Connect with us

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

ছাত্রলীগের ১৩ নেতাকর্মী খালাস

Published

on

নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও শ্রমিক লীগের বর্তমান সদস্য সচিব রইজ আহমেদ মান্নাসহ ১৩ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরুন নাজনীন এ খালাসের আদেশ দেন।

আসামিদের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এসএম আতিকুল ইসলাম রফিক, অ্যাডভোকেট মামুন চৌধুরি, একেএম আমিনুল ইসলাম সেন্টু ও আর্শিব সন্যামত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্না, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রিশাদ আহমেদ নাদিম, লাকুটিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা পারভেজ হাওলাদার, নগরীর চাঁদমারি কলোনির শান্ত ইসলাম, কাউনিয়া এলাকার মেহেদী হাসান সম্পদ, একই এলাকার মিজানুর রহমান শাওন, মামুন হাওলাদার, আল আমিন হাওলাদার, রাসেদ হাওলাদার, কাউনিয়া প্রথম গলির ইমরান হোসেন সজিব ও জানুকিসিংহ রোডের ফাহিম। তারা সবাই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

বেঞ্চ সহকারী জানান, ২০২৩ সালের ১৪ মে রাতে নগরীর কাউনিয়া মহাশ্মশানের সামনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর চার কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৩ জনকে আটক করা হয়। পরে আহত মনা আহম্মেদ বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

হাসনাত আব্দুল্লাহর হস্তক্ষেপ, সুখবর দিল নবীন ফ্যাশন

Published

on

By

ফের চালু হচ্ছে নবীন ফ্যাশন। বুধবার (২৫ মার্চ) প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুকে পেজে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ঈদের আগের দিন রাজধানীর মগবাজারে নবীন ফ্যাশনের একটি শাখা জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুক পেজে জানানো হয়, মগবাজার শাখা ব্যতীত দেশের অন্যান্য সব শাখায় টানা ১৫ দিনব্যাপী ঈদ উৎসব চলবে। এ সময় ক্রেতাদের জন্য থাকবে বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফার ও বিশেষ আয়োজন।

নবীন ফ্যাশন জানায়, ‘জনাব হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি এবং বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জনাব হেলাল সাহেবের উদ্যোগে অন্যান্য শাখাগুলো সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।’ যদিও এ বিষয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক চীন থেকে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে ক্রেতাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে থাকা নবীন পাঞ্জাবির মালিক এনামুল হাসান নবীন ঢাকা ছাড়েন। মঙ্গলবার রাতে তিনি তার ফেসবুক আইডিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছবি যুক্ত করে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই ছবিতে এনামুল হাসান নবীনসহ তার আরও কয়েকজন সঙ্গীকে দেখা গেছে।

ফেসবুক পোস্টে এনামুল হাসান নবীন লিখেন, ‘সিংহের মতো বাঁচতে চাই। কিন্তু সিন্ডিকেটের গুলিতে সন্তানদের এতিম করতে চাই না। তাই দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে হয়তো একদিন দেশে ফিরব ইনশাআল্লাহ।’

এদিন মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সেখানেও দেশ ছাড়ার ঘোষণা দেন নবীন ফ্যাশনের মালিক। 

সংবাদ সম্মেলনে এনামুল হাসান নবীন বলেন, আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকের কাছে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা। এর কারণে যদি আমাদের বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাহলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দেব। আমি আবার প্রবাসে ফিরে যাব। আমার মনে হয় বাংলাদেশে ব্যবসা করা হবে না। তবে, ৪ হাজার ৫০০ টাকার নিচে পাঞ্জাবি এবং ১ হাজার ৫০০ টাকার নিচে পাজামা বিক্রি করা যাবে না বলে তাদেরকে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া এই সিন্ডিকেট সবসময় বাজার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বলেও অভিযোগ করেন। 

তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের ফোন দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে যে, সব শোরুম বন্ধ করে দেব, যদি ভিডিও ডিলিট না করো। আমরা তো ভিডিও করিনি, আমাদের এক গ্রাহক ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়েছে, সেখান থেকে সংবাদকর্মীরা ভিডিওগুলো নিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সম্পূর্ণ গরিব, দুঃখী, অসহায়দের মাঝে আমরা বিতরণ করে থাকি। ব্যবসার লাভ্যাংশ দিয়ে আমরা গরিব, দুঃখী, অসহায়দের খাবার বিতরণ করে থাকি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থাকি। তারপর থেকে আমরা সবসময় মিডিয়ার আড়ালেই থেকেছি। কখনোই সামনে আসিনি।

Continue Reading

top1

জ্বালানি সংকটে সারা দেশে পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা

Published

on

By

জ্বালানির তীব্র সরবরাহ ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার রাতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত ‘করুণ’। তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

এতে আরও বলা হয়, পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে পাম্পগুলোতে আসা মোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের ব্যবহারকারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে বিরক্ত ও তিক্ত হয়ে পড়ছেন। এর ফলে তেল সরবরাহকারী কর্মীদের (নজেলম্যান) সঙ্গে গ্রাহকদের প্রায়ই কথা কাটাকাটি ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিরামহীন ডিউটি এবং উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে কর্মীরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সরবরাহ নিশ্চিত না হলে যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

Continue Reading

top1

বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বাড়লেও আমরা বাড়াইনি: অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশে তেলের দাম বাড়লেও আমরা বাড়াইনি। আজ রোববার সকালে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ যদি দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে চাপটা বাড়তে থাকবে। সেই চাপটা আল্টিমেটলি জনগণের উপর আসবে যেভাবে বিশ্বব্যাপী আসছে। সেটা বাংলাদেশেও আসবে। সংযমও আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। সংযমের মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে। কারণ যুদ্ধ তো আমাদের হাতে না। যুদ্ধ হচ্ছে অন্য জায়গায়। এটা তো বিশ্বব্যাপী একটা চ্যালেঞ্জ। তার মধ্যে বাংলাদেশের নতুন সরকার এবং সবচেয়ে সমস্যা যেটা হচ্ছে, যে অর্থনীতি হাতে নিয়েছি এটা একটা সার্বিকভাবে নিম্নগামী অর্থনীতি।

‘তার মধ্যেও আমি মনে করি আমরা এই পর্যন্ত যে ম্যানেজমেন্ট সরকারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে আপনারা লক্ষ্য করেছেন এর মধ্যে কিন্তু তেলের দাম বাড়ানো হয় নাই। বিশ্বের অনেক দেশে কিন্তু তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা কিন্তু তেলের দাম এখনো বাড়াই নাই। এবং আপনারা লক্ষ্য করবেন তেলের সরবরাহ এই ঈদের সময় যানবাহন পরিবহন তেলের কারণে কেউ আটকে ছিল না। পরিবহন ব্যবস্থা সচল ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্থনীতি এখনও আমরা মনে করি জনগণের উপর সেই রকম চাপ সৃষ্টি হয় নাই। তবে এটা কঠিন সময় আমাদের স্বীকারই করতে হবে। একে তো অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি এবং সাথে সাথে এই যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে সেটার কারণে অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এবং এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে চাপটা আরও বাড়তে থাকবে।’

Continue Reading

Trending