Connect with us

top1

নিউইয়র্ক মেয়র নির্বাচনে মমদানি জিতলে ফেডারেল তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের

Published

on

নিউইয়র্ক, ৪ নভেম্বর ২০২৫ -যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি জোহরান মমদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে বিজয়ী হন, তাহলে শহরটি ফেডারেল তহবিল থেকে বঞ্চিত হতে পারে। সোমবার রাতে Truth Social-এ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন,
“যদি কমিউনিস্ট প্রার্থী মমদানি নির্বাচিত হন, আমি নিউইয়র্ক সিটিকে শুধুমাত্র ন্যূনতম ফেডারেল সহায়তা দেব। কারণ এই শহর সফল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা রাখে না।”

🗳️ নির্বাচনী প্রেক্ষাপট:
মমদানি একজন ডেমোক্রেটিক সোশালিস্ট, যিনি অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে পরাজিত করে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ট্রাম্প কুয়োমোকে সমর্থন দিয়ে বলেন,
“আপনি কুয়োমোকে পছন্দ করুন বা না করুন, আপনার কোনো বিকল্প নেই। মমদানি শহরকে ধ্বংস করবে।”

🔥 প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক:
মমদানি বলেন,
“ট্রাম্পের হুমকি আইনবহির্ভূত। প্রেসিডেন্টের মুখ থেকে কিছু বেরোলেই তা আইন হয়ে যায় না।”
তিনি আরও বলেন,
“কুয়োমো ট্রাম্পের পুতুলে পরিণত হয়েছেন। এই শহর ধনী ও ক্ষমতাবানদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য হওয়া উচিত।”

📊 জনমত জরিপ:
AtlasIntel জরিপে দেখা গেছে, মমদানি ৪১% সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন, কুয়োমো ৩৪% এবং রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া ২৪%।

🏛️ আইনি প্রশ্ন:
Firstpost-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের পক্ষে নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল তহবিল বন্ধ করা সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

🌐 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
এই হুমকি ও সমর্থন রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি করেছে, যেখানে একজন মুসলিম, আফ্রিকান ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত প্রার্থী নিউইয়র্কের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা তৈরি করেছেন

কে এই জোহরান মমদানি ?
🔹 পুরো নাম: জোহরান কওমে মমদানি
🔹 জন্ম: ১৮ অক্টোবর ১৯৯১, কামপালা, উগান্ডা
🔹 পরিবার:

মা: মীরা নায়ার — বিখ্যাত ভারতীয়-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্মাতা (Monsoon Wedding, Salaam Bombay!)
বাবা: মাহমুদ মমদানি — কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আফ্রিকান রাজনীতি বিশেষজ্ঞ

🔹 শিক্ষা:
Bronx High School of Science
Bowdoin College (Africana Studies)

🔹 রাজনৈতিক পরিচয়:
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য (৩৬তম জেলা, অ্যাস্টোরিয়া, কুইন্স)
ডেমোক্রেটিক সোশালিস্ট এবং Working Families Party-র সমর্থিত
২০২৫ সালের নিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী

🗳️ রাজনৈতিক যাত্রা ও অর্জন:
২০২০ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হন স্টেট অ্যাসেম্বলিতে
২০২৪ সালে অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে পরাজিত করে মেয়র পদে ডেমোক্রেটিক মনোনয়ন পান
মেয়র নির্বাচিত হলে হবেন নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র

📌 প্রধান নীতিমালা ও অঙ্গীকার:
ভাড়া স্থিরকরণ:
২০ লাখের বেশি রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড বাসিন্দার জন্য ভাড়া স্থির রাখার প্রতিশ্রুতি
১০ বছরে ২ লাখ ১০০% সাশ্রয়ী ইউনিয়ন-নির্মিত আবাসন নির্মাণ

ফ্রি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট:
বাস ভাড়া সম্পূর্ণভাবে বাতিল
দ্রুতগতির বাস পরিষেবা ও আলাদা বাস লেন

সর্বজনীন শিশু যত্ন:
৫ সপ্তাহ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চাইল্ড কেয়ার

সিটি-মালিকানাধীন গ্রোসারি স্টোর:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বরোতে একটি করে সরকারি গ্রোসারি স্টোর

কমিউনিটি সেফটি ডিপার্টমেন্ট:

পুলিশিং-এর পরিবর্তে মানসিক স্বাস্থ্য, সংকট প্রতিক্রিয়া ও ঘৃণা অপরাধ প্রতিরোধে নতুন সংস্থা
অভিবাসন সুরক্ষা:
নিউইয়র্কের স্যাংচুয়ারি আইন আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি

