Connect with us

top1

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান

Published

on

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেননির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন, এই সংক্রান্ত চিঠি আমরা পেয়েছি।’

এখন সংশ্লিষ্ট আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট জারি করবে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী আসন শূন্য ঘোষণার পর তা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

আরপিও অনুযায়ী, ধারা ১৯(১)(খ) কোনো ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারবেন। ধারা ১৯(২) যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হন, তবে তাকে গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে, তিনি কোন একটি আসন রাখতে চান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এবং অবশিষ্ট আসন/আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে।

গেল বৃহস্পতিবার ভোটের পর ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট হয়েছে শুক্রবার। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিতদের শপথের আয়োজন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ২০৯টি আসন জিতে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছিলেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৭২৪ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছিলেন ৯৬ হাজার ৫০৭ ভোট।এই আসনের ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পলাশীর যুদ্ধের রূপকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ ইঙ্গিত নির্বাচনে পরাজিত বিএনপি প্রার্থীর

Published

on

By

অলটাইম নিউজ ডেস্ক

গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। সেখানে পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক চরিত্রদের উদাহরণ টেনে তিনি নিজের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে ‘বিশ্বাসঘাতক’ থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “পলাশীর যুদ্ধ না হলে, মীর মদন ও মোহনলালের সাথে মীর জাফরকে পার্থক্য করা যেত না।”

তার এই পোস্টের পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনের মাঠে নিজের দলের বা ঘনিষ্ঠ বলয়ের কারো অন্তর্ঘাত বা অভ্যন্তরীণ অসহযোগিতাকেই তিনি এই ঐতিহাসিক রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতায় বাংলার পরাজয় নিশ্চিত হয়েছিল। অন্যদিকে মীর মদন ও মোহনলাল শেষ পর্যন্ত নবাবের পক্ষে লড়ে জীবন দিয়েছিলেন। পরাজিত প্রার্থী নিজেকে নবাবের সাথে তুলনা না করলেও, তার এই বার্তার লক্ষ্য যে ‘ঘরের শত্রু’, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তবে তার অনুসারীরা ওই পোস্টের নিচে বিভিন্ন মন্তব্যে পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।

মো. আশরাফুল ইসলাম নামে এক অনুসারী জাকির হোসেন সরকারের ঐ পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘ত্রিমুখী সংকট বিদ্যমান ছিলো, প্রথম- সরাসরি মীরজাফরী,

দ্বিতীয়- দ্বায়িত্ব পেয়ে অবহেলা করা নেতৃত্ব, তৃতীয়- দ্বায়িত্বশীলরা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো কাজে সহায়তা না করা। অন্যান্য- ধর্মব্যবসায়ীদের অবাধ বিচরণে বাধা প্রদানে নির্দেশ না দেওয়া। বেইমান ও মীরজাফরদের চরিত্র কোনোদিন পরিবর্তন হবে না, তাই সঠিক তদন্ত ও শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নিতে হবে।’

রেজাউল হক নামে আরেক ব্যক্তি মন্তব্যে লিখেছেন, ‘মানুষকে বিশ্বাস করা কোনো অপরাধ নয় বরং যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তারা অপরাধী অতএব আগামীদিনে আপনি অবস্যই আল্লাহর পক্ষথেকে সম্মানিত হবেন ইনশাআল্লাহ। আপনার সমস্ত সিদ্ধান্ত ঠিক আছে, এবার সমস্ত রাস্তা চেনা হলো আগামীতে গন্তব্যে পৌঁছনো সহজ হবে।’

এ বিষয়ে জানতে জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাকির হোসেন সরকার কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমীর হামজার কাছে পরাজিত হন।

Continue Reading

top1

রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

Published

on

By

পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারিয়া তানজিমা।

উল্লেখ্য, রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল, অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী

Continue Reading

top1

উচ্চকক্ষে কোন দল কত আসন পাবে?

Published

on

By

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯০ আসনে প্রার্থী দিয়ে বিএনপি এককভাবে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যেখানে বিএনপি জোটের মোট ভোট ৫১.১ শতাংশ। অন্যদিকে ২২৭ আসনে প্রার্থী দিয়ে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের ভোট দাঁড়িয়েছে ৩৮.৫ শতাংশে।

নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় এখন ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। তবে বিএনপি তাদের নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী ভোটের অনুপাতের পরিবর্তে আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের পক্ষপাতি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত শনিবারও এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নির্বাচনের হিসাব অনুযায়ী বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সম্মিলিত ভোট ৮৯.৫৭ শতাংশ এবং বাকি ১০.৪৩ শতাংশ ভোটের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫.৭৯ শতাংশ। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত ১ শতাংশ ভোট পেতে হবে। স্বতন্ত্র ও বাকিদের ভোট বাদ দিয়ে হিসাব করলে বিএনপি উচ্চকক্ষে ৫৬টি আসন, জামায়াত ৩৬টি, এনসিপি ৩টি, ইসলামী আন্দোলন ৩টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসন পেতে পারে।

বর্তমানে সংরক্ষিত আসন বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী যে দলের প্রাপ্ত আসনের ভগ্নাংশ বড় হয়, তারা পূর্ণ আসন পায়। বিএনপি যদি সংসদের আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের সিদ্ধান্তে অটল থাকে, তবে প্রতি তিনটি আসনের জন্য দলগুলো উচ্চকক্ষে একটি আসন পাবে। সেক্ষেত্রে তিনের কম আসন পাওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন ও বিজেপির মতো দলগুলো উচ্চকক্ষে কোনো প্রতিনিধিত্ব পাবে না।

জুলাই সনদের ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৩০টিতে ঐকমত্য থাকায় এবং গণভোটের প্রথম দুই ভাগের ৮টি সংস্কার বাধ্যতামূলক হওয়ায় মোট ৩৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে বিএনপি ও অন্যান্য দলের ভিন্নমত থাকা বাকি ১০টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক নয়। এই জটিলতা নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সমকালকে বলেন, “এই প্রশ্নই তো আসে না। জুলাই সনদে নানা বিষয়ে নানা দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকার কারণেই তো গণভোট হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি একমত থাকত, তাহলে তো গণভোটের প্রয়োজন হতো না। গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোট দিয়ে প্রথম আটটি সংস্কার প্রস্তাবে থাকা বিভিন্ন দলের নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে।”

সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “গণভোটের ব্যালটে বলা হয়েছে, প্রথম দুই ভাগের ৮টি এবং তৃতীয় ভাগের ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব বাধ্যতামূলক। বাকি ১০টি সংস্কার প্রস্তাব দলগুলোর নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা বা না করা যাবে। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় তাই ৩৮টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের রাজনৈতিক ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর নির্বাচনের যে ফলাফল হয়েছে, তাতে জুলাই সনদ মেনেও বিএনপি উচ্চকক্ষে সংবিধান শোধনের মতো সংখ্যারিগষ্ঠতা পাবে।”

Continue Reading

Trending