Connect with us

ফিচার

নতুন বছরে নারী শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

Published

on

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নতুন বছরের আগমনটাও একটু ভিন্ন দৃশ্যপটে। বিপ্লব পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলোর অপূর্ণতার ভার ২০২৫ সালের ঘাড়ে চেপে বসেছিল। ২৫ সালের সকল অপূর্ণতা ২০২৬ সালে পূর্ণতা পাক সেই প্রত্যাশা রাখে ছাত্র সমাজ। বিশেষ করে নতুন বছর আগমনে নারীরা কী ভাবছে? তাদের অনুভূতি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুরাইয়া শ্রাবণী

নতুন বছরে আমরা আশা করি— ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণায় আরও এগিয়ে যাক। শিক্ষার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সুস্থ ও স্বাভাবিক সংস্কৃতির চর্চা নিশ্চিত হোক, কোনো ধরনের অশ্লীলতা যেন প্রশ্রয় না পায়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করা হোক। ইকসু নির্বাচন হলে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়, নেতৃত্বের বিকাশ এবং গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হবে। একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে উঠুক—এটাই নতুন বছরের প্রত্যাশা।

সাদিয়া জামান রিমু

ব্যবস্থাপনা বিভাগ

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ

‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে আরও সুপরিকল্পিত এবং টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাঠদানের মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান, দক্ষ ও গবেষণামুখী শিক্ষক এবং আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির যথাযথ প্রয়োগ করা যায়।আবাসিক শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য হলের খাবারের মান উন্নত করা, হলগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ সুসজ্জিত রিডিং রুম স্থাপন এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কল্যাণের স্বার্থে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত আসন, আধুনিক গ্রন্থ, গবেষণা জার্নাল এবং দীর্ঘ সময় অধ্যয়নের সুব্যবস্থা রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

নদীয়া খাতুন

বিভাগ: ব্যবস্থাপনা

২০২২-২০২৩

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং এখানকার শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলার শিকার। জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী বছর হিসেবে ২০২৫ সাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি আদর্শ ও দৃষ্টান্তমূলক বছর হয়ে উঠতে পারত। অভূতপূর্ব উন্নয়নের সুবর্ণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সবকিছু সীমাবদ্ধ থেকেছে কেবল সম্ভাবনার গণ্ডিতে। শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রমের পরিসংখ্যান বিচার করলে তা অত্যন্ত নগণ্য বলেই প্রতীয়মান হয়।যেখানে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নিজেদের রূপান্তরিত করছে, সেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এখনও গতানুগতিক নিয়মনীতি আঁকড়ে ধরে আছে। ২০২৫ সাল অতিক্রম করে ২০২৬ সালের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েও এখানে আধুনিকায়নের কোনো সুস্পষ্ট চিহ্ন চোখে পড়ে না। ২০২৫ সালে ক্যাম্পাসে সংঘটিত সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও হৃদয়বিদারক ঘটনা—সহপাঠী সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না ঘটিয়ে প্রশাসন আমাদের গভীর হতাশা ও বেদনায় নিমজ্জিত করেছে। সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে, আশানুরূপ উন্নয়নের স্বপ্ন থাকলেও বছরশেষে তার প্রতিফলন প্রত্যাশার তুলনায় ছিল হতাশাজনক; বাস্তবতার চেয়ে তা রয়ে গেছে প্রতিশ্রুতি ও সম্ভাবনার মধ্যেই আবদ্ধ। সবকিছুর পরও নতুন বছর আমাদের জন্য বয়ে আনুক নতুন আলো, নতুন প্রত্যয় ও নতুন সম্ভাবনা। প্রিয় ক্যাম্পাসে ফিরে আসুক ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তার গৌরবময় অবস্থান পুনরুদ্ধার করুক—এই প্রত্যাশাই রইল। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব পেরিয়ে নতুন বছর হোক আত্মসমালোচনা, সংশোধন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বছর।

