Connect with us

আইন-শৃঙ্খলা

চাদর মুড়ি দিয়ে জামায়াত আমিরের নির্বাচনি বুথে আগুন, ধরা পড়ল সিসি ফুটেজে

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি বুথে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে এ নাশকতা চালানো হয়।

দলটি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর ৪টার পর ঢাকা-১৫ আসনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ ও ৩ নম্বর রোড এলাকায় অবস্থিত জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনি বুথে আগুন দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ভোর ৪টা ২৬ মিনিটের দিকে এক ব্যক্তি চাদর মুড়ি দিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। এরপর সে বুথের ভেতরে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

আগুনে বুথটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর নির্বাচন চাই। কিন্তু কেউ যদি পরিবেশ নষ্ট করে কিংবা কোথাও বাধা দেয় তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন, কারও সাধ্য নাই ঠেকানোর: আইজিপি

Published

on

By

এবারের নির্বাচন ইতিহাসের সেরা নির্বাচন। এই নির্বাচন কারও ঠেকানোর সাধ্য নাই। সবচেয়ে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে পুলিশ সবধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. বাহারুল আলম।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টায় পুলিশ সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নানান প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। ফ্যাসিস্ট র‌্যাজিমের কিছুটা হুমকি রয়েছে দলীয় ব্যাপার, তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।

Continue Reading

আইন-শৃঙ্খলা

র‍্যাবে গিয়ে পেশাদার খুনি হয়ে ফিরতেন সেনা সদস্যরা

Published

on

By

সেনাবাহিনী থেকে র‍্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠানো হলে তারা পেশাদার খুনি হয়ে ফেরত আসতেন বলে জবানবন্দিতে দাবি করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে শতাধিক মানুষকে গুম-খুনের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। এই প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমাকে যে জিনিসটা সবচেয়ে ব্যথিত করত, তা হলো আমরা সেনাবাহিনী থেকে র‍্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠাচ্ছি আর তারা পেশাদার খুনি হয়ে ফেরত আসছে। এরপর আমি সিদ্ধান্ত দিই—র‍্যাব, ডিজিএফআই এবং বিজিবিতে কোনো অফিসার পোস্টিংয়ে যাওয়ার পূর্বে ও পরে আমার ইন্টারভিউতে আসবে। যারা র‍্যাবে যেত তাদেরকে আমি এই বলে মটিভেট করতাম—নরহত্যা মহাপাপ এবং কাউকে হত্যা করলে তার পরিবারের অভিশাপ তোমার পরিবারের ওপর পড়বে।

তিনি বলেন, আমি তাদের আরো বলি, একজনকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা অত্যন্ত কাপুরুষোচিত কাজ। সত্যিকারের সাহস হচ্ছে হাত-পা খুলে তার হাতে একটি অস্ত্র দিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া। যারা ফেরত আসত তাদের কাছে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা শুনে আমি সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লাম। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীর র‍্যাব সদস্যদেরকে সেনাবাহিনীতে ফেরত আনার জন্য আবেদন জানাই। তিনি স্বীকার করলেন, র‍্যাব রক্ষীবাহিনীর চাইতেও খারাপ। তিনি কোনো কথা দেননি এবং পরে এ নিয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমি ইন্টারভিউতে আসা অফিসারদের এই বলে সাহস জোগালাম, যদি কাউকে কোনো কিলিং মিশনের জন্য বলা হয় সে যেন আমাকে সরাসরি ফোন করে। আমি তাদেরকে সেনাবাহিনীতে সম্মানের সঙ্গে ফেরত নিয়ে আসব এবং পুনর্বাসিত করব। আমার পাশাপাশি যারা র‍্যাবে নতুন যাচ্ছেন তাদেরকে মিলিটারি সেক্রেটারি মেজর জেনারেল আনোয়ার, ডিএমআই এবং আমার পিএস কর্নেল সাজ্জাদ মোটিভেট করতে থাকেন। কিছুদিন জগলুল আমাকে এসে জানান, মোটিভেশনে কোনো কাজ হচ্ছে না। র‍্যাবে যোগদানের পরে অফিসারদেরকে ডিমোটিভেট করা হচ্ছে। তবুও দুজন অফিসারকে যখন প্রথম রাতেই কিলিং মিশনে যেতে বলে, তারা সেখান থেকে চলে এসে ঢাকা সেনানিবাসের এমপি চেকপোস্টে রিপোর্ট করেন। আমি তাদেরকে সসম্মানে সেনাবাহিনীতে পুনর্বাসিত করি।

সুত্র: আমার দেশ

Continue Reading

top3

ঢাকার দুটি আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ : সেনাবাহিনী

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের ১৮ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে দুটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

নির্বাচনী এলাকার তথ্য জানিয়ে মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, ‘৩টি ক্যাটাগরিতে ভোটকেন্দ্রের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে, সাধারণ, মধ্যম ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যম ও সাধারণ শ্রেণিতে ভাগ করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

এস এম ফুয়াদ মাসরুর বলেন, ‘ঢাকা ১৪ ও ১৬ আসনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনাবাহিনী। কেউ মিথ্যা তথ্য ও গুজব রটিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার তথ্য প্রচারের আগে সাংবাদিকদের প্রাথমিক যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভুল তথ্য বা উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশন না হয়। এ ছাড়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে। কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করছি।

Continue Reading

Trending