Connect with us

রাজনীতি

নির্বাচনের পর কোনো ‘শিবিরের বাচ্চা’কে রাজনীতি করতে দেব না: জবি ছাত্রদল নেতা

Published

on

আগামী নির্বাচনের পর কোনো ‘শিবিরের বাচ্চা’কে রাজনীতি করতে দেব না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল।

গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘নারী নিপীড়নের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রবিউল আউয়াল বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের মা-বোনদের যারা ধর্ষণ করেছে, তাদের উত্তরসূরিরা সেই কালচার আবার ফিরিয়ে আনতে চায়। যাদের বাপ-দাদারা ১৯৭১ সালে এ দেশে পরাজিত হয়েছে, এ দেশ থেকে মাথা নত করে পালিয়ে গেছে। আমরা আশাবাদি সামনের নির্বাচনের পরে এ দেশ থেকে লেজগুটিয়ে পালিয়ে যাবে। আমরা এ দেশের মাটিতে আর কোনো পাকিস্তানি কায়েম হতে দেব না। কোনো রাজাকারের বাচ্চাকে স্টাবলিস্ট হতে দেব না। কোনো শিবিরের বাচ্চাকে এ দেশে রাজনীতি করতে দেব না। রবিউল আওয়াল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম ব্যাচের ও গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীর বিরুদ্ধে রিটকারী নারী শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে গণধর্ষণের হুমকি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এবং অবস্থান কর্মসূচি করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে মিলিত হয়। কর্মসূচি থেকে ছাত্রদল নেতারা শিবিরের নেতাকর্মীদের সারাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের অব্যাহত সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদ জানানো হয়।

এ সময় ছাত্রদল নেতারা বলেন, যে শিবির গুপ্ত রাজনীতি করে, নিজেরা ছাত্রলীগের ছায়াতলে বিগত সময়ে আশ্রয় নিয়েছিল, তারা এখন নারীদের প্রকাশ্যে গণধর্ষণের পদযাত্রা করতে চায়। শিবিরের যে কর্মী এই দুঃসাহস দেখিয়েছে তাকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি কার্যকর করতে হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন শাখা ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রাজনীতি

ব্যবসায়ীকে গভর্নর করার সিদ্ধান্তে গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

Published

on

By

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে জামায়াতের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদ কোনো আনুষ্ঠানিক বা অলংকারমূলক দায়িত্ব নয়। এটি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর একটি, যার ওপর নির্ভর করে মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সর্বোপরি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আস্থা গড়ে তোলা।

জুলাইয়ের গণআন্দোলনের পর যখন মানুষ কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি তুলেছিল, তখন যোগ্যতা ও মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ছিল। কোটা আন্দোলন কেবলই কোটার প্রশ্ন ছিল না; এটি ছিল মূলত মেধাতন্ত্র ও দক্ষ প্রশাসনের দাবিতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

কিন্তু নতুন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নিয়োগ সেই প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীত বার্তা দিচ্ছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একজন শিল্পপতিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বে বসানো হলো, যার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৯ কোটি টাকা (সাত মিলিয়ন ডলারের বেশি) ঋণ বিশেষ নীতিমালার আওতায় পুনঃতফসিল করা হয়েছিল নিয়োগের অল্প সময় আগে। তিনি আবার বর্তমান শাসক দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যও ছিলেন। ইতোমধ্যে জ্যেষ্ঠ ব্যাংকাররা স্বার্থের সংঘাত ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যে ব্যক্তি নিজেই ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধাভোগী, তাকে পুরো ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রকের আসনে বসানো হলে বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।

শক্তিশালী, স্বাধীন এবং দক্ষ নেতৃত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সম্ভব নয় । রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ, মেধা ও যোগ্যতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত – দেশীয় আস্থা যেমন নষ্ট করে, তেমনি আন্তর্জাতিক মহলেও আস্থার সংকট তৈরি করে। একটি মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন, তিনি কীভাবে একটি পুরো দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবেন; এই প্রশ্ন আজ স্বাভাবিকভাবেই উঠছে।

যখন দেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্যতা, পেশাদারিত্ব এবং মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব, এমন এক সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার অবসানের সংকেত দিতে পারে এই সিদ্ধান্ত।

Continue Reading

top3

গাছ কাটার মামলায় পদ স্থগিত হওয়া বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

Published

on

By

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে সরকারি গাছ চুরির ঘটনায় পদ স্থগিত হওয়া মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, ওই বিএনপি নেতার বাড়িতে যাতায়াতের পথ সুগম করতে উপজেলার কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে নির্মিত বেড়িবাঁধে রোপণ করা ২০টি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করে দেন।

এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার মিঠামইন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এছাড়াও, দলীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বার্তায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার সকল দলীয় পদ স্থগিত করা হয়

Continue Reading

রাজনীতি

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে ট্রলারের ইঞ্জিন চুরির অভিযোগ

Published

on

By


বরগুনার পাথরঘাটায় রাতের আধারে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারের ইঞ্জিন চুরির অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসীম উদ্দীন মৃধার বিরুদ্ধে।

বুধবার দুপুর ২ টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসহরের ৬ নং ওয়ার্ডের তালতলা বাস স্ট্যান্ডের একটি ভাঙ্গারি দোকান থেকে এই মেশিন জব্দ করা হয়। সেখানে সাড়ে ৪ লাখ টাকার ইঞ্জিটি ১১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় উপজেলার চরদুয়ানি ইউনিয়নের খলিফারহাট বাজার থেকে জসীমউদ্দীন ও তার সহযোগীরা এই ইঞ্জিনটি চুরি করে নিয়ে আসে।

অভিযুক্ত জসীম উদ্দীন মৃধা চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ জ্ঞানপাড়া গ্রামের সালাম মৃধার ছেলে এবং একই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি।

ইঞ্জিনের মালিক আলমগীর খলিফা জানান, বেশ কিছুদিন আগে তিনি তার ট্রলারের জন্য দুটি ইঞ্জিন ক্রয় করেন। একটি মাছধরা ট্রলারে বসিয়েছেন এবং অন্যটি ছোট হওয়ায় রেখে দিয়েছি। সকালে তার এক কর্মচারী ফোন দিয়ে বলে ইঞ্জিনটি পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবরের পরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিয়েছেন। পরে তালতলা বাস স্ট্যান্ড এলাকার ভাঙ্গারি দোকানে এসে দেখে ইঞ্জিনটি শনাক্ত করেন। সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে দেখতে পান ইউনিয়নের যুবদল নেতা জসিম মৃধা ইঞ্জিনটি বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, যে ইঞ্জিনটি সাড়ে চার লাখ টাকায় ক্রয় করেছেন তার ট্রলারের জন্য, সেই ইঞ্জিনটি ভাঙ্গারির দোকানে ১১ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তারা।

অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন মৃধা বলেন, আমার এলাকার ছোট ভাইয়েরা একটি ইঞ্জিন নিয়ে বাজারে বিক্রি করেছে। ওরা ছোট হওয়ায় ওদের কাছ থেকে মেশিন ক্রয় করতে চাচ্ছিল না। পরে আমি বিক্রি করে দিয়েছি। ওই মেশিনটা একটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। আমার বিরুদ্ধে যে চুরির কথা বলেছে এটি সঠিক নয়। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কেউ এই কাজ করছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মো. শাহেদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। বিকটিমকে মামলা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে, মামলা হলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Continue Reading

Trending