Connect with us

top1

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

Published

on

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন।

আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৬ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন। পরে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর লেফটেন্যান্ট কর্নেল থাকা অবস্থায় বরখাস্ত হন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতি : সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৬ মামলার সুপারিশ

Published

on

By

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান দল। এতে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একাধিক ঠিকাদারসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপারেডেনস্ প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় মালামাল ক্রয় ও সেবা গ্রহণে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথম মামলায় সুরক্ষা সামগ্রী (KN95, N95 মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস) ক্রয়ের প্যাকেজে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, ADG (Plan & Dev.), অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কাজী শামীমুজ্জামান, Proprietor, jadid automobiles, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মো. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।

দ্বিতীয় মামলায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক বেড ক্রয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ইকবাল কবির, ডা. তাহমিনা জোহরা, অবসরপ্রাপ্ত, এডিজি (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, Proprietor, মেসার্স INSHA TRADE CORPORATION. ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, তৃতীয় মামলায় KN95 মাস্ক ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, মো. সাইফুর রহমান, Proprietor, SRS DESIGN & FASHIN LTD, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক(প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চতুর্থ মামলায় জনসচেতনতা বিষয়ক টিভিসি প্রচার না করেও বিল দেখিয়ে ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পঞ্চম মামলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্ব) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ষষ্ঠ মামলায় করোনা অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সংক্রান্ত সেবা ক্রয়ে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রইসুল কবির, Proprietor, BRAIN STATION 23 LTD, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন।

অনুসন্ধান টিম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও যোগসাজশের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অনুসন্ধান টিমের দাখিল করা প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের জন্য কমিশনের অনুমোদনের উদ্দেশ্যে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। দুদকের পরবর্তী কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মামলাগুলো করা হবে।

Continue Reading

top1

সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

Published

on

By

জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার সময় ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক তাকে সংসদ সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী সংক্ষিপ্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা হয়। আলাপ শেষে ডা. শফিকুর রহমান বিদায় নিতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাকে নিজ কার্যালয় থেকে খানিকটা পথ এগিয়ে দিয়ে সৌজন্য প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই শিষ্টাচার ও রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার এই মার্জিত আচরণ সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ তারই একটি প্রতিফলন।”

সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ত্যাগ করে নিজ দপ্তরে ফিরে যান।

Continue Reading

top1

সংসদে ইনসাফ থাকলে দেশেও কায়েম হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

Published

on

By

জাতীয় সংসদকে ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালনা করা গেলে, দেশেও ইনসাফ কায়েম করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে রবিবার তিনি এ কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে ডা. শফিকুর রহমান নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানান। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “ইতিমধ্যে কালামে হাকিমের একটি আয়াত এবং রসুলে কারিম (সা.)-এর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠজন প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর শাসন আমলের একটি অভিব্যক্তি আপনি এই মহান সংসদে তুলে ধরেছেন, এজন্য আপনাকে মোবারকবাদ। আপনি ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় আমরা সেদিন একদফা আপনাকে অভিনন্দন জানিয়েছি, আজকে আবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি”।

ডেপুটি স্পিকারের নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আজকে আপনি যে মনোভাব এখানে ব্যক্ত করেছেন, বাংলাদেশের জনগণ এটাই কামনা করে। এই সংসদ দেশের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হোক। এই চেয়ারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইনসাফের একটি চেয়ার। এই চেয়ারের জায়গা থেকে আপনি ইনসাফের যে বার্তা দিয়েছেন— নিরপেক্ষভাবেই সবকিছু বিবেচনায় নেবেন এবং যার যেটা পাওনা তাকে সেভাবেই দেবেন; আমি আপনার এই মনোভাবের জন্য আরেকবার অভিনন্দন জানাই”।

দায়িত্ব পালনকালে ডেপুটি স্পিকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা আপনাকে আশ্বস্ত করছি, আপনার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে আমাদের পক্ষ থেকে আপনার নেওয়া সংগত সব পদক্ষেপে আমরা সহযোগিতা করে যাব, ইনশাল্লাহ”।

মানুষ হিসেবে ভুল হলে শুধরে দেওয়ার যে আহ্বান ডেপুটি স্পিকার তার বক্তব্যে জানিয়েছিলেন, তার জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আপনি সহযোগিতা চেয়েছেন, মানুষ হিসেবে ভুল যে কেউ করতে পারে। আপনার এই চেয়ারের জায়গা থেকেও যদি এরকম কিছু হয়ে যায়, আমরা যেন আপনাকে শুধরে দিয়ে সহযোগিতা করি—এই দায়িত্ব আমরা নির্দ্বিধায় নিঃসঙ্কোচে পালন করব, ইনশাল্লাহ।

“আমরা আশা করছি, যদি এই সংসদকে ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালনা করা যায়, তাহলে দেশেও ইনসাফ কায়েম করা সম্ভব হবে”। 

এ সময় ড. শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করেন। বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য শেষে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে ধন্যবাদ জানান।

Continue Reading

Trending