কর নীতিমালা:

১ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয়কারীদের জন্য ২% ফ্ল্যাট ট্যাক্স
বড় কর্পোরেশনগুলোর উপর কর বৃদ্ধি

🌍 ব্যক্তিগত পরিচয় ও প্রভাব:

একজন মুসলিম, হিন্দু-মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক
হিপ-হপ সংগীতপ্রেমী ও পারফর্মার
গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে সক্রিয়, মানবাধিকার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী
নিউইয়র্ক মেটস, নিউইয়র্ক জায়ান্টস ও আর্সেনালের সমর্থক

top1

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠককে স্বাভাবিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বলছে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ভারতের একজন কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছে ভারত। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের বৈঠককে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে। জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পক্ষের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে হওয়া বৈঠকটিও সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই পড়ে।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি বলেন, অন্য দেশের কূটনীতিকেরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও ওই ভারতীয় কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগ জরুরি এবং এ ক্ষেত্রে বিকল্প কোনো পথ নেই।

এই মন্তব্য প্রকাশের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে সে সময় কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য এলো

Continue Reading

top1

জামায়াতের জোট থেকে দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে চরমোনাই পীরের আহ্বান

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত শরিয়াহ আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই ১১ দলীয় জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য আলোচনার দরজা খোলা আছে, বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ দাঁড়ায়, সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশায় ছিলেন, এর ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ পূরণ হওয়া নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

ইসলামের নীতি থেকে জামায়াত সরে এসেছে দাবি করে একলা পথে গিয়ে ২৬৮টি আসনে লড়ার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
বাকি আসনগুলোতে বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল।

Continue Reading

top1

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব নথি জব্দের দাবি চিকিৎসকদলের প্রধানের

Published

on

By

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব নথিপত্র জব্দ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তার বর্তমান চিকিৎসকদলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।

ডা. সিদ্দিকী বলেন, ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল কোভিড-১৯–এর জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বর্তমান মেডিকেল বোর্ড চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষার শুরুতেই তারা দেখতে পান, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত, অথচ বিএমইউর ছাড়পত্রে তাকে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের জন্য ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামের ওষুধ নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া ছিল এবং ভর্তি অবস্থাতেও সেটি খাওয়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “মেথোট্রেক্সেট সেবনের ক্ষেত্রে নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ওষুধ বন্ধ করে ন্যূনতম একটি আলট্রাসনোগ্রাম করানো প্রয়োজন। কিন্তু সরকার গঠিত মেডিকেল টিম ম্যাডামের লিভার ফাংশন খারাপ দেখার পরও কোনো আলট্রাসনোগ্রাম করেনি এবং ওষুধটিও বন্ধ করেনি।”

তিনি দাবি করেন, এই অবহেলার কারণেই ফ্যাটি লিভার দ্রুত সিরোসিসে রূপ নেয়। “মেথোট্রেক্সেট তার লিভারের জন্য কার্যত ‘স্লো পয়জন’ হিসেবে কাজ করেছে”—বলেন তিনি।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, তৎকালীন চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাহীনতার কারণে খালেদা জিয়া সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফিতে রাজি হননি, তবে বেডসাইড ‘পয়েন্ট-অব-কেয়ার’ আলট্রাসনোগ্রাম সহজেই করা যেতো।

তিনি অভিযোগ করেন, “চিকিৎসায় এমন অবহেলা খালেদা জিয়ার অবস্থাকে দ্রুত অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা কি না বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার অংশ কি না—তা বিশদভাবে তদন্ত করা জরুরি।”

তার ভাষ্য, মেডিকেল বোর্ডের কাছে ডায়াবেটিস ও আর্থাইটিসের চিকিৎসায় অবহেলারও সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এজন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটির মাধ্যমে তিনটি বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন— সরকার গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কারা ছিলেন, কোন দক্ষতার ভিত্তিতে তারা দায়িত্ব পান, এবং ব্যর্থতার দায় তাদের ওপর বর্তায় কি না; ভর্তিকালে কারা চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায় কি না; বিএমইউতে চিকিৎসার সময় খালেদা জিয়া তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করতে আইনজীবীর মাধ্যমে যে অনুরোধ করেছিলেন, তা কেন গ্রহণ করা হয়নি এবং কারা বাধা দিয়েছিল।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিএমইউয়ের সব চিকিৎসা-নথি জব্দ এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।

Continue Reading

Trending