Connect with us

আইন-শৃঙ্খলা

ডেভিল হান্ট ফেজ-২: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার ভেতর গ্রেফতার ৩৫

Published

on

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় অপরাধ দমনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ কার্যক্রম ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’-এর আওতায় ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিএমপির মোট ১১টি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ জন শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানায় ৪ জন করে এবং অন্যান্য থানায় বাকিরা গ্রেফতার হয়। ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

কোতয়ালী থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কোতয়ালী থানা পুলিশ এই থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্ট এর অংশ হিসেবে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে একজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতের নাম— সাব্বির হোসেন (২৪)। লালবাগ থানা পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— শাহীন বাপ্পী শামীম ওরফে সেলিম (২৫) ও আমির হোসেন (২৬)। ডেমরা থানায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম— আক্তার হোসেন (৫৩)। সূত্রাপুর থানায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি— মনা ব্যাপারী (২৭)। মোহাম্মদপুর থানায়— মোঃ হাফিজুল ইসলাম (২৬)। বাড্ডা থানায়— মোঃ সাহেব আলী (২১)।

খিলগাঁও থানায় গ্রেফতার হন চারজন। এরা হলেন— তাজবিন খান (৩২), শরিফুল ইসলাম (২৯), মোঃ ফারুক (৩৫) ও শরিফুল ইসলাম (৫৩)। হাজারীবাগ থানায় তিনজন— সুফল চৌধুরী (৩৫)৷ মোঃ মুন্না (২০) ও মেহেদী হাসান (৩০)। যাত্রাবাড়ি থানায় গ্রেফয়াত্র হন চারজন। এরা হলেন— ইফতেখার রেজা (৪০), মামুন (৩০), রাজিব (২৬) ও শাওন ওরফে সেন্টু (২৮)।

অপরদিকে শেরেবাংলা নগর থানা সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে তারা তিনজনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— এ বি এম মাহমুদুল বসরি (৩০), মোঃ জয়নাল হাওলাদার(৬৩) ও মোঃ সেলিম (৩০)।

এছাড়া শাহবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী অভিযানে গ্রেফতার হন ১৪ জন। এরা হলেন— মোঃ রমজান (১৯), কাউছার আহম্মেদ (৩৩), মোঃ আলম সরদার (৪২), মোঃ আইউব আলী (৩৩), মিজানুর রহমান (৩৮), মোঃ শাহদাত (২৪), এমসার ইউনুছ (৪০), মাইখেল চন্দ্র (২৮), আলী আহম্মেদ (২৬), ইয়াহিয়া ফেরদৌস হিটলার (৩০), লিমন (১৯), মোঃ করিম মিয়া (২৬), মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৫) ও মোঃ রমজান আলী (২৪)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের ইতিমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এক দিন আগেই ভাইয়ের বাসায় এসেছিলেন শিরীন শারমিন

Published

on

By

গ্রেপ্তারের এক দিন আগে সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে চাচাতো ভাইয়ের বাসায় স্বামীসহ উঠেছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। বাসাটি তার চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরীর। ৮/এ নম্বর সড়কের সাততলা অ্যাপার্টমেন্টের চারতলার এ/৩ ফ্ল্যাটে আগে থেকেই সাবেক স্পিকারের পরিবারের অন্য কয়েকজন সদস্য থাকতেন। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে ওই বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সাবেক স্পিকার লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। তবে তিনি যে ধানমন্ডির ওই বাসাটিতেই অবস্থান করছিলেন, সে বিষয়ে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। বাড়িটির অন্যান্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দা, নিরাপত্তারক্ষী, তত্ত্বাবধায়কসহ কর্মচারীদের কেউই বিষয়টি জানতেন না। অন্য বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমে খবর দেখে বিষয়টি জানতে পেরে অবাক হয়েছেন বলে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারের এক দিন আগে শিরীন শারমিন ওই ফ্ল্যাটে আসার বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন তার চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আগের দিন তিনি স্বামীসহ আমাদের বাসায় এসেছিলেন। এসে খুব প্রাণবন্ত ছিলেন। আমাদের রান্নাবান্না করতে বলেছিলেন। তার চাওয়া অনুযায়ী রান্নাবান্নাও হয়েছিল।’ এক প্রশ্নের জবাবে মাসুদ চৌধুরী বলেন, ‘এর আগে নানা জায়গায় ছিলেন বলে শুনেছি। তবে কোথায় ছিলেন তা আমরা জানি না।’