নার্গিস পারভীন

বিভাগ: ফার্মেসি

২০২১-২২

ক্যাম্পাস জীবন শুধু একটি অধ্যায় নয়, এটি জীবনের সবচেয়ে রঙিন ও স্মরণীয় সময়ের নাম। ক্লাসের দিনগুলো, ক্যান্টিনের আড্ডা, বন্ধুদের খুনসুটি আর হলের রাতের গল্প—সব মিলিয়ে এই সময়টুকু হয়ে ওঠে হৃদয়ের বিশেষ অংশ।আর আমার হৃদয়ের অংশ হলো ইবি!ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আমার স্বপ্ন ও সম্ভাবনার জায়গা। এই ক্যাম্পাস থেকে আমি চাই জ্ঞান, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের সমন্বয়। প্রত্যাশা করি—ক্যাম্পাস হবে রাজনীতি ও সহিংসতামুক্ত, যেখানে শিক্ষার পরিবেশ থাকবে শান্ত ও নিরাপদ। শিক্ষকরা হবেন আরও শিক্ষার্থী–বান্ধব, গবেষণামুখী এবং নৈতিকতায় অনুকরণীয়। ক্লাস, লাইব্রেরি ও ল্যাব সুবিধা হবে আধুনিক ও কার্যকর।আমি চাই ক্যাম্পাসে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু তা হবে শালীন ও দায়িত্বশীল। সহশিক্ষা কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার সুযোগ আরও বাড়ুক। হল ও আবাসন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। সর্বোপরি, ইবি ক্যাম্পাস এমন এক মানবিক পরিবেশ গড়ে তুলুক, যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজের জন্য যোগ্য, সচেতন ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।

মাহফুজা আক্তার মনি

বিভাগ সমাজ কল্যাণ

২০২২-২৩

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

আসছে বৈশাখ, ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পীরা

Published

on

By

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এ উৎসব ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি। বিশেষ করে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এতটাই বেড়েছে যে দিন-রাত তাঁরা চোখের পাতা এক করতে পারছেন না। বৈশাখী মেলাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বিভিন্ন গ্রামে রাতদিন কাজ চলছে। পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা সামগ্রী তৈরি করে রাঙিয়ে তুলছেন তারা।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের মাটির সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন কারিগরেরা। এর মধ্যে রয়েছে মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল, হাতি, ঘোড়া, নৌকা, টিয়া, সিংহ, দোয়েল, কচ্ছপ, মাছ, হাঁস ও বাহারি মাটির ব্যাংক। পয়লা বৈশাখ থেকে পুরো মাস চলবে এ ব্যবসা।

মৃৎশিল্পীরা জানান, বছরে এই একটা উৎসব ঘিরে তাঁদের অনেক আশা থাকে। এমনিতে সারা বছর মৃৎশিল্পের তেমন চাহিদা থাকে না। নববর্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী মেলা বসে। এ মেলায় কেবল চাহিদা থাকে। তাই সারা বছর উৎসবটার অপেক্ষা করেন তাঁরা। সারা বছর মাটির তৈজসপত্র তৈরি করে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করলেও মেলার জন্য তৈরি করছেন বাহারি সব মাটির খেলনা।

শিবনগর গ্রামের নরেশ চন্দ্র পাল কালবেলাকে বলেন, এখন আর মাটির জিনিসের তেমন কদর নেই। সারা বছর টানাপোড়নে চলতে হয়। পূর্বপুরুষের পেশা তাই ইচ্ছে হলেও ছাড়তে পারেন না। বৈশাখ মাস এলে মেলায় মাটির তৈরি খেলনা ও সামগ্রীর চাহিদা থাকে। তাই এই সময়টায় ভালো আয় হয়।

