Connect with us

top3

দিশা পাটানির প্রেমিক ‘এইচআইভি’ আক্রান্ত!

Published

on

বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির প্রেম গুঞ্জন নিয়ে বেশ সরগরম বি টাউন। এমন সময়ে বিস্ফোরক এক পোস্ট দিয়ে তোলপাড় ফেলে দিলেন দিশার কথিত প্রেমিকের প্রাক্তন। সামাজিক মাধ্যমে একটি সতর্কতামূলক পোস্ট দিয়েছেন তিনি; আর তা নিয়েই শোরগোল নেটমাধ্যমে।

শোনা যাচ্ছে, পাঞ্জাবি গায়ক তালবিন্দর সিং সিধুর সঙ্গে প্রেমে মজেছেন দিশা পাটানি। এমন গুঞ্জনের মাঝে সেই গায়কের প্রাক্তন প্রেমিকা সোনি কৌরের পোস্ট নিয়েই আলোচনা। সেই পোস্টে কারও নাম না উল্লেখ করলেও সোনি কৌর দিয়েছেন এক ভয়াবহ ইঙ্গিত।

পোস্টে সোনি কৌর লিখেছেন, বিষয়টি শুধু এইচআইভি (HIV) বা যৌনবাহিত রোগের নয়; মানুষ অভিশাপের সঙ্গে দুর্ভাগ্যও বয়ে আনে। তাই রাতে কার শয্যাসঙ্গী হচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও সোনির সেই পোস্টটি তালবিন্দরকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে, তা নেটিজেনদের অধিকাংশই ধারণা করছেন; এতে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি দিশার নতুন এই ‘বিশেষ বন্ধু’ সত্যিই কোনো গুরুতর রোগে আক্রান্ত? যদিও এমন বিতর্কের মাঝেও দিশা বা তালবিন্দর, এখন পর্যন্ত তাদের কেউই মুখ খোলেননি।

টাইগার শ্রফের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর সম্প্রতি দিশার নাম জড়িয়েছে গায়ক তালবিন্দরের সঙ্গে। অভিনেত্রী কৃতি স্যাননের বোন নূপুর স্যাননের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে এই জল্পনার সূত্রপাত। সেখানে দিশা ও তালবিন্দরের ঘনিষ্ঠ রসায়ন সবার নজর কাড়ে। তবে এই প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যেই তালবিন্দরের সাবেক প্রেমিকার এই পোস্ট এখন বড় প্রশ্ন তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র: আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্ব

Published

on

By

আর্কটিক মহাদেশের উত্তরের বৃহৎ দ্বীপগুলোর মধ্যে গ্রিনল্যান্ড শুধু ভৌগোলিক দিক থেকে নয়, কৌশলগত এবং জিওপলিটিক মাত্রায়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অবস্থান, আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামোতে বাফার ভূমিকা, উত্তরের সমুদ্রপথে প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সম্পদ—সব মিলিয়ে এটি এখন আন্তর্জাতিক শক্তি প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ নজরদারি শুধু ভূ-রাজনৈতিক কৌশল এবং সামরিক নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জলবায়ু পরিবর্তন, মেরিন রুটের সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ এবং তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদের প্রাপ্যতার সঙ্গে যুক্ত। এই আগ্রহ বা কৌশলগত প্রয়াস ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে সার্বভৌমত্বের নীতি, রাষ্ট্রের আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে অননুমোদিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনি সীমারেখার মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করা অপরিহার্য।

কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় যে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দ্বৈত নীতি কৌশল গ্রহণ করেছে—১. সরাসরি আধিপত্য বা দখলের পরিবর্তে অংশীদারত্ব এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার; ২. আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি যেমন রাশিয়া ও চীনের ক্রিয়াশীলতা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে প্রতিরোধ। এভাবে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব, আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা সংরক্ষিত সার্বভৌমত্ব এবং শক্তি ভারসাম্য—সব মিলিয়ে একটি বহুমাত্রিক কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলকে শুধু শক্তি বা নিরাপত্তার হিসাবনিকাশ হিসেবে দেখা যাবে না; এখানে আন্তর্জাতিক আইনের সীমারেখা, কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সূক্ষ্ম সমন্বয় প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে—

১. আর্কটিকের নৌপথে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ: উত্তরের নতুন নৌপথগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং সামরিক নৌযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে প্রভাব বজায় রাখা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির চলাচল পর্যবেক্ষণ।