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগ ও ডিবি পুলিশের একাধিক সূত্র কালবেলার কাছে দাবি করেছে, নির্বাচনের পরপরই সাবেক স্পিকার ওই ভবনে ওঠেন। তাকে তার এক চাচাতো ভাইয়ের বাসায়, চারতলায় আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্বাচনের আগে তিনি কোথায় ছিলেন, তা আমরা নিশ্চিত নই।

গতকাল দুপুর ১২টায় ধানমন্ডির ৮/এ সড়কে লেকের পাড়ে রবীন্দ্র সরোবরঘেঁষা সেই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, একাধিক নিরাপত্তারক্ষী মূল ফটকে দায়িত্ব পালন করছেন। সাততলা বাড়ির একেবারে নিচতলায় থমথমে পরিবেশ। দায়িত্বরত নিরাপত্তা রক্ষীদের কাছে শিরীন শারমিন চৌধুরীর গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে রিয়াজুল নামে একজন বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কিছু জানি না। গত রাতে যারা এখানে ডিউটি করেছেন, তারা বলতে পারবেন। আমরা তো সকালের শিফটে ডিউটি শুরু করেছি, তাই কিছু বলতে পারব না।’

বাড়িটির তত্ত্বাবধায়ক জাকির হোসেন কালবেলাকে বলেন, ‘উনি (শিরীন শারমিন) এ বাসার চারতলার একটি ফ্ল্যাটে ছিলেন এবং সেখান থেকেই পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। যদিও তাকে গ্রেপ্তারের আগে আমরা জানতাম না, উনি এই বাসায় থাকতেন। কখনো এখানে তাকে দেখিনি।’ কয়েক মাস ধরে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা এসে শিরীন শারমিনের অবস্থানের তথ্য চেয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন বলেও জানান জাকির হোসেন।

ওই বাড়ি এবং আশপাশের বাড়ির একাধিক বাসিন্দা ও নিরাপত্তাকর্মী কালবেলাকে বলেন, সাবেক স্পিকারকে যে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ওই বাড়ির একটি ফ্ল্যাটেই বসবাস করেন পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ডিআইজি। শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান পর এ নিয়ে তারাও অবাক হন। তারা বলছেন, ডিআইজির ওপরতলাতেই আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার।

প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে গ্রেপ্তার অভিযানের বর্ণনা: গতকাল ভোররাত আনুমানিক ৩টার পরে একটি টয়োটা ব্র্যান্ডের সাদা নোয়া কার ও একটি মাইক্রোবাস গিয়ে থামে ওই বাসাটির কাছাকাছি জায়গায়। প্রায় আধাঘণ্টা পরে সেই নোয়া গাড়িতে করে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি কিছুটা দূর থেকে দেখছিলেন পাশের বাসার তত্ত্বাবধায়ক মো. ইউনুস। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘রাতে যখন বৃষ্টি থেমে গেল, তার পরপরই আমাদের বাসা পার হয়ে একটু সামনে এসে দাঁড়ায় নোয়া গাড়ি। গাড়িটি যখন আসে, তখন তো বুঝতে পারিনি। আমি মূলত বুটের শব্দ শুনে বাইরে তাকাই। দেখি যে, ওই গাড়ি থেকে খুবই দ্রুততার সঙ্গে মহিলা পুলিশ নামছে। নেমেই সবাই দৌড়ে ওই বাসার গেটের সামনে চলে গেছে। পরের গাড়িতেও ছিল আরও কয়েকজন পুরুষ ও নারী পুলিশ। সব মিলিয়ে ১৫-২০ জন নারী পুলিশ ছিল। সবাই পুলিশের পোশাক পরা ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘কেউ ওই বাসার ভেতরে ঢুকেছে, আবার কেউ কেউ বাইরে গেটের সামনেসহ বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছিল। আধাঘণ্টা বা পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে দুই গাড়িতে করেই আবার পুলিশ চলে যায়। তবে কাকে ধরে নিয়ে গেছে শুরুতে তা বুঝতে পারিনি।’

Continue Reading

top2

সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন ফের রিমান্ডে

Published

on

By

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে দ্বিতীয় দফায় আরো ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন তার দ্বিতীয় দফায় আরো সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে গত ২৫ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন (২৬ মার্চ) এ মামলা তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

Continue Reading

আইন-শৃঙ্খলা

হত্যা মামলায় কারাগারে আর এস ফাহিম

Published

on

By

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এসব আদেশ দেন।

এর আগে, দুপুরে আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার পক্ষে জামিন আবেদন করলেও তা শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ চায়। নিবেদন মতে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে আগামীকাল জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ২৯ মার্চ বিকালে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরবর্তীতে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করা করেন। এ সময় ভিকটিম মো. ইমরান (৩০) কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের এপ্রিলে গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়।

Continue Reading

Trending