মদির পাল বলেন, এ শিল্পের জন্য প্রয়োজন হয় পরিষ্কার এঁটেল মাটি। কিন্তু এখন মাটির অভাব। তার ওপরে রংসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় অনেক বেড়েছে। সে অনুযায়ী উৎপাদিত পণ্যের দাম অতটা বাড়েনি। তারপরও পূর্বপুরুষেরা এ পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাই সেই ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। এসব মাটির খেলনা ৩০ থেকে ১৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হয়।

রমেশ পাল নামে এক মৃৎশিল্পী বলেন, বাজারে এখন মাটির তৈরি পণ্যের কোনো কদর নেই। প্লাস্টিক পণ্যের ওপর মজেছে মানুষ। ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের দৃষ্টি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। কুমাররা কীভাবে বেঁচে আছে, তারা তাদের পারিশ্রমিক অনুযায়ী ন্যায্যমূল্য পায় কি না এ খোঁজখবর কেউ রাখে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি এ পেশাকে বাঁচিয়ে রাখতে এখনই যথাযথ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেন, তাহলে একসময় মৃৎশিল্পের বিলুপ্তি ঘটবে।

Continue Reading

ফিচার

পঞ্চাশেও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জেনে নিন

Published

on

By

হলিউডের ইতিহাসে চিরসবুজ সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়—অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর মোহনীয় চাহনি আর গ্লোয়ি ত্বকের কারণে এ বয়সেও বিশ্বজুড়ে লাখো তরুণের হৃৎস্পন্দন হয়ে রয়েছেন তিনি। পঞ্চাশের কোঠায় পা দিয়েও তাঁর ত্বকের উজ্জ্বলতা ঠিক আগের মতোই অটুট। অনেকেই ভাবেন, এই সৌন্দর্যের পেছনে হয়তো দামি প্রসাধনী বা প্লাস্টিক সার্জারির অবদান রয়েছে। তবে সত্যিটা হলো, জোলি তাঁর ত্বকের যত্নে খুবই সাধারণ ও প্রাকৃতিক নিয়মে বিশ্বাস করেন। আজকের আয়োজনে থাকছে হলিউড এই সুন্দরীর ‘এজ-ডিফাইং’ বা বয়স ধরে রাখার রহস্য।

অল্প বয়সেই রূপচর্চায় সচেতনতা

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রানা এক সাক্ষাৎকারে জানান, অভিনয় ক্যারিয়ার শুরুর একেবারে প্রথম দিক থেকেই জোলি তাঁর ত্বকের যত্নে সচেতন হয়েছিলেন। তিনি জানতেন, দীর্ঘ সময় সুস্থ ও সুন্দর ত্বক ধরে রাখতে হলে নিয়ম মেনে চলা জরুরি। উত্তরাধিকার সূত্রে জোলি অলিভ স্কিন বা উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের অধিকারী। তাই খুব বেশি কৃত্রিম প্রসাধনী তাঁকে কখনোই ব্যবহার করতে হয়নি।

জোলির রূপচর্চার প্রধান দিক

সানস্ক্রিন ও মাইল্ড ক্লিনজার

জোলির মতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার বড় হাতিয়ার হলো সানস্ক্রিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের পিগমেন্টেশন ও বয়সের ছাপ তৈরির প্রধান কারণ। এ ছাড়া তিনি ত্বক পরিষ্কার করতে কোনো ধরনের কড়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন না। তিনি সব সময় মাইল্ড বা মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করেন, যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কেড়ে নেয় না। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিডের মতো প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী তাঁর ত্বকের টেক্সচার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ভ্রমণের সময় বিশেষ যত্ন

শুটিং বা ভ্রমণের কারণে জোলিকে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটতে হয়। তবে আবহাওয়া যতই প্রতিকূল হোক না কেন, তিনি কখনোই স্কিন কেয়ারে অবহেলা করেন না। জোলি সব সময় তাঁর সঙ্গে সানস্ক্রিন রাখেন এবং বাইরের ধুলাবালু থেকে বাঁচতে টুপি ব্যবহার করেন। সূর্যের আলো যেন সরাসরি ত্বকের ক্ষতি করতে না পারে, এটিই তাঁর মূলমন্ত্র।

