Connect with us

top1

জামায়াত জোটে যাচ্ছেন কর্নেল অলি

Published

on

জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের মেরুকরণ ঘটতে যাচ্ছে। বিএনপির দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এবার জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিচ্ছেন।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র মতে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটে অলি আহমদের এলডিপি ছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও থাকছে।

এনসিপিকে অন্তত ৩০টি আসন দেওয়া হচ্ছে এবং ইসলামী আন্দোলনও কাছাকাছি সংখ্যক আসন পাচ্ছে। এলডিপিকে ৬টি আসন ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এছাড়া এবি পার্টি ৩-৪টি আসন পেতে পারে।

এদিকে জোটের স্বার্থে জামায়াত তাদের বেশ কিছু আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করছে। ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ) আসনে রাওয়ার সভাপতি কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আবদুল হক এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদেরের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হচ্ছে। বিকেলের সংবাদ সম্মেলনে আরও কিছু চমকপ্রদ ঘোষণা আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু পাকিস্তানের, নিহত ১৩৩

Published

on

By

আফগানিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার জেরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান।

‘অপারেশন গজব-লিল হক’ নামের এ অভিযানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৩৩ জন আফগান সেনা নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের বিমান বাহিনী (পিএএফ) ও স্থলবাহিনী যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে হামলা চালিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাকাণ্ড এবং কয়েকজনকে অপহরণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-এর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি এ তথ্য জানান।

তার পোস্ট অনুযায়ী, রাত ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে আফগানিস্তানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান ও স্থল হামলা শুরু হয়। রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

পাকিস্তানের সামরিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, অভিযানে আফগান বাহিনীর ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি দুটি সেনা সদরদপ্তর, তিনটি ব্রিগেড বা ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দুটি গোলাবারুদের গুদাম, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, তিনটি ব্যাটালিয়ন সদরদপ্তর এবং দুটি সেক্টর হেডকোয়ার্টার ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ৮০টির বেশি ট্যাংক, আর্টিলারি গান ও সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণের ঘটনায় ৮০ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল।

সে সময় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ দপ্তর Inter-Services Public Relations (আইএসপিআর) জানায়, অভিযানের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী Tehreek-e-Taliban Pakistan (টিটিপি)-এর ঘাঁটি। তাদের দাবি, নিহতরা টিটিপির সদস্য।

তবে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান প্রশাসন এ অভিযোগ অস্বীকার করে। তালেবান সরকারের বক্তব্য ছিল, জঙ্গিঘাঁটি নয়—বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইনের কাছে পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লা মুজাহিদ সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, তাদের যোদ্ধারা নাইট ভিশন ও লেজারনিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে ওই হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

সীমান্তে ওই হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে। দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

Continue Reading

top1

গভর্নর মনসুর এমন বিদায় ‘ডিজার্ভ’ করেন না: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা পর্যালোচনা কমিটির সদস্য ও সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এমন ‘অসম্মানজনক’ বিদায় প্রাপ্য ছিলেন না। তার মতে, যোগ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে এমন আচরণ চললে ভবিষ্যতে সংকটের সময় কোনো দক্ষ মানুষ দেশের হাল ধরতে আসবে না।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত ছয় সদস্যের পর্যালোচনা কমিটির সদস্য হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য সেখানে তুলে ধরেন তিনি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, রিজার্ভ চুরির তদন্তে তার মূল ভূমিকা ছিল কারিগরি নিরাপত্তা রিভিউ করা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট সার্ভার রুম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে আমরা মোট ২৮টি সুপারিশ দিয়েছি। এর মধ্যে ১৭টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ চলমান। এই পুরো প্রক্রিয়ায় গভর্নর ড. মনসুর অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগী ছিলেন।”

সুইফট সিস্টেমের নিরাপত্তা জোরদারে বিশ্বমানের ‘প্রিভিলেজ এক্সেস ম্যানেজমেন্ট’ (PAM) সফটওয়্যার ব্যবহারের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তার বিভিন্ন টুলস (SIEM, SOAR, VPN, XDR) ব্যবহারের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুইফট টিম তা পালনের লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও তিনি জানান।

ড. মনসুরের মেয়াদে সামষ্টিক অর্থনীতির অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৩ বিলিয়ন ডলারের নেট রিজার্ভ থেকে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ২৯ বিলিয়ন ডলারে (গ্রস ৩৫ বিলিয়ন) উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে। ৩৬ মাস ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে ৭ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে।”

৫ লক্ষ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও প্রায় ২০টি দেউলিয়া ব্যাংক নিয়ে যাত্রা শুরু করে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আসায় সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও ড. আহসান এইচ মনসুরের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

তবে গভর্নরের বিদায়ের পর এই সংস্কার কাজগুলো থমকে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, “গভর্নর পরিবর্তন হওয়ায় সুইফট এবং আইটি সিস্টেমের ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত কাজগুলো যেন আটকে না যায়।”

নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্কবাণী দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি নলেজ-ড্রিভেন ফাইনান্সিয়াল রেগুলেটর হতে হবে। এখানে ডিজিটাল কারেন্সি ও ফিনটেক বোঝার মতো নেতৃত্ব লাগবে। কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট আছে এমন কাউকে বা বড় খেলাপিদের সুবিধা দেওয়া ব্যক্তিদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর বিপদসমূহ বিবেচনা করা উচিত।”

বাংলাদেশের পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে নিজের হতাশার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন রোডম্যাপে আরও ইনপুট দেওয়ার সুযোগ ছিল, যা তৈরি হয়নি। সময় থাকতে নীতিনির্ধারকদের কাণ্ডজ্ঞান প্রয়োগ করা উচিত।”

Continue Reading

top1

একুশে বইমেলাকে ‘আন্তর্জাতিক’ করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

অমর একুশে বইমেলাকে আগামীতে ‘আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজন করা যায় কি না, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

তারেক রহমান বলেন, “বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে এটি আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ আছে কি না, সেটি আমি আপনাদের ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব।”

আন্তর্জাতিক পরিসরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হলে দেশের নাগরিকরা বিশ্ব সাহিত্যের পাশাপাশি বহু ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সমৃদ্ধি ও সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। একইসঙ্গে বাংলাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্যও কাজ শুরু করা প্রয়োজন।”

৫২-এর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বইমেলা কেবল কেনাবেচার মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।

বইমেলা কেবল ফেব্রুয়ারি মাসে বা ঢাকাতে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আয়োজনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রকাশকদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

তরুণ প্রজন্মের মেধা বিকাশে বাংলা একাডেমির নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সমৃদ্ধ সাহিত্যকে ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় অনুবাদের কাজ আরও বেগবান করা হবে।

বক্তব্যের শেষ দিকে নিয়মিত বই পড়ার বৈজ্ঞানিক উপযোগিতা তুলে ধরে তারেক রহমান এক জার্মান দার্শনিকের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, “বই ছাড়া ঘর, আত্মা ছাড়া দেহের মতন।”

গবেষণার তথ্য দিয়ে তিনি জানান, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।

একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

Continue Reading

Trending