Connect with us

ক্যাম্পাস

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন আজ

Published

on

অলটাইম নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। দীর্ঘ ছয় বছরেরও বেশি সময়ের বিরতির পর অবশেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ক্যাম্পাস নির্ধারিত আটটি ভোট কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটাররা তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করবে এবং নবাব নওয়াব আলী সিনেট অডিটোরিয়ামে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এই নির্বাচন কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই নয়, দেশের জাতীয় রাজনীতির জন্যও দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ডাকসু থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলকেও প্রভাবিত করে।

১৮টি হলের প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক হাজার ১০৮ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন। আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে প্রত্যেক ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদের মোট ৪১টিতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। প্রার্থীর নামের পাশের বর্গাকৃতির ঘরে ক্রস চিহ্ন আকার মাধ্যমে ভোট দিবেন ভোটাররা। আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে চলবে ভোটগ্রহণ।

এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঢাবি প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, মোবাইল পেট্রোল, ডগ স্কোয়াড, বিশেষায়িত টিম, বোম এক্সপোজাল ইউনিট, সোয়াত টিম, ডিবি (সাদা পোশাকে), সিসিটিভি মনিটরিং সেল, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ নিয়োজিত রয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে বেশ চাপে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোনো প্রকার অঘটন সামাল দিয়ে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা, ভোট গণনা স্বচ্ছ করা, ফলাফল ঘোষণার পর কোনো প্রকার অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা সৃষ্টি হলে তা সামাল য়ো ও সর্বোপরি বিশ্বব্যিালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান প্রশাসনের জন্য যেন অগ্নিপরীক্ষা। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন, সাইবার বুলিংসহ নানান অভিযোগ সামাল দিয়ে এ পর্যন্ত আসাটা কমিশনের বড় সার্থকতা।

এ দিকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে ছাত্রছাত্রীরে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এই নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘গুজব একটি সামাজিক ব্যাধি। কোনো ঘটনা ঘটেনি, কিন্তু চারদিকে গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এলইডি স্ক্রিনে দেখা যাবে ভোট গণনা-ফলাফল

ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হবে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে। প্রত্যেক কেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে ফলাফল গণনা প্রদর্শিত হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রের ফলাফল সেখানেই ঘোষণা করা হবে, পাশাপাশি স্ক্রিনেও দেখা যাবে। সবশেষে সিনেট ভবন মিলনায়তনে সব কেন্দ্রের মোট ফলাফল ঘোষিত হবে। তবে এর আগেই সব কেন্দ্রের ফলাফল যোগ করে যে কেউ মোট ফলাফল বের করতে পারবেন।

ভোটারদের সুবিধার্থে চলবে চক্রাকার শাটল

শিক্ষার্থীরা যেন আজ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেন, সেই লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে বিশেষ চক্রাকার শাটল সার্ভিস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যিালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটারদের সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আজ সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত শাটল সার্ভিস চলবে।

ডাকসু নিয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে : ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

সোমবার বিকেলে ডাকসু নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১১ মাসের দীর্ঘ প্রস্তুতি, হাজারো শিক্ষার্থীর আকাঙ্ক্ষা আর নানা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমরা আজ চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি। ডাকসুকে ঘিরে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রক্টরিয়াল টিম, বিএনসিসি, ভলান্টিয়ার টিমসহ সবাই মাঠে রয়েছে। তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

প্রার্থীরে উদ্দেশ্য করে ভিসি বলেন, আপনারা একে-অপরের প্রতি সহনশীল হোন। হার-জিত যাই হোক, আমাদের মধ্যে এমন কিছু নেই যাতে বড় কোনো সঙ্ঘাত সৃষ্টি হয়। যি তবুও কেউ আইন ভঙ্গ করে তবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাইবার বুলিংয়ের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিতে হবে : আবিদুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, যারা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে মোকাবেলা করতে চায়, তারে ব্যালটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করবে। গতকাল দুপুরে মধুর ক্যান্টিনের সামনে সাইবার অ্যাটাক নিয়ে এক জরুরি সংবা সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা ৫ আগস্টের পরে সুস্থ রাজনীতি চর্চা করতে গিয়ে অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছি। ২০১৬ সাল থেকে আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এখানে এসেছি। দেশের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্নে কখনো আপস করিনি, অন্যায় মেনে নেইনি। ৫ আগস্টের পর একই নোংরামির শিকার হতে হবে এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

