Connect with us

আন্তর্জাতিক

তুরস্কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

Published

on

তুরস্কে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আনতালিয়া শহরের কাছে মহাসড়কে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাটিতে একটি বাস সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ৯ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন আনতালিয়া প্রদেশের গভর্নর হুলুসি শাহিন।

ডিএইচএ বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, আনতালিয়া থেকে ইসপার্তা যাওয়ার মহাসড়কের বুরদুর এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ জন নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।

গভর্নর শাহিন জানান, বাসটিতে মোট ৩৪ যাত্রী ছিলেন। তারা তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তেকিরদাগ থেকে আনতালিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। তবে নিহতদের মধ্যে কোনো বিদেশি নাগরিক ছিলেন কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি সংযোগস্থল যেখানে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো উচিত নয়। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে, বাসটি উচ্চগতিতে সেখানে প্রবেশ করেছিল। বৃষ্টির কারণে সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে পড়েছিল।

উল্লেখ্য, আনতালিয়া উপকূলীয় অঞ্চলটি তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এ অঞ্চলে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

প্রত্যেক শহীদের রক্তের মূল্য আদায় করা হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত প্রত্যেক শহীদের রক্তের মূল্য আদায় করা হবে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ সব হত্যাকাণ্ডের ‘প্রতিশোধ’ নিতে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা অবশ্যই প্রতিটি ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ, শহীদদের রক্তের মূল্য এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করব।’

ইরান হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাকে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে তা কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

এদিকে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আজ শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top1

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান

Published

on

By

টানা ৩৮ দিনের সংঘাতের পর ১৫ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই সময়ের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আরোপ করেছে তেহরান, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পুরো সময়জুড়ে এই টোল আদায় কার্যকর থাকবে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড জাহাজগুলোকে আগাম টোল পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, টোল পরিশোধ করতে হবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে।

অন্যদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক ইরানি বাণিজ্য প্রতিনিধির তথ্যমতে, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার করে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে বড় তেলবাহী সুপার ট্যাংকারগুলোর জন্য এই খরচ কয়েক মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে খালি জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো ফি প্রযোজ্য হবে না।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজ কোম্পানিগুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে আগাম নোটিশ দিতে হবে এবং জাহাজের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া, টোল পরিশোধ করতে হবে প্রবেশের আগেই এবং শুধুমাত্র বিটকয়েন বা ইউয়ানে তা গ্রহণ করা হবে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে জাহাজগুলোকে ইরানের উপকূল ঘেঁষে নির্ধারিত পথ কাশেম ও লারেক দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি, মিত্র দেশগুলোর জাহাজ সহজে চলাচল করতে পারলেও শত্রুভাবাপন্ন দেশের জাহাজের ক্ষেত্রে বিলম্ব বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ডলারে লেনদেন এড়িয়ে বিকল্প হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ইউয়ান বেছে নিয়েছে তেহরান। এতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানো সহজ হবে।

ইতোমধ্যে ইউয়ানে টোল আদায় শুরু হয়েছে বলে আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে। তবে এই নতুন ব্যবস্থায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সামুদ্রিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

Continue Reading

top1

তীব্র খাদ্য সংকটের মুখে গাজা, থামেনি ইসরায়েলি হামলা

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রায় ৬ মাস আগে যুদ্ধবিরতি হলেও গাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং জ্বালানি, নগদ অর্থ ও খাদ্যদ্রব্যের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রভাব নেই। ইরান ও লেবাননে হামলার পাশাপাশি গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

গাজার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েল এখনো গাজায় আটা, খাদ্য ও জ্বালানি প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। যার ফলে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার অধিকাংশ রুটির বেকারি। খুব অল্পসংখ্যক বেকারি খোলা থাকলেও নগদ অর্থের অভাবে গাজার বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

একাধিক মানবিক সহায়তা সংস্থা গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিছু সংস্থার মতে, জরুরি খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে গাজার দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এদিকে, প্রায় ছয় সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ খুলে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেখানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল।

হঠাৎ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করল সৌদি আরব, নেপথ্যে কী?

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, ভোরে মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি সেখানে জড়ো হন। পরে শত শত মুসল্লি একসঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করেন।

ইসরায়েলি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইবাদতকারী ও দর্শনার্থীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখলের পর এ ধরনের দীর্ঘ সময় মসজিদটি বন্ধ থাকার ঘটনা এটিই প্রথম। এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতারা

Continue Reading

Trending