Connect with us

top1

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে জামায়াত নেতাদের ঈদ উদযাপন

Published

on

ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানাতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তাদের বাসভবনে গিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দিনভর এই বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের নেতারা শহীদদের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এই বিশেষ গণসংযোগ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি। তার সাথে দিনভর এই কার্যক্রমে আরও অংশ নেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির এবং অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং ড. আব্দুল মান্নান। মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম এবং মহানগরী সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও এই সময় শহীদদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

নেতৃবৃন্দ তাদের এই শুভেচ্ছাসফরের অংশ হিসেবে সকালে প্রথমে রাজধানীর পল্টন এলাকায় যান। সেখানে তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ কামাল মিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর দুপুরের দিকে নেতারা ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছান। সেখানে আন্দোলনের অগ্রভাগের শহীদ আসলাম, শহীদ আরিফ, শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন, শহীদ জিহাদ এবং শহীদ জাহাঙ্গীর আলমের বাসভবনে গিয়ে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দীর্ঘ সময় কাটান।

যাত্রাবাড়ীর পর জামায়াত নেতারা কুতুবখালী এলাকায় যান এবং সেখানে শহীদ নাঈম হাওলাদার, শহীদ শাকিল ও শহীদ নাছির উদ্দিনের পরিবারের খোঁজখবর নেন। সবশেষে নেতৃবৃন্দ মোকাররম মসজিদ ও শেখদী এলাকায় গিয়ে শহীদ নুর হোসেন, শহীদ জিহাদ হোসেন, শহীদ আহমদ আবদুল্লাহ, শহীদ জাহাঙ্গীর খাঁ, শহীদ রবিন মিয়া এবং শহীদ আব্দুল হান্নানের বাসায় পৌঁছান। সাক্ষাৎকালে নেতারা প্রতিটি শহীদ পরিবারের সার্বিক অবস্থা, বর্তমান পরিস্থিতি ও তাদের নানা প্রয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি তাদের হাতে ঈদ উপহার ও বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেওয়া হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ ১৫ দলের কারো সঙ্গে খেলতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিটও লিওনেল মেসিরা। কিন্তু বিশ্বকাপের এবারের আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও এখনও শক্তিশালী কোনো প্রতিপক্ষের সামনে পরেনি আর্জেন্টিনার।

শুধু তাই নয়, ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১৫–এর একটি দলেরও মুখোমুখিও হতে হয়নি বিশ্বকাপের বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। আর সেই সম্ভাবনাই এখন ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল আলজেরিয়া (র‌্যাঙ্কিং ৩৩), অস্ট্রিয়া (২৩) ও জর্ডান (৬৩)। এরপর রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দে (৬৯) এবং শেষ ষোলোতে মিশরকে (৩২) হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল।

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড, বর্তমানে তারা ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ১৯ পজিশনে আছে । অন্যদিকে সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণে নরওয়ে যদি ইংল্যান্ডকে বিদায় করে সেক্ষেত্রে শেষ চারে ৩০তম স্থানে থাকা নরওয়েকে পাবে আর্জেন্টিনা।

এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। কেউ বলছেন, এটি নিছক ড্র ও নকআউট পর্বের স্বাভাবিক সমীকরণ। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম সহজ পথ পেয়েই কি ফাইনালের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা?

তবে ফুটবলের বাস্তবতা ভিন্ন কথাও বলে। র‌্যাঙ্কিং যতই কম হোক, নকআউট পর্বে কোনো প্রতিপক্ষই সহজ নয়। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচ। একসময় ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হয়েছে তাদের।

পরিসংখ্যানও দেখাচ্ছে, এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার পাঁচ প্রতিপক্ষের গড় ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রায় ৪৪। তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল ২৩তম স্থানে থাকা অস্ট্রিয়া। অর্থাৎ ফাইনালের পথে এখনও পর্যন্ত শীর্ষ ২০-এর কোনো দলও তাদের সামনে আসেনি।

Continue Reading

top1

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা জাবেরের

Published

on

By

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল জাবের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর ওয়ারিশদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ যাচাই করে প্রতিষ্ঠানটি দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (০৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে আব্দুল্লাহ আল জাবের লেখেন, শহীদ ওসমান হাদী শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তিনি তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি।

তিনি লেখেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ‘জনতার আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে গত ছয় মাস ধরে শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাত-পরবর্তী ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালানো হয়। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উৎপাদনশীল কার্যক্রমের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়, যার কিছু এখনো চলমান রয়েছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, শহীদ ওসমান হাদীকে আল্লাহ যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে এবং তাঁর ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষাপটে সব ধরনের দলিল-দস্তাবেজ বিবেচনা করে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আব্দুল্লাহ আল জাবের তার প্রতি সমর্থকদের ভালোবাসা ও আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

আর্থিক হিসাব-নিকাশের বিষয়ে তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ‘ঢাকা-৮’ ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার-সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ থাকায় ওই অংশের হিসাব আপাতত প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তার দায়িত্বকালীন সময়ের অন্যান্য সব হিসাব দ্রুততম সময়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

সবশেষে আব্দুল্লাহ আল জাবের লেখেন, ইনসাফের লড়াই ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের যে স্বপ্ন শহীদ ওসমান হাদী রেখে গেছেন, সেই আদর্শ এগিয়ে নিতে সবার দোয়া কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ঘিরে তার যাত্রা এখানেই শেষ।

Continue Reading

top1

যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫ সামরিক স্থাপনায় হামলা ইরানের

Published

on

By

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছে। একই অভিযানে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, বাহরাইনের সালমান বন্দর, যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সামুদ্রিক এলাকা এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়েছে।

এদিকে ইরানের ৮০টিরও বেশি স্থাপনা হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে করে দুদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পুরোনো অভ্যাস’ অনুসরণ করেছে। তাদের দাবি, বুধবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে।   

Continue Reading

Trending