Connect with us

ক্যাম্পাস

নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিল রাবি ছাত্রশিবির

Published

on

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম-২০২৬’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রায় ৪ হাজার নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাদের ফুল ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, শিক্ষকদের একটি বড় অংশ শুধু রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। শিক্ষার্থীরা কোথায় কী করছে, ভবিষ্যতে কী করবে কিংবা তাদের কাউন্সেলিং প্রয়োজন কি না—এসব বিষয়ে শিক্ষকদের আরও মনোযোগী হওয়া দরকার।

সরকারি চাকরির মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লিখিত পরীক্ষায় কম নম্বর পেয়েও মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়ে অনেকে প্রশাসন বা পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছেন। আবার লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেও মৌখিক পরীক্ষায় বাদ পড়েছেন অনেকে। তিনি পিএসসির সব পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৫০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যে আন্দোলনের কারণে ক্ষমতায় এসেছে, সেই আন্দোলনের সনদ সংস্কার করতে না পারলে সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ ও সরকারি কর্মকমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকদের বসানো হয়েছে।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু সেই রায় মানা হচ্ছে না। তাঁর ভাষ্য, গণভোটের উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী শাসন ঠেকানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। গণভোটের রায় না মানাকে তিনি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া গুম ও খুনের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর কয়েকটি বাতিলের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। অভিযোগ করেন, আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে অভিযোগকারীকে হয়রানির আশঙ্কা তৈরি করা হয়েছে, ফলে মানুষ অভিযোগ করতে ভয় পাবে।

সমাপনী বক্তব্যে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ৫০তম বিসিএসের সার্কুলার এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর মধ্য দিয়ে আগের মতো দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২৪-পরবর্তী প্রজন্ম এটি মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে আবার দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দুই হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে কোটা প্রথার কবর রচিত হয়েছে, তা নতুন করে ফিরতে দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান সম্পাদক মু. মাহমুদুল হসান, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং রাকসুর বিভিন্ন পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চতুর্থ ব্যাচ ‘প্রভঞ্জন’কে ২-ও গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পঞ্চম ব্যাচ ‘পঞ্চদুর্জয়’।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের সমাপনীতে প্রপার ড্রেস কোড পরিধান করে খেলায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।

আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. এস. এম সরফরাজ নওয়াজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান ও উপ-পরিচালক ড. মো. আসাদুর রহমান। এছাড়া বিভাগের প্রভাষক মো. মাসউদ রানা, প্রভাষক সাথী খাতুনসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা খেলাটি উপভোগ করেন।

তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বিভাগের পাঁচটি ব্যাচ অংশ নেয়। তৃতীয় ব্যাচ ‘তেজস্বী’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রথম গ্রুপে ছিল ১ম ব্যাচ ‘স্বাপ্নিক’, ২য় ব্যাচ ‘স্বচ্ছ’ ও ৪র্থ ব্যাচ ‘প্রভঞ্জন’। দ্বিতীয় গ্রুপে প্রতিযোগিতা করে ৩য় ব্যাচ ‘তেজস্বী’ ও ৫ম ব্যাচ ‘পঞ্চদুর্জয়’। ফাইনালে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাসুদ রানা এবং সাইড রেফারি ছিলেন ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ আবু হুরায়রা সুজন ও মো. মিরাজুল ইসলাম। ধারাভাষ্যে ছিলেন ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাফর ইকবাল।

পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রভাষক সাথী খাতুন বলেন, “একজন খেলোয়াড় কতটা আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলছে—সেটাই আসল। আশা করি, আসন্ন আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতায় এই খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়ে বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন করবে।”

