Connect with us

top1

নবম পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ

Published

on

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতিসহ বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি এবং পে-স্কেলের আওতাভুক্ত দপ্তর ও অফিসের কর্মচারীরা অংশ নেন।

এদিকে, সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী বলেন, কর্মচারীরা শান্তিপূর্ণভাবে এবং কর্মচারী শৃঙ্খলাবিধির মধ্য থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গেজেট প্রকাশ করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় কর্মসূচি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ সময় আন্দোলনরত নেতারা জানান, দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় সারা দেশে একযোগে কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণাও দেন তারা।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি জানান, পে-কমিশনের প্রতিবেদন শুধু গ্রহণ করা হয়েছে, বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার চাইলে এ সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে পে-কমিশনের দাবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন পে-কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সীমিত সময়ের হওয়ায় এই সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নে যাচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করে মতামত দেবে।

কমিটি যে সুপারিশ দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে গেলে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই ব্যয়ের অর্থের সংস্থান কোথায় থেকে হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের যে কথা আপনারা বলছেন, সেটা হবে যদি পে-কমিশনের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সময়ে যদি সব বাস্তবায়ন করা হয়। বাস্তবতা হলো, এ ধরনের পে-কমিশন একসঙ্গে সব বাস্তবায়িত হয় না, পর্যায়ক্রমে হয়। সম্ভবত এটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে, সেটিও সংশ্লিষ্ট কমিটি খতিয়ে দেখবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সৌদির রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ হামলা

Published

on

By

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ইরানের ছোড়া ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিস্তারের মধ্যে মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুটি ড্রোন মার্কিন দূতাবাসে আঘাত করে। প্রাথমিক মূল্যায়নে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে অবগত তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভোরের দিকে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দূতাবাস ভবনে আগুনের শিখা দেখা যায়। রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন অবস্থিত। তাদের মধ্যে দুজন জানান, ভোরের সময় ভবনটি খালি ছিল এবং আগুন তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রিয়াদ, জেদ্দা ও ধাহরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘শেল্টার ইন প্লেস’ নির্দেশনা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দূতাবাস এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনাটির পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Continue Reading

top1

ইরান কোনোভাবেই মাথা নত করবে না

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে স্কুল ও হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘হাসপাতালে হামলা মানে জীবনের ওপর আঘাত। আর স্কুলে হামলা মানে একটি জাতির ভবিষ্যতের ওপর আঘাত।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অসুস্থ রোগী এবং শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা মানবিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বিশ্ববাসীকে এই অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পুরো বিশ্বের উচিত এই বর্বরোচিত কাজের নিন্দা জানানো। ইরান এই ধরনের অপরাধের মুখে চুপ থাকবে না এবং কোনোভাবেই মাথা নত করবে না।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় ইরানের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি এলো।

Continue Reading

top1

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

Continue Reading

Trending