আর্দ্রতা ও ময়শ্চারাইজিং

ত্বক সতেজ রাখতে জোলি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা ত্বকে দ্রুত বলিরেখা সৃষ্টি করে। নিয়মিত ভালো মানের ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি তাঁর ত্বকের আর্দ্রতা নিশ্চিত করেন। তাঁর মতে, ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র রাখলে তবেই বাইরে থেকে উজ্জ্বলতা পাওয়া সম্ভব।

মেকআপের পরিমিত ব্যবহার

জোলি শুটিং বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান ছাড়া খুব বেশি মেকআপ করা পছন্দ করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, ত্বককে নিশ্বাস নিতে দেওয়া জরুরি। ভারী ফাউন্ডেশনের আড়ালে ত্বক ঢেকে না রেখে; বরং প্রাকৃতিক রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ ছাড়া তিনি দিন শেষে যতই ক্লান্তি বোধ করুন না কেন, মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যান না। এই অভ্যাসটি ব্রণ ও অকাল বার্ধক্য থেকে তাঁর ত্বক রক্ষা করে।

প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে জোলির অবস্থান

অনেকে মনে করেন, তাঁর এই তন্বী রূপের পেছনে সার্জারির হাত রয়েছে। তবে ২০১০ সালে ‘ডেইলি মেইল’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোলি সরাসরি জানান, তিনি কখনোই প্লাস্টিক সার্জারি করাননি এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু করার পরিকল্পনা নেই। তিনি মনে করেন, প্রতিটি মানুষের নিজের মতো করে ভালো থাকার অধিকার আছে। তবে তিনি নিজে প্রাকৃতিকভাবেই বয়সকে জয় করতে চান।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ত্বকের এই সাধারণ যত্ন প্রমাণ করে, উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য পকেটের টাকা খরচ করে দামি ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন নেই। নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বক পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পরিমিত মেকআপেই সম্ভব ৫০ বছর বয়সেও জোলির মতো নজরকাড়া সৌন্দর্যের অধিকারী হওয়া।

সূত্র: পিংকভিলা ও অন্যান্য

Continue Reading

ফিচার

ঈদে সালামি আদায়ের সহজ কৌশল

Published

on

By

ঈদে অনলাইন বা অফলাইনে সালামি আদায়ের প্রশ্নটি প্রায়ই উঠে আসে। বর্তমানে অনলাইনে সালামি আদায়ের প্রবণতা বেড়েছে, যা সরাসরি দেখা না হলেও মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে সম্ভব।

সালামি আদায়ের একটি সহজ উপায় হলো সময়মতো হাজির হওয়া। ঈদের নামাজ শেষে বড়রা ভালো মুডে থাকেন, তখন সালাম দিলে খালি হাতে ফিরতে হয় না। দেরি করলে সালামি হাতছাড়া হতে পারে।

হাসিমুখে ও ভদ্রভাবে সালাম দিলে বড়রা খুশি হন এবং সালামি দিতে আগ্রহী হন। মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে থাকলে সালামি পাওয়া কঠিন হতে পারে।

আত্মীয়স্বজনের বাসায় ঘুরে বেড়ানো সালামির সম্ভাবনা বাড়ায়। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যাওয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং করা যায়।

অনেকে সালামি দিতে ভুলে গেলে হালকা মজার ছলে ইঙ্গিত দেওয়া যেতে পারে, যেমন “আজ তো ঈদ!” বলা। তবে এটা যেন অশোভন না হয়।

ছোটরা একসঙ্গে গেলে বড়রা মজা করে সবাইকে সালামি দিতে পারেন, যা পরিবেশ জমিয়ে তোলে। সবশেষে, সালামি আদায় যেন চাপ সৃষ্টি না করে, বরং ভালোবাসা ও আনন্দের অংশ হয়।

Continue Reading

Trending