Connect with us

রাজনীতি

তারেক রহমান সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার করেছেন

Published

on

বিএনপি চেয়ারম্যান ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য তারেক রহমান একসঙ্গে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুই নেতার সাক্ষাৎ পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেন, তিনি আমাদের সঙ্গে কমিটমেন্ট করেছেন— আন্তরিকভাবে সবার সঙ্গে ঐক্য, সৌহার্দ্যতার সম্পর্ক তৈরি সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন। আলোচনা অনেক ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই যেন একাকার হয়ে হিংসাপরায়ণতা না রেখে সবার পরামর্শে যেন দেশ পরিচালনা করতে পারি এটাই আমাদের আজকের মূল আলোচনা ছিল।

তারেক রহমানের সব ভালো কাজের সঙ্গে থাকার কথা জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, যদি ইসলাম ও দেশবিরোধী কাজ করে তাহলে প্রতিবাদ করবো।

উচ্চকক্ষ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আলোচনা বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলনের আমির।

দুই নেতার আলোচনায় জুলাই সনদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বলেছি এটা আমাদের কল্যাণের জন্য করা হয়েছে। বিষয়টা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন। তখন বিএনপি মহাসচিব বলেছেন— ‘অনেক জায়গায় আমাদের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, এটা আমরা পার্লামেন্টে দেব; পার্লামেন্টে যদি পাস হয়, তাহলে সেটা আমরা বাস্তবায়ন করব’।

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘৪৫ মিনিট আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে দুই দলের শীর্ষ নেতার মধ্যে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কালচার থেকে বের হয়ে আজকে তারেক রহমান নজির স্থাপন করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন, দেশ গঠনে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি জনবিরোধী, দেশ বিরোধী বা ইসলামি বিরোধী কাজ করে, তাহলে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবো। যদি তা না হয়, তাহলে আমরা প্রতিবাদ করবো।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নোট অব ডিসেন্টের সিদ্ধান্ত গণভোটেই হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম

Published

on

By

নোট অব ডিসেন্টের সিদ্ধান্ত গণভোটের মাধ্যমে হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম জানান, তারা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ রেখে সই করেছেন এবং গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে এই শর্তে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি বলেন, আমরা কিন্তু সই করিনি এবং পরবর্তীতে আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ দেওয়া হয়। যে আদেশের ভিত্তিতে এবারের নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণের রায় সংস্কারের পক্ষে এসেছে, ন্যায়ের পক্ষে এসেছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আজকের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল। এখন সংস্কার পরিষদে এই সনদ এবং গণভোটের আদেশ অনুযায়ী সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, এনসিপি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সংসদে যাচ্ছি, এই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই আমাদের ম্যান্ডেট।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিনে সরকারের আমন্ত্রণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে তারা যমুনায় এসেছিলেন। এনসিপি আগে সনদে সই করেনি কারণ তখন সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হওয়ায় সই করার অর্থ ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

এখন আমার বিদায়ের পালা: প্রধান উপদেষ্টা

Published

on

By

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র-জনতার অনুরোধে ১৮ মাস আগে আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেই। এখন আমার যাওয়ার পালা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিদায়ের দিনে ৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে আপনাদের কিছু কথা বলবো। কি মহা মুক্তির দিন ছিল সেদিনটি। সে কি আনন্দের দিন। বাংলাদেশিরা দেশে-বিদেশে যে যেখানে ছিল আনন্দে চোখের পানি ফেলেছিলো। দৈত্যের গ্রাস থেকে তরুণ ছাত্রছাত্রীরা দেশকে বের করে এনেছিলো। দেশ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু, দেশ সম্পূর্ণ অচল। অচল এই দেশটিকে কীভাবে সচল করা যাবে সেটা ছিল সবার মনে।

অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা ঠিক করলো দেশকে সচল করার জন্য একটি সরকার লাগবে। সরকার গঠন ও চালাবার জন্য তারা আমাকে খবর দিলো। আমি তখন বিদেশে। আমি দায়িত্ব নিতে রাজি না। তারা জাতির প্রতি কর্তব্য পালনের কথা বলে আমাকে রাজি করালো।”

তিনি বলেন, “যারা দেশকে লুটেপুটে খেতো তারাই দেশের এ যন্ত্র চালাতো। তাদের একান্ত অনুগত লোক নিয়ে অভ্যুত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সবাই পালিয়েছে। বড় কর্তা পালিয়েছে। মাঝারি কর্তা পালিয়েছে। অন্যরা ভোল পাল্টিয়েছে অথবা আত্মগোপনে চলে গেছে। কেউ নানাজনের সুপারিশ নিয়ে আসছে, তারা অভ্যুত্থানের গোপন সৈনিক ইত্যাদি। সরকারের ভেতরে যারা পালিয়ে যায়নি তাদের মধ্যে কাকে বিশ্বাস করবো, কাকে করবো না, এটি মহাসংকট হয়ে দাঁড়ালো।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সেই থেকে ১৮ মাস চলে গেছে। অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি আসলো। দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হলো। এই নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ, দেশের সর্বত্র একটা ঈদের পরিবেশ ছিল যা আমাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরকেও আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। হার-জিতই হলো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন। যারা জয়ী হতে পারেননি তারাও মোট ভোটের অর্ধেক পেয়েছেন। যারা জয়ী হতে পারেননি তারা এ জেনে আশ্বস্ত হবেন যে প্রায় অর্ধেক ভোটার আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে। আগামী দিন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, এর মাধ্যমে আমাদের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি হবে।”

Continue Reading

top1

জুলাই সনদে অবশেষে এনসিপির সাক্ষর

Published

on

By


জুলাই জাতীয় সনদে অবশেষে স্বাক্ষর করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সনদে সই করতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় যায়।

প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন জুলাই সনদে সই করেন।

এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অ্যধাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, এনসিপির প্রতিনিধি দলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম মূসা উপস্থিত ছিলেন।

যমুনা থেকে বেরিয়ে ব্রিফিংয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সনদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট ব্যাতিরেকে তার দল স্বাক্ষর করেছে।

সনদে দেরিতে সাক্ষর করলেও এ নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদে সবার শেষে স্বাক্ষর করলেও এই সনদ বাস্তবায়নের জন‍্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, তার জন‍্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ সাত মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। সেদিন ২৪টি দল সনদে সই করে, পরে আরও একটি দল সই করেছে।

তবে এনসিপি জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি, পরেও আর সনদে সই করেনি। যদিও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলে পরবর্তী সময়ে সই করার সুযোগ থাকবে।

সনদে সই না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে তিনটি দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। এক, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ ও এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। দুই, জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। তিন, গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।

এর মধ্যে গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই আদেশের অধীনেই ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট হয়েছে। সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে।

Continue Reading

Trending