Connect with us

top1

বিএসএফের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, কড়া নজরদারিতে বিজিবি

Published

on

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের একাধিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি নতুন করে উত্তেজনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা, তিনবিঘা করিডোর এলাকায় উত্তেজনা, ভারতীয় চোরাকারবারীদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সীমান্তে একটি ভারতীয় ড্রোন পড়ে যাওয়ার ঘটনা এবং পুশইনের আশঙ্কা।

এসব ঘটনার পর সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার

গত ১৪ মে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার বনচৌকি বিওপি এলাকায় বিএসএফের গুলিতে খাদেমুল ইসলাম (২৪) নিহত হন।

এর আগে ৮ এপ্রিল পাটগ্রাম সীমান্তে আলী হোসেন (৩৮) নামে আরেক বাংলাদেশি নিহত হন।

এই দুই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দেয়।

এর পাশাপাশি কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের কলসীমুখ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের বাঁশের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা বিজিবির আপত্তির মুখে বন্ধ হয়ে যায়।

পরে তিনবিঘা করিডোর এলাকায় নতুন করে একই ধরনের উদ্যোগ ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়।

এরপর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে সীমান্ত আইন মেনে ১৫০ গজের মধ্যে স্থায়ী স্থাপনা না করার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়।

অন্যদিকে কলসীমুখ সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারীদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে বিজিবি বাধা দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি, রংপুর ৫১ বিজিবি এবং তিস্তা-টু ৬১ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম বাড়িয়েছে।

১৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানিয়েছেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত লঙ্ঘনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সীমান্তে সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় নিহত ৬

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার সর্বশেষ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) কিয়েভ থেকে বার্তাসংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা জানান, সকালে পরপর দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রথম বিস্ফোরণের কয়েক মিনিট পর দ্বিতীয়টি ঘটে।

কিয়েভের মেয়র জানিয়েছেন, রাজধানীতে মিসাইল হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাতভর রাশিয়া ১২০টি ড্রোন ও ১২টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে ছয়টি ছিল ব্যালিস্টিক মিসাইল।

তার দাবি, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সব ড্রোন এবং ছয়টি মিসাইল ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো ঠেকানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, সতর্কতামূলক সাইরেন বাজার আগেই ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হানে।

জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় কিয়েভের কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন, অফিস এবং একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, পূর্বাঞ্চলীয় সামি শহরের মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে বিমান থেকে নিক্ষেপ করা বোমার আঘাতে এক শিশুকন্যাসহ চারজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের ওডেশায় পৃথক মিসাইল হামলায় আরও দুজন প্রাণ হারান।

সূত্র: এএফপি

Continue Reading

top1

খামেনির জানাজাস্থলের পাশে হামলায় দুই ইরানিসেনা নিহত

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে নিরাপত্তা টহলের সময় হামলায় বাসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন পথচারীও আহত হয়েছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) খোরাসান রাযাভি প্রদেশে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) স্থানীয় ইউনিট ইমাম রেজা গার্ড কর্পস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, নিহত দুই সদস্যের নাম সাইয়্যেদ সাজ্জাদ আলাভি ও মেহদি হোনারমান্দ। তারা মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজার থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের সারাফরাজান স্কয়ার এলাকায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত হামলাকারীদের হামলায় তারা প্রাণ হারান।

হামলার সময় আহত হওয়া এক পথচারীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইমাম রেজা গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন।

Continue Reading

top1

টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, পানিতে তলিয়ে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

Published

on

By

বেনাপোল প্রতিনিধি:

টানা ও ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের বিভিন্ন শেড, গোডাউন ও ইয়ার্ডে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে। বন্দর-সংশ্লিষ্টদের মতে, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের নানা সীমাবদ্ধতার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টির ফলে বন্দর এলাকার ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন পাঁচটি শেড পানিতে ডুবে যায়। এতে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত পণ্য ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পানি হাঁটুর ওপরে উঠে যাওয়ায় বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্দর কর্তৃপক্ষ পাওয়ার পাম্পের সাহায্যে পানি সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বন্দরে আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকর উন্নয়ন হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এবং প্রতিবছর আমদানিকারকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ও আরমান হোসেন বলেন, পানিতে পণ্য নষ্ট হয়ে কোটি টাকার ক্ষতি হলেও তারা কোনো ধরনের বীমা সুবিধা বা ডেমারেজ পান না। একই সমস্যার কারণে বছরের পর বছর লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। এতে শতাধিক আমদানিকারক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং বীমা সুবিধা না থাকায় তারা কোনো ক্ষতিপূরণও পাচ্ছেন না।

তিনি আরও জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য অতীতে একটি কমিটি গঠন করা হলেও সেটির কার্যক্রম কার্যকর ছিল না। গত বর্ষায় সাময়িক কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হয়নি।

এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক কাজি রতন বলেন, টানা বৃষ্টিতে কয়েকটি শেডে পানি জমে পণ্য ভিজে গেছে। দ্রুত পানি অপসারণে পাওয়ার পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Continue Reading

Trending