Connect with us

top1

নির্বাচন হবে গণভোটের পর: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

Published

on

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানকে ভিত্তিমূল ধরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাইনে একটি আদেশ জারি করতে হবে। যে আদেশের অধীনে একটি গণভোট হবে। টাইম ফ্রেম নিয়ে আমরা নির্দিষ্ট কোনো অবস্থান নিচ্ছি না।

তিনি বলেন, গণভোটের পর যখন বাংলাদেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে একটি রিফর্ম অ্যাসেম্বলি হবে, এই রিফর্ম অ্যাসেম্বলি একসঙ্গে দুটি কাজ করবে। প্রথমটি এই আদেশের বাস্তবায়ন, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট সচারচার যে নিত্যনৈমিত্তিক কাজ করে থাকে সেগুলো তারা পালন করবে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে জুলাই সনদ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সেখানে কমিশন একটি বাধ্যবাধকতা দিয়েছে। যদি ২৭০ দিনের মধ্যে তারা এটি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে এটি জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় হিসেবে বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। ঐকমত্য কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই তারা কোনো দল নয়, জনগণের অভিপ্রায়কে প্রায়োরিটি দিয়েছে।

এই এনসিপি নেতা বলেন, গণভোট নিয়ে দেশে অনেক তর্ক-বিতর্ক চলছে; এটি আগে হবে না পরে হবে। আমরা তর্ক-বিতর্কে যাবো না। আমরা মনে করি এই তর্ক-বিতর্ক জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির মধ্যে একটি মন্দযুদ্ধ। এই মন্দযুদ্ধের মধ্যে জাতিকে অংশগ্রহণ করিয়ে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানকে ভিত্তিমূল হিসেবে জুলাই সনদে আনতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের সরকার হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই সনদের আদেশে স্বাক্ষর করার জন্য শহীদ মিনারে যাবেন। জনগণের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত জনগণের সামনেই দিতে হবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আপনারা অবগত আছেন জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করার দাবিতে এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থেকেছে। আমরা বারবার বলেছি জুলাই সনদ স্রেফ রাজনৈতিক সমঝোতার ফাঁকা বুলি ও দলিল নয়; অবশ্যই এর আইনি ভিত্তি থাকতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া দেখেই এনসিপি স্বাক্ষরের বিবেচনা করবে— এই ছিল আমাদের বক্তব্য।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ করেছি এনসিপির আপসহীন অবস্থানের ধারাবাহিকতায় গতকাল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা সুপারিশ করেছে। আমরা মনে করি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এনসিপির অনড় অবস্থানের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি আমরা ঐকমত্য কমিশনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।

তিনি বলেন, দুই ধরনের সংস্কারের জন্য স্বতন্ত্র বাস্তবায়ন রূপরেখা কমিশন পেশ করেছে। সংবিধান সম্পর্কিত নয়, এমন সংস্কার সাধনের লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন ও অধ্যাদেশের খসড়া কমিশন সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে। আমরা মনে করি, কালবিলম্ব না করে অতি সত্ত্বর এই সংস্কার প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের উদ্যোগ অন্তর্বর্তী সরকারকে নিতে হবে।

‘তবে অন্তত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব সংবিধান সম্পর্কিত। এই সংস্কারসমূহের বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়েই এতদিন আলাপ-আলোচনা চলছিল। সংবিধান সম্পর্কিত এসব সংস্কার বাস্তবায়নের নিমিত্তে কমিশন দুটি স্বতন্ত্র খসড়া সুপারিশ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, এনসিপি মনে করে, প্রথম খসড়া তথা প্রস্তাব-১ বাস্তবায়নের পথে সরকারকে যেতে হবে। কারণ এখানে ৮(ঙ) ধারায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্য সম্পন্ন করতে না পারলে সংবিধান সংস্কার বিল পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে এবং সংবিধান সংস্কার আইনরূপে কার্যকর হবে। সনদের ওপর গণভোটের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে বাধ্যবাধকতা তৈরির লক্ষ্যে এটি একটি অত্যাবশকীয় সুপারিশ যার নজির বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে।

তিনি বরেন, অন্যদিকে, কমিশন প্রস্তাবিত প্রস্তাব-২ এ ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য নেই যার দরুন গোটা সংস্কার কার্যক্রমই ভণ্ডুল হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, প্রস্তাব-২ নয়; সরকারকে কমিশন প্রস্তাবিত প্রস্তাব-১ কে বাস্তবায়ন রূপরেখা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রস্তাব-১ এর বেশকিছু জায়গায় ভাষাগত অস্পষ্টতা বিদ্যমান, যা নিরসন করতে হবে। যেমন ৮ (ক) ধারায় বর্ণিত আগামী নির্বাচিত সভা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে গাঠনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে নয়, “করিবে” — এভাবে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন। ৮ (ঘ) ধারায় সংবিধান সংস্কার বিলের বিষয়াদি “বিবেচনা করিবে” এক ধরনের অস্পষ্টতা তৈরি করে যা দূর করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন,দ্বিতীয়ত, গণভোটে প্রদত্ত “সংবিধান সংস্কার বিল” এর খসড়া দ্রুত প্রণয়ন এবং জনগণের নিকট উন্মুক্ত করতে হবে।

এসময় এনসিপি সরকারের প্রতি ৩ দফা আহবান জানায়—

১. ঐকমত্য কমিশন কর্তৃক সুপারিশকৃত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের প্রথম খসড়াটি (প্রস্তাব-১) গ্রহণ করার মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে।

২. সংবিধান সংস্কার বিল খসড়া প্রণয়ন ও উন্মুক্তকরণের উদ্যোগ নিতে হবে৷

জাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন আমাদের গুগল নিউজ চ্যানেল।

৩. জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তিসম্পন্ন আদেশের খসড়া সরকার গ্রহণ করলে সনদ স্বাক্ষরের ব্যাপারে অগ্রগতি তৈরি হবে বলে এনসিপি মনে করে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে রিট কার্যতালিকায়

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় রিটটি ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির নেতা-কর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও অনলাইন প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলনসহ দলটির সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আল আমিন নামে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপস্থিত থাকলে শেখ ফজলুল করিম সেলিম দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, শেখ সেলিম বর্তমানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার অনুপস্থিতিতে তিনিই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। শেখ রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্য ওয়ালের নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরিকল্পনা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন।

তিনি আগামী ডিসেম্বর দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান হচ্ছে বলে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না এবং এর প্রভাব ভারতের নিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে। দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের অবস্থান এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। দেশের মানুষ কষ্টে আছে উল্লেখ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশে ফিরতে চান বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তিনি নিজে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেননি। হেলিকপ্টারে সীমান্ত পার হওয়ার পর জানতে পারেন যে তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন বলে জানান।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন।

ডিসেম্বরের আগেই দেশে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও কেন ফিরবেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছা করেই বেছে নিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের বিজয়ের মাস হওয়ায় ওই সময়েই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

Continue Reading

top1

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ নির্দিষ্ট করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন হওয়ার পর বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে। তখন বিদ্যমান বদলি নীতিমালা বহাল থাকবে, নাকি নতুন নীতিমালা করা হবে—সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের গত ২ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর শূন্য পদে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের যোগদান শুরু হবে আগামী ১ অক্টোবর। নির্বাচিত প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে।

এরপর ৪ অক্টোবর তাদের পদায়ন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। নতুন শিক্ষকদের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না।

পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending