Connect with us

top1

জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানি করতে চায়

Published

on

দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি গ্যাস আমদানি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সারা দেশে বিপণনের পরিকল্পনা চলছে।

তবে কবে নাগাদ এই আমদানি করা হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করতে পারেনি বিপিসি অথবা জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলপি গ্যাস আমদানির অনুমতি চেয়ে বিপিসি গত শনিবার জ্বালানি বিভাগে চিঠি পাঠায়। গতকাল বুধবার বিপিসি সেই অনুমোদন পেয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াবের একজন কর্মকর্তা।

দেশে মাসে প্রায় দেড় লাখ টন এলপি গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এলপি গ্যাসের বাজার প্রায় পুরোটাই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর। বিপিসি মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাজারের অংশীদার। গত নভেম্বর ও ডিসেম্বরে কয়েকটি কোম্পানি এলপি গ্যাস আমদানি করতে না পারায় প্রায় এক মাস ধরে দেশব্যাপী সরবরাহ সংকট চলছে। সেই সুযোগে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তা-ও পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও এলপি গ্যাসের দোকানগুলো সিলিন্ডারশূন্য, আবার অনেক দোকান বন্ধ রয়েছে।

এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে চলতি মাসের শুরু থেকে সরকারের একাধিক সংস্থা দফায় দফায় বৈঠক করেছে। বেসরকারি কোম্পানির আমদানির ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে সংকট শিগগির কেটে যাওয়ার কোনো আভাস মিলছে না।

বিপিসির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিপিসির নিজস্ব পর্যায়ে এলপিজি সংরক্ষণ ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (যেমন: জেটিভিত্তিক পাইপলাইন, ফ্লোমিটার, স্টোরেজ ট্যাংক) নেই। তবে দেশে বিদ্যমান বেসরকারি এলপিজি অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো কুতুবদিয়া গভীর সমুদ্র এলাকায় এলপিজি বহনকারী জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস এবং পরে নিজস্ব টার্মিনালে সংরক্ষণ করে। বিপিসিও সেই পদ্ধতিতে আগ্রহী বেসরকারি অপারেটর প্রতিষ্ঠানের লাইটারিং জাহাজ ব্যবহার করে এলপিজি খালাস ও বণ্টনের ব্যবস্থা নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে লোয়াবের সঙ্গে আলোচনা করে আগ্রহী অপারেটর প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি, কী পরিমাণ এলপিজি আমদানি করতে হবে, তা নিরূপণ, মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি, খালাস ও বণ্টন প্রক্রিয়াসংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারণ করা যেতে পারে। অতীতে দেশে জ্বালানি তেলের আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধি বা সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে বিপিসির তালিকাভুক্ত (জি-টু-জি) সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে অতিরিক্ত আমদানির নজির রয়েছে। একইভাবে বিপিসির তালিকাভুক্ত জি-টু-জি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব এ কে এম ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সরকার হয়তো আনুষ্ঠানিক কিছু জানাবে।

লোয়াবের মহাসচিব মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার জানান, গতকালই বিপিসি এলপি গ্যাস আমদানির জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে বলে জেনেছেন। একই দিন বিইআরসিও এক দফা বৈঠক করেছে। আজ আবারও আলোচনা হবে। বিষয়টি কিছুটা জটিল। কোন কোম্পানির কতটা চাহিদা, এসব নিরূপণ করেই পরে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বকাপ শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ছাপিয়ে এখন বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি। এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ফিফার ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে, আর এই উত্তপ্ত বিতর্কেই এবার ঘি ঢালল ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

মঙ্গলবার একদল ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ উদ্যোগ শুরু করেছেন। তাদের মূল লক্ষ্য—মার্কিন প্রশাসনের কোনো অনৈতিক চাপ এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছিল কি না, তা নিশ্চিত করা। ওই চিঠিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ফিফার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পেছনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে একটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আমরা মনে করি, ইউরোপীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো—যারা প্রত্যেকেই ফিফার সদস্য—তাদের এখন হস্তক্ষেপ করার এবং বালোগানের মামলার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানানোর উপযুক্ত সময় এসেছে।’

গত সপ্তাহে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে একটি বিতর্কিত লাল কার্ড পেয়েছিলেন বালোগুন। নিয়ম অনুযায়ী, লাল কার্ডের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা। ফলে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের নকআউটে তার বেঞ্চেই বসে থাকার কথা ছিল। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন যে, তিনি বালোগুনের লাল কার্ড নিয়ে ইনফান্তিনোকে ফোন করেছিলেন। ট্রাম্প সেই লাল কার্ডকে ‘অন্যায়’ বলে অভিহিত করলেও দাবি করেন যে, তিনি এর বিনিময়ে কোনো সুবিধা চাননি। এরপরই ফিফা একটি বিতর্কিত আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে—যা বিশ্বকাপে লাল কার্ড প্রথা চালুর পর থেকে আজ পর্যন্ত কখনো ঘটেনি! 

Continue Reading

top1

মিশরের গোলে খুশি হওয়ায় ব্রাজিল সমর্থকের নাক ফাটালো আর্জেন্টিনা সমর্থক

Published

on

By

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আর্জেন্টিনা–মিশর ফুটবল ম্যাচ দেখা নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের দুই সমর্থক আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ব্রাজিল সমর্থক মাঈনুদ্দিন মিঠুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার কাঁটাছড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তেতৈয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ব্রাজিল সমর্থক মাঈনুদ্দিন মিঠু (৩৫) এবং আর্জেন্টিনা সমর্থক মোহাম্মদ সাকিব (২০)।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, রাতে আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচ চলাকালে মিশর গোল করলে ব্রাজিল সমর্থক মাঈনুদ্দিন মিঠু উল্লাস প্রকাশ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থক সাকিবের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে মাঈনুদ্দিন মিঠুর নাকে গুরুতর আঘাত লাগে এবং সাকিব মাথায় আঘাত পান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজু সিংহ জানান, মধ্যরাতে খেলা নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার নাকে গুরুতর আঘাত ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল

Published

on

By

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ বাড়াতে নকআউট পর্বের চূড়ান্ত চার ম্যাচের জন্য নতুন ফুটবল উন্মোচন করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতায় এবারও সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের জন্য আনা হয়েছে বিশেষ বল ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’।

জমকালো এই বলটির সোনালি ও কালো রঙের বিশেষ নকশা টুর্নামেন্টের শেষভাগের মহোৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন বলের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে এর নকশা ও রঙে এসেছে ভিন্নতা। কালো বেসের ওপর সোনালি রঙের প্রাধান্য রয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী ইঙ্গিত বহন করে। এর সঙ্গে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ।

বলটির প্যানেলে লেখা থাকবে টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহরের নাম-ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি। অন্য আয়োজক শহরগুলোর নাম থাকবে বলের গায়ে থাকা ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক্সে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে বলটিতে আগের মতোই থাকছে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বলের ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর চিপ রিয়াল-টাইম বা তাৎক্ষণিক ডেটা সরাসরি ম্যাচ রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে, যা সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমকে আরও নির্ভুলভাবে অফসাইড এবং নিখুঁত বল-টাচ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বল বদলানোর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে শুধু ফাইনালের জন্য আলাদা বল আনা হয়েছিল। আর ২০০২ সালের আগে বিশ্বকাপের মাঝপথে বল পরিবর্তনের নজির ছিল না।

Continue Reading

Trending