Connect with us

জাতীয়

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তিন বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে ইইউ

Published

on

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবস। এর আগে প্রতিনিধি দল সিলেট প্রেসক্লাবেও বৈঠক করেন।

ইভারস আইজাবস জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরাপত্তা, অংশগ্রহণমূলক প্রকৃতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা হবে। একইসঙ্গে এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ইইউ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকরা কতটা নির্ভয়ে এবং নিরাপদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে; নারী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের সব নাগরিকের অন্তর্ভুক্তি কেমন হচ্ছে এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টায় সিলেট প্রেস ক্লাবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময়ও তিনি নির্বাচনে নিরাপত্তা ইস্যু, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার কথা বলেন।

সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে ইভারস আইজাবস বলেন, এই সুন্দর দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক—উভয় দিক থেকেই আমাদের সম্পর্ক জোরদার করার জন্য আমরা এখানে এসেছি। এ লক্ষ্যে আমাদের এই নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং আমরা এই নির্বাচনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছি।

তিনি বলেন, আমাদের মিশনের একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি রয়েছে, যেখানে আমাদের কাজ হলো শুধু পর্যবেক্ষণ করা, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া নয়। এ কারণে, যেহেতু নির্বাচন খুব নিকটে, আমি কোনো দলের নিয়ম লঙ্ঘন বা অন্য কোনো বিষয়ে মন্তব্য করবো না।

ইভারস আইজাবস বলেন, আমরা নির্বাচনের পরপরই ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবো এবং দুই মাস পর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করবো।

তিনি আরও বলেন, এই মিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে এক মাস আগে শুরু হয়েছে এবং আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দল (এলটিও) এরই মধ্যে ঢাকা এবং অন্যান্য অঞ্চলে নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষকরা স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, যার মধ্যে প্রধান অংশীদার হিসেবে নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্তৃপক্ষ, প্রার্থী, দেশীয় পর্যবেক্ষক এবং বিভিন্ন এনজিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও ৯০ জন পর্যবেক্ষক আসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সহকর্মী বাম্বি এবং ক্রিশ্চিয়ান এখানে এক মাস ধরে কাজ করছেন এবং আগামীকাল ইউরোপ থেকে আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেবেন; যারা নির্বাচনের শেষ দিনগুলোতে প্রচার এবং ভোটগণনা পর্যবেক্ষণ করবেন। এটি শুধু ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন নয়; সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে এবং কানাডার মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী দেশও এতে অংশগ্রহণ করছে।

এসময় তাদের পর্যবেক্ষকরা দেশের বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকা, শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে থাকবেন বলে জানান ইভারস আইজাবস।

তিনি বলেন, ঢাকায় আমাদের কোর টিমে বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা যেমন- আইনি বিশেষজ্ঞ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও মিডিয়া বিশ্লেষক রয়েছেন। তারা প্রথাগত ও সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে তারা কোনোভাবেই এ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন না বা কাউকে কোনো পরামর্শ দিচ্ছেন না।

এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন আয়োজন করা মূলত বাংলাদেশের নাগরিকদের কাজ এবং এখানে বাইরের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।

ইইউয়ের ওই পার্লামেন্টের সদস্য বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক রক্ষা করতে চাই। বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার খুঁজে পাওয়া।

বাণিজ্য সম্পর্ক প্রসারিত করার কথা জানিয়ে ইভারস আইজাবস বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক প্রসারিত করতে এবং সবুজ শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আমাদের কাছে এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শিক্ষক বদলি চলে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে: ববি হাজ্জাজ

Published

on

By

Teacher transfers are being left to local administration: Bobby Hajjaj

দুর্নীতি রোধে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

রোববার (১৪ জুন) বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

কোয়ালিটি এডুকেশনের বিষয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোয়ালিটি এডুকেশনই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে চাই, যাতে সবাই এখানে আসার জন্য প্রতিযোগিতা করে।

তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে স্কুলগুলোকে সিঙ্গেল শিফটে পরিণত করতে চাই।

শিক্ষক বদলির প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের। এভাবে দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষক যেন স্কুলে যেতে না পারেন, সেটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন করে শিক্ষক নীতিমালা করা হবে।

প্রাথমিকের নীতিমালার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে আসছে কঠোর নীতিমালা। ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা—এই চারটিকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের কারিকুলামে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি পুরোপুরিভাবে প্রাথমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Continue Reading

top1

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

Published

on

By

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে

Continue Reading

top1

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার কথা: অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বা কমার কথা। কারণ, অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই দাবি করেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভাব থাকলে দুর্নীতির একটা প্রবণতা থাকে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমার কথা।

তিনি বলেন, ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে; তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

বাজেটে কর্মসংস্থানের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটে পরিষ্কারভাবে বলা আছে চাকরির কথা। আমরা আশা করি, বাজেটে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব। বিনিয়োগের জন্য জোর দিচ্ছি কর্মসংস্থানের জন্য।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য আমরা জোর দিচ্ছি। দক্ষ একজন শ্রমিকের চাকরি দেশে বিদেশে হওয়া খুবই সহজ। এজন্য আমরা স্কিল ডেভলপমেন্ট সংক্রান্ত নানান প্রকল্প হাতে নিচ্ছি।

Continue Reading

Trending