২. সামরিক ও নিরাপত্তাভিত্তিক বেস স্থাপন: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কৌশলগত সুবিধা দেয়। এটি শুধু প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নয়, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তি ভারসাম্যের অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।

৩. প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্তি: গ্রিনল্যান্ডের সম্ভাব্য খনিজ সম্পদ, তেল ও গ্যাস আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এই সম্পদগুলোর ব্যবহারকে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করছে।

এখানে আঞ্চলিক প্রভাবও বিবেচ্য—রাশিয়া এবং চীনের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আর্কটিক অঞ্চলে শক্তি ভারসাম্যের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ন্যাটো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই নতুন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কৌশলগত সমন্বয় করছে। এই জিওপলিটিক্যাল প্রেক্ষাপটই যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা, শক্তি প্রতিযোগিতা এবং কূটনৈতিক সমঝোতার একটি জটিল ফ্রেমওয়ার্কে বসায়।

গ্রিনল্যান্ড, যদিও আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনপ্রাপ্ত, ডেনমার্কের রাজত্বের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এর অর্থ হলো, আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণে যেকোনো বিদেশি রাষ্ট্র, যেমন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে ডেনমার্কের অনুমোদন নিতে বাধ্য। এটি সরাসরি সার্বভৌমত্বের মূল নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বাধীনতা প্রদান করে—যেমন স্থানীয় সরকার নীতিমালা, শিক্ষা ও অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ। তবে নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষানীতি, বিশেষ করে সামরিক বেস স্থাপন বা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই দ্বৈত কাঠামো আন্তর্জাতিক আইনের অন্তর্গত একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য তৈরি করে, যেখানে বিদেশি শক্তি কার্যক্রমের জন্য শুধু অনুমোদন নয়, কূটনৈতিক সমঝোতা ও অংশীদারত্ব অপরিহার্য।

আর্কটিক অঞ্চলের বিশেষ প্রাসঙ্গিকতা বোঝাতে আর্কটিক চুক্তি এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন উল্লেখযোগ্য। এই আইনগুলোয় আর্কটিক জলসীমা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কোনো রাষ্ট্রের দখল, অননুমোদিত কার্যক্রম বা প্রাকৃতিক সম্পদে একপক্ষের একতরফাভাবে নিয়ন্ত্রণ—সবই আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্রিনল্যান্ডে সম্ভাব্য ‘ক্রয়’ বা প্রভাব বিস্তারের উদ্যোগ আইনগত ও কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতার সঙ্গে সংঘর্ষে প্রবেশ করতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সরাসরি দখল বা আধিপত্যের পরিবর্তে নরম কৌশল, বিনিয়োগ এবং নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে প্রভাব অর্জনের দিকে ঝুঁকছে। এটি একটি বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ বটে!

গ্রিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে মার্কিন নীতি সরাসরি ‘ক্রয়’ বা স্বতন্ত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার দিকে নয়; বরং কৌশলগত অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ এবং নীতি সমন্বয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব অর্জনের ওপর কেন্দ্রিত। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের বেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নয়ন, স্থল ও সামুদ্রিক গবেষণা এবং সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মাধ্যমে অংশীদারত্ব স্থাপন করে। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রকে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি, বিশেষত রাশিয়া ও চীনের ক্রিয়াশীলতা ও আগ্রহের প্রেক্ষাপটে সচেতন থাকতে হয়। গ্রিনল্যান্ড শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ বা নৌপথের জন্য নয়, বরং আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্যের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই নীতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনে কৌশলগত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

এখানে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হয়, কারণ গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিক্রিয়া উভয়ই সৃষ্টি করতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করে—যেখানে প্রভাব বিস্তার, শক্তির প্রয়োগ এবং আইনের সম্মানকে সমান্তরালভাবে বিবেচনা করতে হয়।

