Connect with us

রাজনীতি

জামায়াতকে ভোট দেবেন আ’লীগের ৩০ শতাংশ সমর্থক

Published

on


জামায়াতকে ভোট দেবেন আ’লীগের ৩০ শতাংশ সমর্থক: জরিপ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশ বিএনপির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। এ ছাড়া আগে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতেন এমন ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার জামায়াতকে, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ভোট দেবেন।

‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক মতামত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) ও বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক অপিনিয়ন স্টাডিজ একসঙ্গে এই জরিপ করেছে। প্রতিবেদনের মূল ফলাফল উপস্থাপন করেন সিআরএফের স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেটর জাকারিয়া পলাশ।

প্রতিবেদনে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, নেতৃত্ব সম্পর্কে ধারণা এবং নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে জনমত বিশ্লেষণ করা হয়। স্ট্রাটিফাইড র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং পদ্ধতিতে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মোট ১১ হাজার ৩৮ জন ভোটার অংশ নেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পেছনের ইতিহাস নিয়ে আর কামড়াকামড়ি করবো না: জামায়াত আমির

Published

on

By

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পেছনের ইতিহাস নিয়ে আর কামড়াকামড়ির রাজনীতি করা হবে না। তিনি বলেন, ‘কে তুলসীপাতায় ধোয়া, কে দুধে ধোয়া—টান দিলে সবার গা থেকেই দুর্গন্ধ বের হবে। এখন আমরা সবাই একই বাগানের ভিন্ন ভিন্ন ফুল।’

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নাটোরের নবাব সিরাজ–উদ্‌–দৌলা সরকারি কলেজ মাঠে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যর জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই মিলেই আমরা একটি ফুলের বাগান। একসঙ্গে চলব, নিরাপদে থাকব। যার যেটা অধিকার, সে সেটা পাবে। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার দেশের প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আল্লাহ যদি আমাদের সাহায্য করেন, তাহলে সেই টাকা উদ্ধার করে রাজকোষে জমা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব কাজ করবে না। ‘কোনো মামু-খালা দেখা হবে না। লাল–নীল টেলিফোন বুঝি না। প্রেসিডেন্ট–প্রধানমন্ত্রীও বুঝি না। যার যেটা পাওনা, তাকে সেটা ইনসাফের ভিত্তিতে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। বাংলাদেশ ভালো না থাকলে কেউ ভালো থাকতে পারব না। ৫৪ বছরে এক এক করে তিনটি দল দেশ শাসন করেছে। তারা কী শাসন উপহার দিয়েছে, তা বিচার করলেই তাদের আর ভোট দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।’

তিনি দাবি করেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম ইতিমধ্যে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণরা বলে দিয়েছে—তারা ন্যায় ও সত্যের পক্ষে লড়াই করেছে, কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের সঙ্গী হতে নয়।’

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মদিনার আদলে শান্তি ও সাম্যের সমাজ উপহার দিতে চাই। যেখানে নারীদের দিকে কেউ বাঁকা চোখে তাকানোর সাহস করবে না। আমার মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েরা নিরাপদে ঘরে ও বাইরে চলাফেরা করবেন, কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করার প্রয়োজন হবে না।’

জনসভা শেষে শফিকুর রহমান নাটোরের চারটি সংসদীয় আসনে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন

Continue Reading

রাজনীতি

এনসিপিতে যোগদান করল পীরগাছা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

Published

on

By

রংপুরের পীরগাছায় রাজনীতির মাঠে চমক সৃষ্টি করে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অন্তত ৫০ থেকে ৫৫ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নের সেচাকান্দি এতিমখানা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এই যোগদান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের (কাউনিয়া-পীরগাছা) শাপলা কলির প্রার্থী আখতার হোসেন।

এ সময় বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে আগত নেতাকর্মীদের মধ্যে পারুল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আবু রায়হান, আব্দুল গফুর, ইমান আলী, ছাত্র সমাজের সভাপতি মিজানুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির নেতা বাদশা মিয়া, মিনহাজুল ইসলাম, রোস্তম খান ডিপজল, আব্দুল খালেক, ময়নুল ইসলামসহ অনেকে এনসিপিতে যোগ দেন।

এছাড়াও সোহেল রানা, আশরাফ আলী, আব্দুর রশিদ, হাসান মিয়া, হাবিজার রহমান, আফতাব হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তারসহ মোট ৫০–৫৫ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক দলটির শাপলা কলি প্রতীকের ব্যানার হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন।

যোগদানকারী নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না থাকায় তারা নতুন রাজনৈতিক ধারার দিকে ঝুঁকেছেন। তাদের মতে, দেশের রাজনীতিতে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব রাজনীতির বিকল্প নেই, আর এনসিপি সেই বিকল্প শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

তারা আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে গড়ে ওঠা এনসিপির লক্ষ্য একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলো জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ নতুন নেতৃত্ব ও নতুন রাজনীতির দিকে তাকিয়ে আছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আখতার হোসেনকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাতে তারা মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই যোগদান প্রমাণ করে দেশের মানুষ পরিবর্তনের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। আগামী দিনে আরও বহু নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমির বজলুর রশিদ মুকুলসহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ-১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

‘জাতীয় সরকার’ গঠনে আমরা ইতিবাচক, দ্য উইককে ডা. শফিকুর

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত একটি প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল, যা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের নীতিমালা ধারাবাহিকভাবে পরিমার্জন করে আসছে। তিনি বলেন, জামায়াত সবসময়ই গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। সাক্ষাৎকারে তিনি জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের বিষয়ে জামায়াত ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে *দ্য উইক*-এর দিল্লি ব্যুরোপ্রধান নম্রতা বিজি আহুজার প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রথাগত নির্বাচনি রাজনীতির বাইরে থাকলেও জামায়াত কখনোই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্রতীকে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে জামায়াত শিখেছে—গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য কতটা জরুরি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই সময় জামায়াতকে আরও শক্তিশালী করেছে। সংগঠনের কাঠামো মজবুত করা হয়েছে, শৃঙ্খলা আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ গভীর হয়েছে। একইসঙ্গে সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে কার্যত নিষিদ্ধ অবস্থার মধ্যেও জামায়াত সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। বর্তমানে দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দুর্নীতি ও অপশাসনের বিকল্প হিসেবে জামায়াতের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতপন্থি ছাত্র সংগঠনের সাফল্য এ আগ্রহের প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এখন কেবল একটি আদর্শিক দল নয়; বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দেশ গঠনের অংশীদার করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দলটি নির্দিষ্ট কোনো আদর্শের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। জামায়াত বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন করেছে দলটি। তবে বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে তারা ইতিবাচক।

তিনি জানান, জোটবদ্ধ রাজনীতির ক্ষেত্রে জামায়াতের তিনটি মূলনীতি রয়েছে—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতি।

নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মানবিক মর্যাদায় বিশ্বাসী। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থীকে মনোনয়নের কথা উল্লেখ করেন। তবে আসন বণ্টন ও জোটগত সমীকরণের কারণে এবার নারী প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি। জোটের নারী প্রার্থীদের জামায়াত পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের নারী জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার নজিরও তুলে ধরেন।

অতীতের বিতর্ক প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জামায়াতের কোনো সদস্যের কারণে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

Continue Reading

Trending