প্রভাষক মো. মাসউদ রানা বলেন, “এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভাগের সেরা প্রতিভারা উঠে এসেছে। আসন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফুটবল প্রতিযোগিতায় এদের কাজে লাগানোর একটি বড় সুযোগ তৈরি হলো।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান প্রাক-প্রতিযোগিতা, প্রতিযোগিতা চলাকালীন এবং প্রতিযোগিতা পরবর্তী—এই তিন ধাপের বাস্তব অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে তরুণ খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. এস. এম সরফরাজ নওয়াজ বলেন, “জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, দিনশেষে আমাদের ভালোবাসার বিভাগটিই জিতেছে। নতুন বিভাগ হওয়ায় কিছু শিক্ষকস্বল্পতা ও প্রশাসনিক ব্যস্ততা থাকলেও খুব দ্রুতই এসব সমস্যার সমাধান করে শিক্ষার্থীদের খেলার সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো হবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবি’র আরবিক ক্লাবের বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অ্যারাবিক ক্লাবের উদ্যোগে সদস্যদের যুক্তি, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘Fundamentals of AP Debates’ শীর্ষক বিশেষ বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের ৩০৩ নম্বর কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অ্যারাবিক ক্লাবের সভাপতি আমির ফয়সালের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ইয়াসিন আলী।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, কর্মশালায় Asian Parliamentary (AP) Debate-এর মৌলিক কাঠামো, বিতর্কের নিয়ম ও কৌশল, যুক্তি নির্মাণ ও উপস্থাপন এবং বক্তব্য প্রদানের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিতর্কে কার্যকর অংশগ্রহণের কৌশল ও বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা ইয়াসিন আলী বলেন, বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও কার্যকর উপস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। AP Debate-এর কাঠামো ও কৌশল সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিতর্কচর্চায় আরও দক্ষ হয়ে উঠতে পারবে। এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের বিতর্কের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের চিন্তা ও উপস্থাপনা দক্ষতা বিকাশে সহায়ক হবে।

অ্যারাবিক ক্লাবের সভাপতি আমির ফয়সাল বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দক্ষতার পাশাপাশি যুক্তি, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নে অ্যারাবিক ক্লাব নিয়মিত প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম আয়োজন করবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের কমিটি প্রকাশ নেতৃত্বে জায়ীদ-নীলাদ্র

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:





বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাবের (বিআরইউপিসি) প্রথম আনুষ্ঠানিক কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আবুল খায়ের জায়ীদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) আগামী এক বছরের (২০২৬-২৭) জন্য ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: ইলিয়াস প্রামানিক, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তুহিন ওয়াদুদ, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম এবং জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের ফটোগ্রাফার এস এন শাহ্ নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেহরাব সিয়াম, আজিজুর রহমান, শাহনেওয়াজ সিয়াম, মো. মাহফুজুর রহমান, ইবতেশাম রহমান সায়নাভ, রাকিবুল হাসান, তাউসির আহমেদ, নাজমুল ইসলাম ও মো. নেজাজ আহমেদ।

এ ছাড়া সাজ্জাদুর রহমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাসফিকুল হাসান ও মো. শৌরভ মিয়া সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ সাদ অর্ণব দপ্তর সম্পাদক এবং গোলদার কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে ইউনুচ রাতুল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আমিন প্রামাণিক ও মারুম্নফুজ্জামান রাতুল দায়িত্ব পেয়েছেন।

নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কামরুন নাহার রাতুল ও জাকিয়া সুলতানা মাওয়া, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা সম্পাদক হিসেবে প্রান্ত কুমার দাস ও মো. রেজাউল কবির এবং গবেষণা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. ওয়াসিম আকরাম খান ও মো. মেহেদী হাসান অনিক দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ, নিহাদুল ইসলাম রিমন, নীরব রায়, খালেদ মাহমুদ সালেহীন ও মো. হাসানুর রহমান রয়েছেন।

ক্লাবটির ২০২৪ সালে যাত্রা শুরু হলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি প্রকাশ করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফটোগ্রাফি চর্চা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নবগঠিত ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি মো. আবুল খায়ের জায়ীদ বলেন, “বেরোবি ফটোগ্রাফিক ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ফটোগ্রাফি দক্ষতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, ফটোওয়াক ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে কাজ করব। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কার্যক্রম ও সৌন্দর্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”

সাধারণ সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ মোহাইমিন নীলাদ্র বলেন, “নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করার চেষ্টা থাকবে। ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শেখার সুযোগ তৈরি করা, অভিজ্ঞদের সঙ্গে নবীনদের সংযোগ ঘটানো এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে আমরা কাজ করব। সবার অংশগ্রহণে ক্লাবটিকে একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিতে চাই।”

Continue Reading

Trending