আন্তর্জাতিক আইনের সীমাবদ্ধতা নিশ্চিত করে যে, কোনো রাষ্ট্রই অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে অযাচিতভাবে লঙ্ঘন করতে পারবে না। এই নীতিমালা যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দখল বা আধিপত্য স্থাপনের পরিবর্তে সহযোগিতা, অংশীদারত্ব এবং কৌশলগত সমঝোতার দিকে ধাবিত করে। একই সময়ে, জিওপলিটিক বাস্তবতা নির্দেশ করে যে আঞ্চলিক শক্তি ভারসাম্য, প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের ক্রিয়াশীলতা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া অপরিহার্য। এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান শুধু সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সম্ভব নয়; বরং তা আইনগত মানদণ্ড, কূটনৈতিক দক্ষতা এবং অংশীদারত্বের সমন্বয় দ্বারা সম্ভব।

Continue Reading

top3

চেলসির মাঠে আর্সেনালের রোমাঞ্চকর জয়

Published

on

By

ইংলিশ লিগ কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগ জয় দিয়ে রাঙালো আর্সেনাল। বুধবার রাতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে স্বাগতিক চেলসিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালের দৌড়ে এক ধাপ এগিয়ে গেল গানাররা।

নিজেদের মাঠে বলের নিয়ন্ত্রণে চেলসি আধিপত্য দেখালেও আক্রমণের ধার বেশি ছিল আর্সেনালের। ম্যাচের শুরুতেই লিড নেয় সফরকারীরা।

ডেকান রাইসের নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান ডিফেন্ডার বেন ওয়াইট। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মিকেল আর্তেতার দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই চেলসি গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্সেনাল। সুযোগ সন্ধানী সুইডিশ স্ট্রাইকার ভিক্টর গিয়োকোরেস বল কেড়ে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন।

৫৭তম মিনিটে পেদ্রো নেটোর অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান ২-১ এ কমিয়ে আনেন চেলসির আলেহান্দ্রো গারনাচো। তবে ৭১তম মিনিটে মিডফিল্ডার জুবিমেন্দি গোল করলে আবারও দুই গোলের লিড পায় গানাররা। ম্যাচের শেষ দিকে গারনাচো নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলেও চেলসির হার এড়াতে তা যথেষ্ট ছিল না।

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি এমিরেটস স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় লেগ অনুষ্ঠিত হবে। নিজেদের মাঠে ড্র করতে পারলেই ফাইনালের টিকিট পাবে আর্সেনাল, অন্যদিকে ঘুরে দাঁড়াতে বড় জয়ের বিকল্প নেই চেলসির সামনে।

Continue Reading

top3

আলবাসেতের কাছে হেরে কোয়ার্টারের আগেই বিদায় বিয়ালের

Published

on

By

কোপা দেল রের শেষ ষোলোতে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে বড় অঘটন ঘটিয়েছে দ্বিতীয় স্তরের দল আলবাসেতে। বুধবার রাতে নিজেদের মাঠে রিয়ালকে ৩-২ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।

নিয়মিত একাদশের বেশ কয়েকজন তারকাকে ছাড়া মাঠে নামা রিয়াল শুরু থেকেই ফিনিশিংয়ের সমস্যায় ভুগেছে। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে কার্লোস বেলমন্তে স্টেডিয়ামে উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দেয় আলবাসেতে।

ইউরোপের সফলতম ক্লাবটির রক্ষণে চিড় ধরিয়ে স্মরণীয় জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
চোট ও বিশ্রাম মিলিয়ে কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহ্যাম, রদ্রিগোসহ নিয়মিত আরও বেশ কয়েকজনকে ছাড়াই এই ম্যাচের স্কোয়াড সাজান রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া। আলোন্সোর শেষ ম্যাচ থেকে একাদশে ছয়টি পরিবর্তন আনেন তিনি।

শাভি ভিয়ার গোলে পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধেই রিয়ালকে সমতায় ফেরান ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।
নির্ধারিত সময়ের আট মিনিট বাকি থাকতে স্বাগতিকরা আবার এগিয়ে যায় হেফতে বেতানকরের গোলে।
চার মিনিট যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রিয়ালকে দ্বিতীয়বার সমতায় ফেরান গন্সালো গার্সিয়া। শেষ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান গড়ে দেন দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা বেতানকর।

নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেয়ালের বিপক্ষে জিতল আলবাসেতে।

দুই দলের আগের ১৪ দেখায় ১১টিতে জিতেছিল রিয়াল, ড্র হয়েছিল ৩টি।
এই হারের মাধ্যমে রিয়ালের নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার শুরুটাও সুখকর হলো না। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে হারের পরদিন গত শাবি আলোন্সোকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয় আরবেলোয়াকে।

Continue Reading

Trending