Connect with us

top3

গাজায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস

Published

on

গাজায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এক ধরনের ভয়াবহ শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস। এতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ভেঙে পড়েছে অঞ্চলটির নাজুক স্বাস্থ্যব্যবস্থা। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের মেডিকেল পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানান, শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নজিরবিহীন এক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মধ্যে আছি।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ভাইরাসটি ফ্লু বা করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং টিকাদানের অভাবের কারণে সব বয়সী মানুষের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে।

রোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিন জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও বমির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে। শীত, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ ও তাঁবুতে গাদাগাদি করে থাকা বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

এদিকে গাজার হাসপাতালগুলোতে তীব্র ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট চলছে। অ্যান্টিবায়োটিক, ক্যানসারের ওষুধ, কিডনি ডায়ালাইসিস ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসাসামগ্রী প্রায় নেই বললেই চলে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাও চরম সংকটে রয়েছে।

আবু সালমিয়া অভিযোগ করেন, ইসরায়েল গাজায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তার দাবি, জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী আটকে দেওয়া হলেও অপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্য ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ ও পরীক্ষাগার সামগ্রী গাজায় প্রবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা বাড়ছে, যা গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে অ্যারাবিক ক্লাবের নেতৃত্বে আমির-আমান-ফাহিম

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সংগঠন অ্যারাবিক ক্লাবের ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম ফয়সাল নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিভাগীয় সেমিনার কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে আনঅফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. শামছুল হক ছিদ্দিকী। 

নির্বাচনে মোট ৩১৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ১৮৪ জন, যার সবগুলোই বৈধ ব্যালট হিসেবে গণ্য হয়েছে। সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে মোট চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আমির ফয়সাল। দুটি সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হন নূর হোসেন আল রিফাত (২৮ ভোট) ও শহীদ উল্লাহ (১০ ভোট)।

সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক পদে ১০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মো. আমান উল্লাহ। দুটি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন কামরুল হাছান (৩৪ ভোট) ও ইউসুফ রাকিব (২০ ভোট)।

সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ফাহিম ফয়সাল। দুটি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন ওমর ফারুক (৭৫ ভোট) ও শাকিল আহমেদ (১১ ভোট)।

ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিতদের শুভকামনা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. শামছুল হক ছিদ্দিকী বলেন, অ্যারাবিক ক্লাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি এবং অন্যান্য বিভাগের তুলনায় আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের আরও অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

Continue Reading

top3

বেরোবিতে কলা অনুষদের গবেষণা প্রকল্পের ২য় সেমিনার অনুষ্ঠিত

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ গবেষণা প্রকল্পের আওতায় কলা অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগের দ্বিতীয় গবেষণা সেমিনার আজ সোমবার (১০ আগস্ট, ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের আয়োজনে একাডেমিক ভবন-২-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই সেমিনার সম্পন্ন হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নিতাই কুমার ঘোষ। সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরবৃন্দ বহিঃস্থ বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে অনলাইনে অংশ নিয়ে গবেষণা প্রস্তাবনাগুলোর ওপর তাদের মূল্যবান মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বেরোবি কলা অনুষদের বাংলা, ইংরেজি এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ সেমিনারে উপস্থিত থেকে নিজ নিজ গবেষণা প্রকল্পের অগ্রগতি ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। সেমিনারে গবেষণা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

Continue Reading

top3

বেরোবিতে বাংলা বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ ইউজিসির

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি :

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বাংলা বিভাগে একটি প্রভাষক পদের বিপরীতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বাজেট অ্যাসেসমেন্ট দলের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে এ পর্যন্ত দেওয়া বেতন-ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিশন।

ইউজিসির নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে কমিশনের একটি দল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেট অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মোট ২৯টি গুরুতর পর্যবেক্ষণ ও অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ক্রমিকেই বাংলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা বিভাগের জন্য মাত্র একটি স্থায়ী প্রভাষক পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি স্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয় বলে ইউজিসির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে গোলাম রব্বানী ও মনির হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউজিসির হিসাবে, অতিরিক্ত নিয়োগের কারণে বছরে প্রায় ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকার অননুমোদিত আর্থিক দায় তৈরি হয়েছে। নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় এ খাতে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইউজিসির অ্যাসেসমেন্ট দলের চূড়ান্ত সুপারিশে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে এ পর্যন্ত দেওয়া বেতন-ভাতাসহ যাবতীয় অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা দ্রুত কমিশনকে অবহিত করতেও বলা হয়েছে।

ইউজিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাজেট অ্যাসেসমেন্টে চিহ্নিত ২৯টি পর্যবেক্ষণ নিষ্পত্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে বক্তব্য পাঠানো হলেও বিষয়টি পুনরায় তুলে ধরা হয়।

কমিশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব অনিয়ম দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নিতাই কুমার ঘোষ বলেন, “আমার কাছে এই বিষয়ে কোনো এভিডেন্স নেই। তাই আমি এখন কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।”

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান দাবি করেন, বিষয়টি ইউজিসির পর্যবেক্ষণে যেভাবে এসেছে, বাস্তবতা তেমন নয়। তিনি বলেন, “বিষয়টা এমন ছিল না। দুইটা বিজ্ঞপ্তিতে দুইটা নিয়োগ হয়েছে। আমরা ইউজিসিকে উত্তর দিয়েছি। বিষয়টি সময় নিয়ে আমরা তোমাদের উত্তর দেব। দুইটা বিজ্ঞপ্তি দুটো ভিন্ন সময়ে হয়েছিল।”

দুটি ভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ হয়ে থাকলে ইউজিসি কেন বিষয়টিকে অনিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার বলেন, “আমরা ইউজিসি থেকে যে টিম এসেছিল, তারা হয়তো বিষয়টি জানত না।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Continue Reading

Trending