আবিদ আরো বলেন, আমরা কখনো পেছন থেকে আঘাত করার চেষ্টা করিনি। যোগ্যতার বিরুদ্ধে যোগ্যতা, অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সুস্থ রাজনীতি করে এসেছি। এখন একদল রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী সাইবার অ্যাটাকের পথ বেছে নিয়েছে। মিথ্যার শক্তিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। সত্যের জয় সুনিশ্চিত। আগামীকাল ঝড়, বৃষ্টি বা প্রতিকূল পরিস্থিতি হোক না কেন আপনারা ভোটকেন্দ্র আসবেন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সমীকরণ

এবারের নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ৪৫, জিএস পদে ১৯ এবং এজিএস পদে ২৮ জন লড়ছেন। সবশেষ প্রকাশিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, ডাকসু নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৩৯ হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের ডাকসু নির্বাচন শুধু ক্যাম্পাস রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এবারের নির্বাচন ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আলোচিত প্রার্থীরা

ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান, ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত আবু সাদিক কায়েম, স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসরে আবদুল কাদের এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা আলোচনায় আছেন। জিএস পদে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানভীর বারী হামিম, শিবির সমর্থিত এস এম ফরহাদ, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের আবু বাকের মজুমদার ও সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদের ফাতেহা শারমিন এ্যানি।

ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের উদ্বোধন

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় ফিতা কেটে ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলায় একটি প্রবাদ আছে—’কামারের ভাঙা দা আর ছুতারের ভাঙা নাও’। তারা নিজেরা জিনিস তৈরি করে বলে অনেক সময় জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালায়। ঠিক একইভাবে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল দপ্তরগুলো খুব একটা গোছানো বা সুন্দর হয় না। তবে আমরা এর ব্যতিক্রম করতে চাই; প্রকৌশল দপ্তরকে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন দপ্তর হিসেবে দেখতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি অবকাঠামো তৈরি করাই শেষ কথা নয়, বরং এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ভবনটিকে নিজেদের বাড়ির মতো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এর দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করতে হবে।”

ভবনটির উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন এবং চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন)।

এছাড়া পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপ-প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, প্রকৌশলী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই তলা ভিত্তির ওপর এই দুই তলা বিশিষ্ট প্রকৌশল ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে ব্রুডার নেতৃত্বে ইরা, শিশির ও শাহিনুর‎

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি

‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রথম বিতর্ক সংগঠন বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন-ব্রুডা এর ১৩তম এক্সিকিউটিভ কমিটি (২০২৫–২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩ জুলাই নতুন এ কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

‎ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া হক ইরা, সাধারণ সম্পাদক(বিতর্ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ ওবায়দুর রহমান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক (প্রসাশন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শাহিনুর রহমান। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার লাবণ্য এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিউর হাসান।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন (ব্রুডা) ক্যাম্পাসে বিতর্ক চর্চার প্রসার, যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠনটি বিভিন্ন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, ডিবেট স্কুলিং এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তি, বিশ্লেষণী চিন্তা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

‎সংগঠনটির দীর্ঘদিনের নীতির অংশ হিসেবে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সংগঠনের প্রতি অবদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ক্যালেন্ডার মুুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. আলীনূর রহমান, সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ ও কমিটির সদস্য সচিব ও তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মো. রাজিবুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুদ্রণ কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আলীনূর রহমান। কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মিজানূর রহমান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হাসান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাহেদ হাসান।

এছাড়া কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ রাজিবুল ইসলাম।

এ বিষয়ে মুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আলীনূর রহমান বলেন, ক্যালেন্ডারটির গেটআপ ও সেটআপ যথাসম্ভব সুন্দর করার চেষ্টা করেছি, কোরআনের আয়াত যুক্ত করেছি।

এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ছুটির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু নিজস্ব নীতি ও সরকারি ছুটির বিষয়গুলো বিবেচনা করে এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটি যথাসম্ভব কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ছুটির বিষয়টি মূলত সিন্ডিকেট বা একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হলে ভালো হতো, তবে জরুরি প্রয়োজনে এখনই এটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে ছুটি আরো কমাতে চাইলে এটি সমন্বয় করে নিতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “ভিসি স্যারের পক্ষ থেকে বার্তা হলো—সবাই যদি ঠিকমতো ক্যালেন্ডারের এই সূচি মেনে চলেন এবং ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করেন, তাহলে শিক্ষাবর্ষে কোথাও কোনো গ্যাপ বা সেশনজট থাকবে না।”

Continue Reading

Trending