Connect with us

top3

গ্রাহকের স্বার্থ বিকিয়ে অপচয়ের ভবন বানাচ্ছে সিটি ব্যাংক

Published

on

বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি দামে জমি কিনে সিটি ব্যাংকের সুউচ্চ ভবন বানানোর সিদ্ধান্তে বিপুল অপচয় ও দুর্নীতির গুঞ্জন উঠেছে। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে দ্বিগুণ বেশি দামে জমি কেনার কারণে ব্যাংকটির পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি; বরং গ্রাহকের আমানত থেকে খরচ করার কারণে আমানতের ঝুঁকি বাড়বে। ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। এতে ব্যাংকের মুনাফার অংশ কমে যাবে।

পুঁজিবাজারে ব্যাংকটির ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কাঙ্ক্ষিত লভ্যাংশ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। শুধু তা-ই নয়, অপচয়ের কারণে ব্যাংকটির মুনাফা কমে গিয়ে খরচ বেশি হওয়ার কারণে সরকারকে দেওয়া করের অংশও কমে যাবে। ফলে সরকার কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। এমনই হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, সিটি ব্যাংক রাজধানীর গুলশানে ৪০ কাঠা জমির ওপর ২৮ তলা নিজস্ব ভবন তৈরি করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়েছে। ভবন বানাতে গুলশান অ্যাভিনিউয়ে আগের ২০ কাঠার জমির সঙ্গে পার্শ্ববর্তী আরো ২০ কাঠা জমিও কেনা হচ্ছে। নতুন জমি কেনাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে খরচ হবে ৩৪৫ কোটি টাকা। কিন্তু গুঞ্জন উঠেছে, বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে কেনা হচ্ছে এ জমি।

নতুন করে যে ২০ কাঠা জমি কিনতে যাচ্ছে ব্যাংকটি, তাতে কাঠাপ্রতি খরচ হচ্ছে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ কোটি টাকা, যা অনেকটাই অপ্রত্যাশিত। স্থানীয়রা জানায়, এখানে যে জমির কথা বলা হয়েছে, তার দাম এত হওয়ার কথা নয়। জমি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের ধারণা এই উচ্চমূল্যে জমি কেনাবেচা হলে পার্শ্ববর্তী জমি ও ভবন মালিকদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু এত দাম দিয়ে সিটি ব্যাংক কেন জমি কিনছে তা নিয়ে এরই মধ্যে সমালোচনা ও বির্তক শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুলশান এভিনিউতে প্রতি কাঠা কমার্শিয়াল জমি এখন কম বেশি আট কোটি টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

কিন্তু সিটি ব্যাংক সেখানে জমি কিনছে প্রতি কাঠা ১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকায়।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ‘যদি বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দরে জমি কেনা হয় তাহলে সেখানে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার চেষ্ট হয়েছে কি না সেটা দেখার অবকাশ থাকে। বিক্রেতা সেই টাকা পেয়েছি কি? সেই জমির দাম প্রকৃতপক্ষে কত হওয়া উচিত এবং কোনো দুর্নীতি হয়েছে কি না এসব বিষয়ে তদন্তের অবকাশ থাকে। ’

এদিকে আগের ২০ কাঠা ও নতুন কেনা ২০ কাঠা মিলিয়ে মোট ৪০ কাঠা জমির ওপর নিজস্ব ২৮তলা ভবন নির্মাণে খরচ ধরা হয়েছে ৮৫৫ কোটি টাকা। তাতে জমি কেনা ও ভবন নির্মাণে আপাতত খরচ ধরা হয়েছে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। এরই মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পেয়েছে ব্যাংকটি।

সর্বশেষ গত বুধবার সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যাংকের নিজস্ব ভবন নির্মাণ ও এ জন্য নতুন করে আরো ২০ কাঠা জমি কেনার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৮৩ সালে দেশের তৎকালীন ১২ জন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মিলে ব্যাংকটি গড়ে তোলেন। ১৯৮৬ সালে ব্যাংকটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথম নিজস্ব ভবনে প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে ২০০৯ সালে। গুলশান-২-সংলগ্ন গুলশান এভিনিউয়ে ২০ কাঠার জমির ওপর আটতলা ভবনে ছিল প্রধান কার্যালয়। কিন্তু সেখানে সব জনবলের জায়গা না হওয়ায় পুরনো ভবনটি ভেঙে ২৮তলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সিটি ব্যাংক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানি। সেই হিসাবে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জমি কেনা ও ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্তের বিষয়টি মূল্য সংবেদনশীল। এ তথ্যটির কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও পুঁজিবাজারে শেয়ারের দামে প্রভাব পড়তে পারে। যদিও ব্যাংকটি এ তথ্যটি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এ অপচয়ের কারণে ব্যাংকের মুনাফার অংশ কমে গেলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে কি না।

সূত্র জানায়, গত ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক সিটি ব্যাংককে ভবন নির্মাণ ও জমি কেনার প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর গত বুধবার ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

