুমারগাড়া এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে। গতকাল রবিবার (১০ মে) বিকেল ৪টার সময় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মোট ৭৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০ জন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সমন্বিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত জেলায় সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২১৩ জনে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর এলাকাতেই আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

উপজেলা ভিত্তিক আক্রান্তের চিত্রে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ৮ জন, খোকসায় ১ জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ১৮ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ।

তথ্যমতে, এ পর্যন্ত আক্রান্ত ১,২১৩ জনের মধ্যে ১,০৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনও অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যানুযায়ী, নিশ্চিতভাবে হাম প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা ৩ জন হলেও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সিনিয়র স্টাফ নার্স মোছা. ফাতেমা খাতুন জানান, ভর্তিকৃত শিশুদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের অবস্থা দ্রুত অবনতি হওয়ায় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, জেলাজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের শরীরে জ্বর ও লালচে দানা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। অবহেলা করলে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় কুষ্টিয়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেক অভিভাবক অভিযোগ করছেন, সঠিক সময়ে টিকাদান নিশ্চিত না হওয়ায় এবং সচেতনতার অভাবে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মেডিকেল টিম এবং তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ট্রাফিক আইন ভাঙ্গলেই ডিমেরিট পয়েন্ট, বাতিল হতে পারে লাইসেন্স

Published

on

By

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙলে এখন চালকদের শুধু জরিমানা নয়, ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে সঙ্গে চালকের লাইসেন্সে যুক্ত হচ্ছে ডিমেরিট পয়েন্ট। মোট ১২ পয়েন্ট জমা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে লাইসেন্স। পাশাপাশি ১৩ ধরনের নির্দিষ্ট অপরাধে পয়েন্ট কাটা হচ্ছে, কোনো চালকের পয়েন্ট শূন্যে নেমে এলে তার লাইসেন্সও বাতিল করা হবে।

এই পদ্ধতি আপাতত চার চাকার যানবাহনের চালকদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। আগে ট্রাফিক আইন ভাঙলে মামলা বা জরিমানা গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে হতো, যার খরচ বহন করতেন মালিকরা। তবে নতুন ব্যবস্থায় এখন দায় সরাসরি চালকের লাইসেন্সের ওপরও পড়ছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে এখন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। আইন ভঙ্গ করলেই মামলা হচ্ছে, সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অটো মামলা ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে প্রতিটি অপরাধের তথ্য চালকের লাইসেন্সে পয়েন্ট আকারে যুক্ত করা হচ্ছে। নির্ধারিত সীমায় পৌঁছালে লাইসেন্স স্থগিত হয়ে যাবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, গত দুই মাসে হাজারের বেশি চালক এই ব্যবস্থায় পয়েন্ট হারিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, জরিমানা বা শাস্তি দেওয়া মূল লক্ষ্য নয়; বরং চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই উদ্দেশ্য।

তবে পয়েন্ট হারানোর পর আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো চালক পরবর্তী ছয় মাসে নিয়ম ভঙ্গ না করলে দুই পয়েন্ট পুনরায় যুক্ত করা হবে।

অন্যদিকে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, অনেক চালকই এখনো এই ডিমেরিট পয়েন্ট ব্যবস্থা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। একাধিক চালক জানিয়েছেন, নতুন নিয়ম চালু হলেও তারা বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাননি। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, নিয়ম মেনে চললে সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন চালু করলেই হবে না, এর কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, সড়ক ব্যবস্থাকে লেনভিত্তিক করা এবং চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা দরকার। তার মতে, দেশের অধিকাংশ চালকই অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠায় তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি

Continue Reading

top1

উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে ফের পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

পদোন্নতির জটিলতা সিন্ডিকেট সভায় নিরসন না হওয়ায় ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে ফের পুর্নাঙ্গ একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষনা দিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

রবিবার (১০ মে) বিকেল চারটার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজের পক্ষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য সিন্ডিকেট সদস্য,বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং ডিনদের ত্রিপক্ষীয় সভার সিদ্ধান্তক্রমে গত ০৮ মে অনুষ্ঠিতব্য সিন্ডিকেট সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও চর্চা অনুযায়ী চলমান সকল সংকটের সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম হঠাৎ করে গত ৮মে রাত ১০ টার দিকে নোটিশ দিয়ে ০৯ মে সকাল ১১ টায় একটি এজেন্ডাবিহীন জরুরী সিন্ডিকেট সভা করেন। এই সিন্ডিকেট সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী চলমান সকল সংকটের সমাধানের চেষ্টা না করে এবং অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামতকে অগ্রাহ্য করে নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো গভীর সংকটে নিপতিত করেছেন।

এই প্রেক্ষিতে আজ ১০মে অনুষ্ঠিত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি সাধারণ সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে আগামী ১১ মে থেকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং চলমান ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও উক্ত সভায় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Continue Reading

top1

গুচ্ছভুক্ত ভর্তির ‘সাবজেক্ট চয়েস’ শুরু, চূড়ান্ত ভর্তি আগামী ৭ জুন হতে ১১ জুন

Published

on

By

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘সাবজেক্ট চয়েস’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দক্রম’ আবেদনের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

৬ মে দুপুর ১২ টা হতে ১৩ তারিখ পর্যন্ত জিএসটি’র ওয়েবসাইটের (https://gstadmission.ac.bd) মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত শর্তানুযায়ী আবেদনকারী তার ভর্তিযোগ্য বিভাগের জন্য বিবেচিত হবে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি ৫০০ টাকা।

এর আগে গত রোববার ইবিতে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আয়োজিত এক সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ১১ জুন পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে ঘোষণা করা হয়। এসময় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়— ভর্তি কার্যক্রম চলাকালীন শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা, অনিয়ম বা ভোগান্তির সম্মুখীন না হন, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেহেতু ভর্তি পরীক্ষা ইতোমধ্যে একটি অনুকূল ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, তাই ভর্তি প্রক্রিয়াটিও একই মান বজায় রেখে নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা জরুরি।”

বিশেষায়িত বিষয়সমূহ (চারুকলা, সংগীত, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা, ফিল্ম এন্ড মিডিয়া এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান) পছন্দক্রমে অন্তর্ভুক্ত করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে (আলাদাভাবে আবেদনের প্রয়োজন নাই)। সেক্ষেত্রে প্রতিটি বিশেষায়িত বিষয়ের আবেদন ফি হিসাবে ৩০০ টাকা যুক্ত হবে। বিশেষায়িত বিষয়গুলোর পরীক্ষার তারিখ সহ বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।

যেভাবে ‘সাবজেক্ট চয়েস’ আবেদন করবেন:

• GST Admission ওয়েবসাইট (https://gstadmission.ac.bd)-এ Student Login সম্পন্ন করতে হবে।

• ‘View Eligible Subjects’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী GST বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আবেদনের যোগ্য বিভাগের তালিকা দেখতে পাবে।

• ‘Add/Update Quota’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী কোটা তথ্য প্রদান/আপডেট করতে পারবে।

• ‘Apply with Subject Choice’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রম প্রদান ও পরিবর্তন করতে পারবে।

• ‘View Choice List’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিল পরিশোধের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সর্বশেষ বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রম দেখতে পারবে।

• ‘Print Choice List’ বাটনে ক্লিক করে প্রার্থী বিল পরিশোধের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সর্বশেষ বিভাগ/সাবজেক্ট পছন্দক্রমের PDF কপি ডাউনলোড করতে পারবে।

Continue Reading

Trending