Connect with us

জাতীয়

ফেনীতে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে ‘রিভিউ আবেদন’ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীর

Published

on

দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে কাক ডাকা ভোরে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল। তিনি শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান।

জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব যে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তাতে তার নাম ছিল না। মনোনয়ন দৌড়ে হেরে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ নতুন করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধানক্ষেতে গিয়ে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ এর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সেই মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আলাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘নো ক্যাপশন।’ ওই ফেসবুক পোস্টে ফারুক আহম্মেদ নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, ‘আপনার এই ব্যতিক্রমী এবং অসাধারণ আবেদনকে স্যালুট জানাই।’শেখ ফরিদ ভুইয়া নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার ছবিটাই ক্যাপশন?’ সাফিম রহমান নামে অন্য আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে তখন ক্যাপশনের দরকার পড়ে না।’

এদিকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।আলালের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আলাল দলের সদস্যসচিব হিসেবে দলের যাবতীয় আদেশ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এতে মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিল। যেখানে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেখানে আলালের এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিস্বাদ প্রশংসার দাবি রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ফেনীর জয়নাল হাজারীর সময় সারা দেশে ‘লেবানন’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারা দেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ।

তিনি আরও জানান, আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করে।প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপির নাম ঘোষণা করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শিক্ষক বদলি চলে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে: ববি হাজ্জাজ

Published

on

By

Teacher transfers are being left to local administration: Bobby Hajjaj

দুর্নীতি রোধে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

রোববার (১৪ জুন) বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

কোয়ালিটি এডুকেশনের বিষয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোয়ালিটি এডুকেশনই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে চাই, যাতে সবাই এখানে আসার জন্য প্রতিযোগিতা করে।

তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে স্কুলগুলোকে সিঙ্গেল শিফটে পরিণত করতে চাই।

শিক্ষক বদলির প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের। এভাবে দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষক যেন স্কুলে যেতে না পারেন, সেটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন করে শিক্ষক নীতিমালা করা হবে।

প্রাথমিকের নীতিমালার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে আসছে কঠোর নীতিমালা। ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা—এই চারটিকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের কারিকুলামে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি পুরোপুরিভাবে প্রাথমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Continue Reading

top1

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

Published

on

By

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে

Continue Reading

top1

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার কথা: অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বা কমার কথা। কারণ, অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই দাবি করেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভাব থাকলে দুর্নীতির একটা প্রবণতা থাকে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমার কথা।

তিনি বলেন, ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে; তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

বাজেটে কর্মসংস্থানের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটে পরিষ্কারভাবে বলা আছে চাকরির কথা। আমরা আশা করি, বাজেটে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব। বিনিয়োগের জন্য জোর দিচ্ছি কর্মসংস্থানের জন্য।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য আমরা জোর দিচ্ছি। দক্ষ একজন শ্রমিকের চাকরি দেশে বিদেশে হওয়া খুবই সহজ। এজন্য আমরা স্কিল ডেভলপমেন্ট সংক্রান্ত নানান প্রকল্প হাতে নিচ্ছি।

Continue Reading

Trending