ব্যাংকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজউক থেকে ২৮তলা সুউচ্চ ভবন নির্মাণের অনুমোদনও এর মধ্যে হয়ে গেছে। এই ২৮তলা ভবনের মধ্যে পাঁচতলা বরাদ্দ থাকবে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। বাকি ২৩ তলাজুড়ে থাকবে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম। সেভাবেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন জমির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভবনের উচ্চতা ও পরিসর বৃদ্ধির আরো সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে ব্যাংকের ভবন ও কার্যালয় খুবই নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন হয়ে থাকে। আমরাও দেশের ব্যাংক খাতে সে রকম একটি উদাহরণ তৈরি করতে চাই। এ জন্য আমাদের পরিকল্পনা ও উদ্যোগে সম্মতি দেওয়ার জন্য ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞ। খুব দ্রুততম সময়ে আমরা আমাদের নিজস্ব ভবন তৈরি ও সেখানে কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করব। ’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় প্রবেশ করলেন প্রায় ৬০ হাজার; প্রাণহানি বেড়ে ৩৪

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। এ সময় সমুদ্র ও সীমান্ত পেরিয়ে শহরটিতে ঢোকার চেষ্টাকালে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সেউতার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান জেসুস ভিভাস বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছেন। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। একই সময়ে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে সেউতায় কতজন অভিবাসী প্রবেশ করেছেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ভিভাসের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য মোট সংখ্যার একটি সরকারি হিসাব সামনে এলো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মরক্কোর উপকূল থেকে অনেক অভিবাসী ভাসমান ইনফ্ল্যাটেবল ডিভাইস ব্যবহার করে সাঁতরে সেউতায় প্রবেশ করছেন। কয়েকজনকে ‘স্পেন দীর্ঘজীবী হোক’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রকাশিত ফুটেজে আরও দেখা যায়, বড় বড় অভিবাসী দল ব্রেকওয়াটার অতিক্রম করে সেউতার সড়কে উঠে আসছে। অন্যদিকে স্পেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে, অনেকেই স্থলসীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া টপকেও শহরটিতে প্রবেশ করেছেন।

উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের দুটি স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতা ও মেলিলা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আফ্রিকার একমাত্র স্থলসীমান্ত। উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে প্রবেশ করতে চাওয়া অভিবাসীদের জন্য এই দুটি শহর দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত।

চলতি মাসের শুরুতে স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, সেউতা বা মেলিলায় পৌঁছানোর চেষ্টাকালে সমুদ্রে আটক হওয়া অভিবাসীদের মরক্কোতে ফেরত পাঠানো যাবে না। আদালতের ওই রায়ের পর অভিবাসীদের প্রবেশের গতি কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ‘হঠাৎ বিস্ফোরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্পেনের নিরাপত্তা বাহিনী গার্ডিয়া সিভিল-এর এক মুখপাত্র।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা মরক্কো সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুযোগ নিয়ে মানবপাচারকারী চক্রগুলো অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এদিকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কার শুক্রবার সেউতা সফরের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top3

বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের জন্য জারি করা ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) হালনাগাদ করে সতর্কতার মাত্রা এক ধাপ কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন মূল্যায়নে বাংলাদেশকে লেভেল-৩ (ভ্রমণের আগে পুনর্বিবেচনা করুন) থেকে লেভেল-২ (অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে ভ্রমণ করুন) পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে আগের তুলনায় ভ্রমণের জন্য আরও নিরাপদ দেশ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

সরকারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গরের বৈঠকের পর বিষয়টি জানানো হয়। বৈঠক শেষে সার্জিও গর খুদে বার্তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভ্রমণ সতর্কতার স্তর কমানোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও স্থিতিশীলতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তে থাকা আস্থার প্রতিফলন। এতে আরও বলা হয়, গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে। পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে যাওয়ারও ইঙ্গিত বহন করে।

সরকারের মতে, ভ্রমণ সতর্কতায় এই পরিবর্তন দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে নেওয়া পদক্ষেপের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

Continue Reading

top3

ইবিতে তরুণ কলামের ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইইআর ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নূর সানজিদা স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রোখসানা খাতুন ইতি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটং সোসাইটির সভাপতি শুয়াইব হোসেন, তারুণ্য সংগঠনের সভাপতি ইমন হোসেন, আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ সাগর, ক্যাপ সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া। এছাড়াও তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় লেখকদের নানাবিধ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং সকল বিদায়ী লেখকদের বিদায়ী ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

ইবি শাখা সাধারণ সম্পাদক রবিউস সানি জোহা বলেন, “আজকের এই আয়োজন তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা, মনন ও লেখনীকে আরও বিকশিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন সবসময় জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল লেখক তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সেইসাথে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা- লেখালেখি, সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে সামনে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে এই আশা রাখি।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইবি শাখার সভাপতি মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের তরুণ লেখকেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা জটিল ইস্যু, সমাধান এবং সমাজের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত পত্রিকায় কলাম লিখে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন। তরুণদের এই লেখনী-স্পৃহাকে আরও শাণিত ও উজ্জীবিত করতেই আমাদের এই ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান ২০২৬’-এর আয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ ও সমাজ-সংস্কারমূলক লেখালিখিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পরপর ৬ বার বর্ষসেরা শাখা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

Continue Reading

Trending