Connect with us

আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুকে হিটলারের পরিণতি বরণ করতে হবে -এরদোয়ান

ছবি: সংগৃহীত

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাতারে হামাস নেতাদের ওপর ইসরাইলের হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান। তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সামলোচনা করে বলেছেন, ‘আদর্শগতভাবে নেতানিয়াহু হিটলারের আত্মীয়ের মতো’। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কাতারের দোহা থেকে দেশে ফেরার সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, হিটলার যেমন কল্পনা করতে পারেননি যে তার সামনে পরাজয় অপেক্ষা করছে, ঠিক তেমনি নেতানিয়াহুকেও একইরকম পরিণতি ভোগ করতে হবে।

কাতারে ইসরাইলের হামলার প্রেক্ষিতে দোহায় আয়োজিত আরব-মুসলিম সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন এরদোয়ান। সেখানে হামাসের আলোচকদের ওপর হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি একটি স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। বলেন, উগ্র মানসিকতা ইসরাইলের নেতৃত্বকে ফ্যাসিবাদী আদর্শে একটি খুনি নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে।

তিনি মনে করেন, পশ্চিমা দেশগুলো ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়বে।

গত সপ্তাহে কাতারে হামলা চালায় ইসরাইল। এতে হামাসের পাঁচ সদস্য ও কাতারের এক নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন। হামলার সময় গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের ওপর আলোচনা চলছিল। এ হামলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান

Published

on

By

টানা ৩৮ দিনের সংঘাতের পর ১৫ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই সময়ের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আরোপ করেছে তেহরান, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পুরো সময়জুড়ে এই টোল আদায় কার্যকর থাকবে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড জাহাজগুলোকে আগাম টোল পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, টোল পরিশোধ করতে হবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে।

অন্যদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক ইরানি বাণিজ্য প্রতিনিধির তথ্যমতে, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার করে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে বড় তেলবাহী সুপার ট্যাংকারগুলোর জন্য এই খরচ কয়েক মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে খালি জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো ফি প্রযোজ্য হবে না।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজ কোম্পানিগুলোকে ইমেইলের মাধ্যমে আগাম নোটিশ দিতে হবে এবং জাহাজের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া, টোল পরিশোধ করতে হবে প্রবেশের আগেই এবং শুধুমাত্র বিটকয়েন বা ইউয়ানে তা গ্রহণ করা হবে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে জাহাজগুলোকে ইরানের উপকূল ঘেঁষে নির্ধারিত পথ কাশেম ও লারেক দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি, মিত্র দেশগুলোর জাহাজ সহজে চলাচল করতে পারলেও শত্রুভাবাপন্ন দেশের জাহাজের ক্ষেত্রে বিলম্ব বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ডলারে লেনদেন এড়িয়ে বিকল্প হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ইউয়ান বেছে নিয়েছে তেহরান। এতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানো সহজ হবে।

ইতোমধ্যে ইউয়ানে টোল আদায় শুরু হয়েছে বলে আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে। তবে এই নতুন ব্যবস্থায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সামুদ্রিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

Continue Reading

top1

তীব্র খাদ্য সংকটের মুখে গাজা, থামেনি ইসরায়েলি হামলা

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রায় ৬ মাস আগে যুদ্ধবিরতি হলেও গাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং জ্বালানি, নগদ অর্থ ও খাদ্যদ্রব্যের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রভাব নেই। ইরান ও লেবাননে হামলার পাশাপাশি গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

গাজার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েল এখনো গাজায় আটা, খাদ্য ও জ্বালানি প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। যার ফলে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার অধিকাংশ রুটির বেকারি। খুব অল্পসংখ্যক বেকারি খোলা থাকলেও নগদ অর্থের অভাবে গাজার বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

একাধিক মানবিক সহায়তা সংস্থা গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিছু সংস্থার মতে, জরুরি খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে গাজার দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এদিকে, প্রায় ছয় সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ খুলে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেখানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল।

হঠাৎ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করল সৌদি আরব, নেপথ্যে কী?

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, ভোরে মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি সেখানে জড়ো হন। পরে শত শত মুসল্লি একসঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করেন।

ইসরায়েলি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইবাদতকারী ও দর্শনার্থীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখলের পর এ ধরনের দীর্ঘ সময় মসজিদটি বন্ধ থাকার ঘটনা এটিই প্রথম। এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতারা

Continue Reading

top1

ইরানের সঙ্গে ‘১০ দফা’ চুক্তির খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কথিত ‘১০ দফা’ চুক্তির খসড়ার খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাস্তব কোনো আলোচনার প্রতিফলন ঘটেনি। বরং কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সেনা ইরানের আশপাশেই থাকবে, যতক্ষণ না একটি বাস্তব চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হয়। চুক্তি মানা না হলে অভূতপূর্ব মাত্রার সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা।

এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে।

এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে যে ‘১০ দফা’ প্রস্তাবের কথা বলা হচ্ছে, তাতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি চালু রাখার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে এসবের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা এখনো পাওয়া যায়নি।

সূত্র : শাফাক নিউজ

Continue Reading

Trending